এক নজরে"জ্ঞান ও বিশ্বাসের পাশাপাশি আত্মশুদ্ধি এবং স্রষ্টার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কই পারে তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে আগামীর শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ইরান গড়ে তুলতে।"
-
আত্মশুদ্ধি ও বিশ্বাসের ডাক: কেবল প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা নয়, বরং স্রষ্টার সন্তুষ্টি ও আত্মিক পরিশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি জোর আহ্বান।
-
কোরআন ও আহলে বাইতের শিক্ষা: তরুণদের মননে পবিত্র কোরআন এবং আহলে বাইতের গভীর জ্ঞান ধারণ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ।
-
উদ্ভাবন ও কঠোর পরিশ্রম: প্রিয় মাতৃভূমির শক্তি ও সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে নবউদ্ভাবন এবং পরিশ্রমে মনোযোগী হওয়ার তাগিদ।
-
ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার: শিক্ষার্থীদের চিঠিতে প্রকাশ পাওয়া দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধকে ইসলাম, ইমাম খোমেনি এবং শহীদ খামেনির আদর্শিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মূল্যায়ন।
-
ভবিষ্যতের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য: ইমাম মাহদির আশীর্বাদ ও তরুণদের এই যৌথ অঙ্গীকারের পথ ধরেই চূড়ান্তভাবে একটি সফল ইসলামি-ইরানি সভ্যতা বিনির্মাণের আশাবাদ।
আত্মিক পরিশুদ্ধি, দৃঢ় বিশ্বাস এবং পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে মাতৃভূমির শক্তি ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে উদ্ভাবনী মন নিয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঠানো চিঠির প্রত্যুত্তরে এসব কথা জানান তিনি। আগামীর দিনগুলোতে দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের অটল মনোভাব ও দায়িত্বশীল মানসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পাঠানো বার্তার মূল অংশে তিনি উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে আত্মশুদ্ধি অর্জন এবং স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে আত্মনিয়োগ করা জরুরি। পাশাপাশি পবিত্র কোরআন ও আহলে বাইতের প্রকৃত শিক্ষা অন্তরে ধারণ করতে তরুণ প্রজন্মকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
দেশ গড়ার কাজে তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, নবউদ্ভাবন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই কেবল ইরানের জাতীয় শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে তোলা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের পাঠানো চিঠিগুলো তাদের গভীর দেশপ্রেম ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের দূরদর্শী ভাবনারই প্রকাশ। এই অঙ্গীকার মূলত পবিত্র ইসলাম এবং ইমাম খোমেনি ও শহীদ খামেনির আদর্শিক ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে গাঁথা, যা তরুণ সমাজ ও নেতৃত্বকে এক সুতোয় বেঁধেছে।
পরিশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইমাম মাহদির আশীর্বাদ ও অনুগ্রহ নিয়ে ইসলামি ও ইরানি সভ্যতার পুনর্গঠনের এই ঐতিহাসিক পথচলা ভবিষ্যতে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।