মেধাবী ও সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সম্মাননা দিয়েছে জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ভোলার সাবেক মন্ত্রী মরহুম মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি তাদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না, দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতাও অর্জন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে এ ধরনের সম্মাননা আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে উৎসাহিত করবে।
জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ, ভোলার উদ্যোগে ভোলা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ, ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক আলহাজ মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম ভিপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্যসচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সম্মাননা প্রদান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফ জানান,ভোলা একটি ছোট্ট পৌর শহরের বাচ্চাদের খুব ভালো রেজাল্ট করেছে। সবাই ভবিষ্যতে ভালো জায়গায় যাবে। তারা যেন আমাদের ছোট্ট শহরটিকে ভুলে না যায়। আমাদের শিক্ষার্থীদের স্মৃতি চারন করার মতো তেমন কিছু নেই। তারা আজীবন কন্টেকটারী,রাজনীতি, ঘুষ খোরদের ঘুষ খাওয়া দেখেছে। তাদের মধ্যে এক ধরনের বিরুপ ধারনা হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীরা যেন ভোল স্মৃতি নিয়ে বেরে উঠে তাই তাদের জন্য এমন সুন্দর আয়োজন করার চেষ্টা করা। তারা আজীবন এই স্মৃতি টুকু মনে রাখবে। আমরা চাই ভবিষ্যতে সবাই মেধাবী জাতি গড়তে সবাই এগিয়ে আশা উচিত।
শিক্ষার্থীরা জানান, বন্ধুজন এর এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আমাদের আরো ভালো ফলাফল করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাই এই অর্জন শিক্ষার্থীরা তাদের বাবা-মা কে উৎসর্গ করে।
সাননিউজ/বান্না