শরতের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ কিংবা নদীর চরে সাদা কাশবনের দোলা—রূপসী ঋতুকে বরণ করে নেওয়ার এই চিরায়ত আয়োজনে ব্যস্ততার কারণে হয়তো অনেকেরই যাওয়া হয়ে ওঠে না বাইরে। তবে মন চাইলে ঘরকেই বানিয়ে নেওয়া যায় রূপকথার ক্যানভাস। ঢালিউডের আলোচিত ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি যেন ঠিক সেটাই করলেন। কাশবন বা খোলা আকাশের নিচে যাওয়া না হলেও, নীল রঙের একটি নজরকাড়া শাড়ি আর প্রিয় লেখকের বইয়ের পাতায় নিজেকে জড়িয়ে ঘরেই যেন খাঁটি শরৎকে খুঁজে নিলেন এই তারকা।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শরতের আমেজে ভরপুর একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন পরীমনি। মুহূর্তেই সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রশংসা কুড়াতে শুরু করে।
নীল শাড়ি ও বইয়ের পাতায় স্নিগ্ধ রূপ
প্রকাশিত ছবিগুলোতে পরীমনিকে দেখা গেছে এক মোহনীয় ও স্নিগ্ধ লুকে। তার পরনে রয়েছে অভিজাত নীল রঙের একটি শাড়ি, যা শরতের আকাশকে মনে করিয়ে দেয়। চুলগুলো খুব যত্নে পরিপাটি করে খোঁপা করা, আর মুখে লেগে আছে চেনা সেই মিষ্টি ও মৃদু হাসি। এই রূপসজ্জার পাশাপাশি পরীমনির হাতে থাকা কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘তন্দ্রাবিলাস’ ছবিগুলোর নান্দনিকতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কখনো বইটিকে পরম যত্নে বুকে জড়িয়ে ধরেছেন, আবার কখনো গভীর মনোযোগে উল্টে গেছেন পাতা—এমন বেশ কিছু ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত ভক্তদের হৃদয় কেড়েছে।
ক্যাপশনের ছন্দে শরতের আবেগ
নিজের এই মনমাতানো ছবির ক্যাপশনে পরীমনি কবিতার ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছেন তার মনের ভাব। তিনি লিখেছেন,
‘না হলো যাওয়া আর কাশবনে না হলো দেখা শরতের আকাশ। উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস।’
পরীমনির এই সাবলীল অভিব্যক্তি ও নান্দনিক জীবনবোধের বহিঃপ্রকাশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। শুটিং ও কাজের ব্যস্ততার শত ভিড়ের মাঝেও নিজের মনের ভেতর শরতের এই রূপকে এভাবেই জীবন্ত করে তোলার মুন্সিয়ানা পরীমনিকে আবারও ভিন্ন এক আলোয় ফুটিয়ে তুলেছে। ছবিগুলো প্রকাশের পর থেকেই কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে ভক্তদের ভালোবাসামাখা বার্তা ও প্রশংসা।
সান নিউজ / রাজীব