সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবেদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আবেদ আলী, আমিনুলসহ কয়েকজন মিলে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের কর্মচারী জয়নাল আবেদিনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার বাদীর অভিযোগ, পলাতক আসামিরা মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
হুমকির অভিযোগের বিষয়ে জানতে মামলার পলাতক আসামি আমিনুলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আবেদ আলী ছাড়া পেলে মামলার বাদী ও তার সহযোগীদের ‘অবস্থা খারাপ হবে’।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা বেশ বিস্তৃত। এর পাশেই আনারকলি নামে একটি এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের দাবি, ওই এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কেন্দ্রের নির্জন স্থানে এসে অনেকে মাদক সেবন করেন। পরে মাদকের অর্থ জোগাড় করতে আশপাশের সড়কে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদ আলী ও আমিনুলের নেতৃত্বে সেখানে মাদকের আড্ডা বসে। পাশাপাশি ডেইরি ফার্মের ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের ছত্রচ্ছায়ায় তারা বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের পরিচালক বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানের আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশের বিষয়েও কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে সীমানাপ্রাচীরের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবেদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আবেদ আলী, আমিনুলসহ কয়েকজন মিলে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের কর্মচারী জয়নাল আবেদিনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার বাদীর অভিযোগ, পলাতক আসামিরা মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
হুমকির অভিযোগের বিষয়ে জানতে মামলার পলাতক আসামি আমিনুলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আবেদ আলী ছাড়া পেলে মামলার বাদী ও তার সহযোগীদের ‘অবস্থা খারাপ হবে’।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা বেশ বিস্তৃত। এর পাশেই আনারকলি নামে একটি এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের দাবি, ওই এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কেন্দ্রের নির্জন স্থানে এসে অনেকে মাদক সেবন করেন। পরে মাদকের অর্থ জোগাড় করতে আশপাশের সড়কে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদ আলী ও আমিনুলের নেতৃত্বে সেখানে মাদকের আড্ডা বসে। পাশাপাশি ডেইরি ফার্মের ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের ছত্রচ্ছায়ায় তারা বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের পরিচালক বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানের আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশের বিষয়েও কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে সীমানাপ্রাচীরের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সান নিউজ/ রাব্বি