ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

শনিবার ইসি কার্যালয়ে আপিল শুনানি শেষে রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে আর কোনো বাধা রইল না বিএনপির এই নেতার। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ৯ জন নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন জমা দেন। পরে যাচাই-বাছাইয়ে মো. মহিউদ্দিনসহ চারজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন। সে হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মাঠে ছিলেন। পরবর্তীতে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের তালিকায় প্রয়োজনীয় তথ্যের অসঙ্গতি থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী। এছাড়াও মো. মহিউদ্দিন একটি ঋণের জামিনদার হওয়ায় সেটি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগও করা হয়।

মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার পর মো. মহিউদ্দিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। শনিবার আপিলের শুনানি শেষে রোববার রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। এদিন মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার পর থেকে দলীয় একাংশ ও মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

নেতা-কর্মীরা বলছেন, দীর্ঘ ৩৬ বছরের বেশি সময় ধরে মহিউদ্দিন পরিবার জেলায় বিএনপিকে সুসংগঠিত রেখেছে। মহিউদ্দিনের বড় ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ মো. আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন তাঁরা। আব্দুল হাই অসুস্থ হওয়ার পর মহিউদ্দিন তাঁর ভাইয়ের মতো দলের সব কার্যক্রম নেতৃত্ব দিয়ে চালিয়ে নিয়ে গেছেন। যে কোনো বিপদে-আপদে তাঁকে পাশে পেয়েছেন দলীয় লোকজন। তাই মহিউদ্দিন যে প্রতীকে নির্বাচন করবেন, সে প্রতীকের পক্ষেই কাজ করবেন বলে জানান তাঁর সমর্থকরা।

এ বিষয়ে মো. মহিউদ্দিন বলেন, যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকে বিএনপির সঙ্গে আছি। আমিসহ আমাদের পুরো পরিবার আজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। দল করতে গিয়ে কত শতবার হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এর পরেও দল ছাড়িনি, দলের নেতা-কর্মীদের ছাড়িনি। এ আসনের জনগণ আমাকে চায়, নেতা-কর্মীরাও আমাকে চান। সবার চাওয়ার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। প্রাথমিকভাবে দল একজনকে মনোনয়ন দিলেও চূড়ান্ত মনোনয়ন আমাকে দেওয়ার কথা রয়েছে। আমি এখনো আশা করি আমাদের চেয়ারম্যান আমাকে মনোনয়ন দেবেন। শেষ পর্যন্ত যদি দল থেকে মনোনয়ন না হয়, সে ক্ষেত্রে জনগণ ও আমার আসনের নেতা-কর্মীরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি সেটাই মেনে নেব।

সাননিউজ/আরআরপি

Copyright © Sunnews24x7
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

রায়পুরা সরকারি কলেজে এমপি বকুলকে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ

নরসিংদীর রায়পুরা সরকারি কলেজের উদ্যোগে কলেজের সাবে...

পঞ্চগড়ে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালি...

মুন্সীগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আ'লীগ কর্মীকে হত্যার অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের চরকেওয়ার ইউনিয়নে...

জামিন পেলেন পরীমনি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদাল...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
sunnews24x7 advertisement
খেলা