গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি বেসামরিক সরকারি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন।
নিহত দুই কর্মকর্তা হলেন ডিআর কঙ্গোর সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোতুম্বো কাতালেই তিয়েন্দে এবং সামরিক বাহিনীর মহাহিসাব নিরীক্ষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া।
ডিআর কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে শনিবার এক বিবৃতিতে জানান, শুক্রবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুইলুর কিক্বিত শহর থেকে রাজধানী কিনশাসায় ফেরার পথে বিমানটি কেঙ্গে শহরের একটি আবাসিক এলাকার ফাঁকা জায়গায় বিধ্বস্ত হয়। মাটিতে আছড়ে পড়ার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়।
দুর্ঘটনার পর আগুনে জ্বলতে থাকা উড়োজাহাজের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিবৃতিতে মেজর জেনারেল একেঙ্গে জানান, উড়োজাহাজে থাকা পাইলট, যাত্রী ও ক্রুসহ সবাই নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপিকে জানিয়েছেন ডিআর কঙ্গোর বেসামরিক বিমান চলাচল বোর্ডের চেয়ারম্যান ত্রাইফন কিন-কিয়ে মুলুম্বা। তবে দুর্ঘটনার জন্য রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম২৩ দায়ী হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ২০২৫ সাল থেকে গোষ্ঠীটির সঙ্গে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর সংঘাত চলছে।
তবে মেজর জেনারেল ইফোমি একেঙ্গে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
দুর্বল অবকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ডিআর কঙ্গোতে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা নতুন নয়। কয়েক বছর আগেও দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিমান দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হতো।
সান নিউজ/ রাব্বি