ভারতের তরুণ প্রজন্মের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে ২০২৪ সালের বাংলাদেশর ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্য্ত্থান একটি শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা।
সম্প্রতি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সাধারণ সম্মেলন উপলক্ষে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। প্রগতিশীল এই ছাত্র সংগঠনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
বার্তায় নেহা বোরা উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে ভারতীয় তরুণ সমাজ তথা 'জেন-জি' প্রজন্মের নেতৃত্বে যে রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন দানা বেঁধে উঠেছে, তার মূল অনুপ্রেরণা এসেছে বাংলাদেশ থেকে।
বিগত দিনে বাংলাদেশে যে রক্তক্ষয়ী ও সাহসিকতাপূর্ণ লড়াই সংঘটিত হয়েছিল, তার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের হারানো ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। ঠিক একই রকম গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের দাবিতে ভারতের বর্তমান তরুণরাও এখন রাজপথে সোচ্চার হয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের ঐতিহাসিক এই সাফল্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সংহতি জানিয়ে এআইএসএর এই শীর্ষ নেত্রী বলেন,দেশের তরুণেরা শুধু আন্দোলন করেই ক্ষান্ত হননি, বরং তারা পুরো অঞ্চলের যুবসমাজকে নতুন পথ দেখিয়েছেন।
এই সংগ্রামের পথপরিক্রমা থেকে ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র ও যুবসমাজ অনেক কিছু শিখেছে এবং তা থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যৌথভাবে লড়লে অচিরেই এই দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সান নিউজ / রাজীব