<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feeds</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feeds"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 06 Nov 2026 09:05:53 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[তিন গ্রামে বন্দুকধারীর তাণ্ডব, নিহত ৮]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119730" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119730</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক ঝলক : 


┃ তুরস্কে বন্দুকধারীর হামলা

┃ নিহত ............. ৮
┃ গুরুতর আহত ...... ১
┃ আক্রান্ত গ্রাম ... ৩টি
┃ এলাকা ............ আফিয়নকারাহিসার
┃ সন্দেহভাজন ...... লাল গাড়িতে পলায়ন
┃ অবস্থা ........... অভিযান চলছে


 

 

তুরস্কের মধ্যপশ্চিমাঞ্চলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পৃথক তিনটি গ্রামে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একজন। হামলার পর সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বড় আকারের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাগুলো ঘটেছে আফিয়নকারাহিসার প্রদেশের গ্রামীণ এলাকায়। রাজধানী আঙ্কারা ও উপকূলীয় নগরী ইজমিরের মাঝামাঝি অবস্থান করা এই অঞ্চলে এক সন্ধ্যায় ধারাবাহিকভাবে হামলার খবর আসতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন স্থান থেকে হতাহতের তথ্য মিলতে থাকলে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়।

প্রাদেশিক প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, হামলায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের সংখ্যা আটজনে পৌঁছেছে। একই ঘটনায় আহত আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ইউকারিতান্দির এলাকায় রাস্তার পাশে দুই নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা শেষ পর্যন্ত তাদের বাঁচাতে পারেননি। পরে পাশের কিয়ির গ্রাম থেকে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যাদের শরীরেও গুলির চিহ্ন ছিল।

এর কিছু সময় পর আরও পূর্বদিকে অবস্থিত আয়াজিনি গ্রাম থেকেও তিনজন নিহত হওয়ার খবর আসে। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়ায়। ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

হামলার উদ্দেশ্য এবং নিহতদের সঙ্গে হামলাকারীর কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে একই অঞ্চলের একাধিক গ্রামে অল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত এই হামলা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। একটি লাল রঙের গাড়িতে করে তিনি এলাকা ত্যাগ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ তার পিছু নেয় এবং বিভিন্ন সড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়।

তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। ফলে আততায়ী এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই হামলার পর শান্ত গ্রামীণ জনপদগুলোতে নেমে এসেছে ভীতি ও অনিশ্চয়তা। স্বজন হারানোর শোকে ভারী হয়ে উঠেছে কয়েকটি পরিবার। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে। তদন্তকারীরা হামলার পেছনের কারণ খুঁজে বের করার পাশাপাশি পলাতক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

তুরস্কে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ এই বন্দুক হামলা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এখন সবার নজর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানের দিকে, কারণ হামলার নেপথ্যের রহস্য উন্মোচন এবং দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 09:05:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাসান মাহমুদের অগ্নিঝরা বোলিং, উইন্ডিজের ইনিংস থামল সাড়ে তিনশতে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119729" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119729</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট টেস্ট: এক নজরে দ্বিতীয় দিনের আপডেট


	
	ম্যাচ ও ভেন্যু: দ্বিতীয় টেস্ট, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
	
	
	তারিখ: ৫ - ৯ নভেম্বর, ২০২৬ (আজ দ্বিতীয় দিন, দ্বিতীয় সেশন)।
	
	
	ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস: ৩৫০ রান (হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ক্যারিবীয়রা অলআউট হয়)।
	
	
	মূল তারকা (বোলিং): হাসান মাহমুদ দুর্দান্ত বোলিং করে একাই শিকার করেছেন ৬টি উইকেট (ক্যারিয়ারের পঞ্চম বারের মতো ৫ উইকেট বা ততোধিক)।
	
	
	ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং: দলের বিপর্যয় সামলে একাই লড়াই করে দারুণ একটি সেঞ্চুরি তুলে নেন আমীর জাঙ্গু। এছাড়া কেভিন উইকহ্যাম করেন ১৪৫ বলে ৬১ রান।
	
	
	বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস: ২২/২ (১২.১ ওভার শেষে)। উইকেটে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১*) ও তাওহিদ হৃদয় (০*)।
	
	
	বর্তমান পরিস্থিতি: ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ থেকে বাংলাদেশ এখনো ৩৩৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে। রান রেট ১.৮৩।
	


 

 

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বল হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন হাসান মাহমুদ। তার বিধ্বংসী ও নিখুঁত বোলিং তোপে পড়ে প্রথম ইনিংসে বড় কোনো জুটি গড়ার সুযোগ পায়নি সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিয়ারে দারুণ এক মাইলফলক ছুঁয়ে এই পেসার একাই শিকার করেছেন ৬টি উইকেট। আর এর সুবাদেই তিনশ পেরিয়ে ৩৫৬ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত লাইন-লেংথ বজায় রেখে ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের চোখ রাঙাচ্ছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে একা হাতে লড়াই চালিয়ে যান আমীর জাঙ্গু। তার অনবদ্য ও দায়িত্বশীল সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই মূলত চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় অতিথি দলটি। এর আগে প্রথম দিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপের মুখে তারা খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না। তবে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে দলের হাল ধরেন কেভিন উইকহ্যাম ও আমীর জাঙ্গু। এই জুটি বেশ কিছুক্ষণ প্রতিরোধ গড়ে দলকে ভালো একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

টেকসই ব্যাটিংয়ে উইকহ্যাম ১৪৫ বল মোকাবিলা করে ৫টি দৃষ্টিনন্দন চারের সাহায্যে করেন মূল্যবান ৬১ রান। তাকে সাজঘরে ফিরিয়ে বিপজ্জনক এই জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন সেই হাসান মাহমুদই।

এদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস থেমে যাওয়ার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বেশ বিপাকে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে মাত্র ২২ রান যোগ করতেই হারিয়ে বসেছে ২টি মূল্যবান উইকেট। উইকেটে এখন প্রতিরোধ গড়ার কঠিন লড়াইয়ে আছেন ব্যাটাররা। সামনে বড় রানের পাহাড় জমে থাকায় টাইগারদের ব্যাটারদের জন্য প্রতিটি রান তোলা এখন অগ্নিপরীক্ষার সমান। সিলেট টেস্টের বাকি সময়গুলোতে স্বাগতিকরা কীভাবে এই চাপ সামাল দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়!


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:40:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চীনা নাগরিকদের রহস্যময় সম্প্রচারে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119728" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119728</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

 

 

╔════════════════════════════════════╗ ║ 🔴 এক নজরে ║ ║ উত্তরাজুড়ে চীনাদের রহস্যময় লাইভ ║ ╚════════════════════════════════════╝

┃ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইভ ভিডিও
┃ কেন্দ্রবিন্দু: উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর ও টেকপাড়া
┃ স্থানীয়দের দাবি, দেড় শতাধিক চীনা নাগরিক সক্রিয়
┃ প্রত্যেকের হাতে দুটি মোবাইল ফোন
┃ সম্প্রচার হয় চীনা প্ল্যাটফর্মে
┃ অভিযোগ, অনেক সময় বাসাবাড়ির কাছেও ভিডিও ধারণ
┃ স্থানীয়দের প্রশ্ন: আসল উদ্দেশ্য কী?
┃ গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
┃ কিছু লাইভে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ
┃ দীর্ঘদিন চললেও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

কেন আলোচনা?

▪ মাসের পর মাস একই এলাকায় নিয়মিত লাইভ সম্প্রচার
▪ স্থানীয় পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাপনকে কনটেন্ট হিসেবে ব্যবহার
▪ কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন দেশের পরিচয় দিয়ে প্রচারের অভিযোগ
▪ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ নিয়ে ক্ষোভ

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

স্থানীয়দের প্রধান অভিযোগ

▪ অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ
▪ আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত ঘোরাফেরা
▪ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের আশঙ্কা
▪ কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান তদারকির অভাব

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

বড় প্রশ্ন

উত্তরার অলিগলিতে ধারণ করা এসব লাইভ ভিডিও শেষ পর্যন্ত কার জন্য, কেন এবং কী উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে?

 

 

 

ঢাকার উত্তরার অলিগলি, খালপাড়, বসতিপূর্ণ নিম্ন আয়ের মহল্লা কিংবা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন। এসব দৃশ্য নিয়ে মাসের পর মাস ধরে লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করছেন একদল চীনা নাগরিক। এইসব চীনাদের হাতে থাকে দুটি মোবাইল ফোন। একটি ফোনে সরাসরি সম্প্রচার চলতে থাকে, অন্যটিতে থাকে বিভিন্ন লেখা বা তথ্য। প্রথম দেখায় অনেকের কাছে বিষয়টি সাংবাদিকতা কিংবা কোনো ডিজিটাল ম্যাপিং প্রকল্পের অংশ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে এখন কৌতূহলের জায়গা দখল করেছে উদ্বেগ, বিরক্তি ও নানা প্রশ্ন।

উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর, টেকপাড়া এবং আশপাশের কিছু এলাকায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেখা যায় এসব বিদেশি নাগরিককে। বাসিন্দাদের দাবি, দেড় শতাধিক চীনা নাগরিক নিয়মিত বিভিন্ন গলি, সড়ক, দোকানপাট, খোলা জায়গা এবং আবাসিক এলাকায় ঘুরে ঘুরে এমন ভিডিও ধারণ করেন। কিন্তু সেই ভিডিও কোথায় সম্প্রচার হয়, কী উদ্দেশ্যে করা হয় কিংবা ভিডিওতে কী বলা হয়, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের কোনো ধারণা নেই।

স্থানীয়রা জানান, দিনের শুরুতেই ভিডিও ধারণ শুরু করেন তাঁরা। অনেক সময় রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত একই কার্যক্রম চলে। দীর্ঘদিন ধরে এ দৃশ্য দেখতে দেখতে অনেকেই বিষয়টিকে অস্বাভাবিক মনে করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদেশি নাগরিকেরা প্রায়ই মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরের কাছাকাছি চলে যান এবং অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন স্থান ধারণ করেন।

একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উত্তরার অন্যান্য এলাকার তুলনায় টেকপাড়া এলাকায় এসব ভিডিও ধারণ তুলনামূলক বেশি হয়। জনবহুল এবং নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসস্থল হওয়ায় এলাকাটিকে তাঁরা বিশেষভাবে বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা স্থানীয়দের। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, ঘরবাড়ি, দোকানঘর এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডই যেন তাদের সম্প্রচারের প্রধান বিষয়বস্তু।

চীনা নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বেশির ভাগই কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ নিজেদের নাম বা দেশের পরিচয় দিলেও তাদের কাজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে চাননি। ভাষাগত সমস্যাও যোগাযোগের অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।



তবে কয়েকজন স্থানীয় সহযোগীর মাধ্যমে জানা যায়, এসব ভিডিও মূলত বিভিন্ন চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। স্থানীয় গাইড হিসেবে কাজ করা কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক জানান, তাঁরা দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে এসব বিদেশি নাগরিককে সহায়তা করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চীনের জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে এসব ভিডিও প্রচার করা হয় এবং সেখান থেকে আয়ও করা হয়।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, লাইভ সম্প্রচারের সময় চীনা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়। অনুবাদের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু সম্প্রচারে উত্তরার দৃশ্য দেখানো হলেও সেটিকে অন্য দেশের শহর বা এলাকা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও স্থানীয় জীবনযাত্রাকে অত্যন্ত দরিদ্র, অপরিচ্ছন্ন বা অনুন্নত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাস, বাসস্থান ও সামাজিক জীবন নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবশ্য সব সম্প্রচারে নেতিবাচক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিছু লাইভে বাংলাদেশে চীনা পণ্যের জনপ্রিয়তা, নগরায়ণ কিংবা আধুনিক স্থাপনার বিষয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করতে দেখা গেছে। তবে এমন উদাহরণ সংখ্যায় কম বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় ধারণ করা একাধিক লাইভ সম্প্রচারের বিষয়বস্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত অবস্থান গোপন রেখে দর্শকদের কাছে ভিন্ন পরিচয় তুলে ধরা হচ্ছে। সম্প্রচারগুলোর কয়েকটিতে উত্তরার টেকপাড়া ও আশপাশের এলাকার দৃশ্য দেখানো হলেও সেটিকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। শুধু ভৌগোলিক পরিচয় বদলেই সীমাবদ্ধ থাকেননি কেউ কেউ; স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা, বসতবাড়ি ও পরিবেশকে ভারতের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা হিসেবে উপস্থাপন করতেও দেখা গেছে।

এ ধরনের সম্প্রচার নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, কেন বাংলাদেশের একটি এলাকার দৃশ্যকে বারবার ভারতের পরিচয়ে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি কেবল দর্শক বিভ্রান্তির নয়, বরং একটি দেশের সামাজিক বাস্তবতাকে অন্য দেশের খাতায় তুলে ধরার প্রচেষ্টাও কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে বিভিন্ন মহলে। এতে করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়টি শুধূ নয় সেই সাথে ভারতকেও হেয় করা হচ্ছে।

 

সমালোচনার মুখে &lsquo;দারিদ্র্যকে পণ্য বানানো&rsquo; : 

পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি কোনো সম্প্রচারে একটি দেশের বাস্তবতা বিকৃত করে অন্য দেশের পরিচয়ে উপস্থাপন করা হয় কিংবা দরিদ্র মানুষের জীবনকে কনটেন্ট তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, বাসস্থান ও সামাজিক বাস্তবতাকে অনুমতি ছাড়াই ক্যামেরাবন্দী করে সেটিকে বিনোদন কিংবা বাণিজ্যিক উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা গোপনীয়তা ও মর্যাদার অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগও মূলত এখানেই। স্থানীয়দের ভাষায়, তাঁরা কোনো প্রদর্শনীর বস্তু নন; অথচ দিনের পর দিন তাদের জীবনযাপনকে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

এদিকে কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, ভিডিও ধারণের সময় কিছু বিদেশি নাগরিক ঘরের আঙিনা, আবাসিক ভবনের প্রবেশপথ এমনকি ব্যক্তিগত ব্যবহারের স্থানেও ঢুকে পড়েন। এতে পরিবারগুলো অস্বস্তিতে পড়ে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয় হলো, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম চললেও এর উদ্দেশ্য, পরিধি কিংবা বৈধতা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য স্থানীয়দের কাছে নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও বিষয়টি সম্পর্কে সীমিত তথ্য জানেন বলে জানিয়েছেন। ভাষাগত বাধা এবং কার্যক্রমের প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাবের কারণে বিষয়টি নিয়ে কার্যকর অনুসন্ধানও দৃশ্যমান নয়।

ফলে উত্তরার অনেক বাসিন্দার প্রশ্ন একটাই, দিনের পর দিন তাদের জীবনকে কেন্দ্র করে এই ধরনের রহস্যজনক লাইভ সম্প্রচার আসলে কেন? কারা দেখছে এসব ভিডিও? এবং বাংলাদেশের একটি এলাকার বাস্তব চিত্র যদি অন্য পরিচয়ে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হয়, তবে এর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্যই বা কী? উত্তরহীন এই প্রশ্নগুলোই এখন উত্তরার অলিগলিতে সবচেয়ে বেশি ঘুরে বেড়াচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:04:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাদমানের মারাত্মক চোট, হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত জোড়া আঘাত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119727" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119727</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনটিতে টাইগার শিবিরের জন্য মিশে আছে স্বস্তি আর গভীর উদ্বেগের এক অদ্ভুত অনুভূতি। একদিকে হাসান মাহমুদের আগুনে বোলিংয়ের সুবাদে উইন্ডিজ শিবিরের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামানোর ইঙ্গিত মিলেছে, অন্যদিকে ফিল্ডিং করতে গিয়ে মাঠে বাঁ পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলের নির্ভরযোগ্য ওপেনার সাদমান ইসলামকে। টেস্টের এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এই ইনজুরি নিঃসন্দেহে স্বাগতিক শিবিরকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

সকালে উইন্ডিজের রক্ষণে হাসানের জোড়া আঘাত : 

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে শুরু থেকেই দারুণ আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আগের দিন আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা নির্ধারিত সময়ের আগেই ইতি টানতে হলেও আজ ঠিক সময়েই শুরু হয় ব্যাট-বলের লড়াই। দিনের শুরুতেই টাইগার পেসার হাসান মাহমুদ নিজের গতি ও সুইংয়ের জাদু দেখিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ম্যাচের ৭৮তম ওভারে বল করতে এসে টানা দুই বলে দুই উইকেট শিকার করে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনেন।

প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান আমির জাঙ্গুকে এবং ঠিক পরের বলেই অভিজ্ঞ রস্টন চেজকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান এই তরুণ পেসার। এখানেই শেষ নয়, এর পরের বলে এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন করে হ্যাটট্রিকের তীব্র সম্ভাবনাও জাগিয়ে তুলেছিলেন হাসান। যদিও শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার বিশপ রিভিউ নিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে যান, তবে হাসানের এই দারুণ জোড়া সাফল্য দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮ উইকেটে ৩০৩ রান।

মাঠেই ছটফট, সাদমানের মর্মান্তিক বিদায় : 

সকালের সেশনে বল হাতে সাফল্য এলেও টাইগারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ওপেনার সাদমান ইসলামের চোট। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৭৮তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ সাইডে ফ্লিক করেছিলেন ব্যাটার আমির জাঙ্গু। বাউন্ডারির দিকে বিদ্যুৎগতিতে ছুটে গিয়ে নিচু হয়ে বলটি থামানোর চেষ্টা করেন সাদমান। ঠিক সেই মুহূর্তে তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মাটির সাথে অস্বাভাবিকভাবে আটকে যায়।

সঙ্গে সঙ্গে তীব্র যন্ত্রণায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার এবং যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন দলের ফিজিও। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সেই আঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, স্বাভাবিকভাবে মাঠ ছাড়ারও উপায় ছিল না। শেষ পর্যন্ত সহকর্মীদের সহায়তায় স্ট্রেচারে শুইয়ে অত্যন্ত বেদনাবিধুর অবস্থায় তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

টেস্টের বাকি পথ পাড়ি দেওয়া কতদূর কঠিন : 

সিলেট টেস্টের এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে হাসান মাহমুদের বোলিং নৈপুণ্য দলকে দারুণ জায়গায় নিয়ে এলেও, সাদমানের ইনজুরি দলের ব্যাটিং গভীরতাকে কিছুটা হলেও নড়বড়ে করে দিয়েছে। ওপেনিং ব্যাটারের এমন আকস্মিক ছিটকে যাওয়া এবং দলের সামগ্রিক পরিস্থিতি সামাল দিয়ে টাইগাররা শেষ পর্যন্ত ম্যাচে কতটা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 05:31:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে একাধিক নিম্নচাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/environment/119726" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/environment/119726</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শীতের আমেজ বাড়লেও সাগরে সক্রিয় আবহাওয়া, উপকূলে নজর রাখতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

 

বঙ্গোপসাগরে আবারও বাড়ছে আবহাওয়ার অস্থিরতা। নভেম্বরজুড়ে সাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। এর মধ্যে অন্তত একটি বা দুটি সিস্টেম শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে দেশে শীতের আমেজ ধীরে ধীরে বাড়লেও বৃষ্টির পরিমাণ থাকতে পারে স্বাভাবিকের তুলনায় কম।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের সর্বশেষ দীর্ঘমেয়াদি মূল্যায়নে ইঙ্গিত মিলেছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরের পরিবেশ কয়েক দফায় লঘুচাপ সৃষ্টির অনুকূলে থাকতে পারে। সাগরে সম্ভাব্য দুই থেকে তিনটি আবহাওয়াজনিত নিম্নচাপের মধ্যে একাধিকটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আকার ধারণ করতে পারে। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপরও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়। সেখানে জানানো হয়, চলতি মাসে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর দেশের অধিকাংশ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বর অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমবে। তবে মাসজুড়ে তাপমাত্রা গড় হিসেবে মৌসুমি স্বাভাবিক মানের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। ফলে ভোরে শীতের অনুভূতি বাড়লেও দিনের বেলায় অনেক এলাকায় উষ্ণ আবহাওয়া টিকে থাকতে পারে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার বিস্তারও শুরু হতে পারে। বিশেষ করে নদী অববাহিকা ও নিচু এলাকায় গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সড়ক ও নৌপথে চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হতে পারে।

বৃষ্টিপাতের দিক থেকে নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। বরিশালেও তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকার আভাস দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগেও সীমিত পরিসরে বৃষ্টিপাত হতে পারে, তবে তা স্বাভাবিক গড়ের নিচেই থাকার সম্ভাবনা বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পরও বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়াগত সক্রিয়তা পুরোপুরি শেষ হয়নি। বরং বছরের এই সময়ে সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড় অনেক সময় দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তাই উপকূলসংলগ্ন এলাকা ছাড়াও দেশের সামগ্রিক আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মাসেও বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল, যার একটি পরবর্তীতে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ভারতের উপকূলে আঘাত হানে। একই সময়ে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়াবিদদের মতে, সেই প্রবণতার ধারাবাহিকতা নভেম্বরেও কিছুটা বজায় থাকতে পারে।

 

সান নিউজ / রাজীব

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 05:11:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মার্কিন বাজারে বড় ধাক্কা খেলো চীন ও ভারত! বিপাকে বাংলাদেশও!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119725" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119725</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিশ্ববাজার থেকে দেশটির পোশাক আমদানি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর বড় ঢেউ এসে লেগেছে বাংলাদেশের গায়েও। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, চীনের মতো শক্তিশালী অর্থনৈতিক জায়ান্ট এবং ভারতের মতো প্রতিযোগীরাও এই বাজারে চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাকের বাজারে এই আকস্মিক মন্দা এবং বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে এক উদ্বেগজনক চিত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক আমদানির করুণ চিত্র : 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর&mdash;এই নয় মাসে মার্কিন মুলুকে পোশাক আমদানির সামগ্রিক চিত্রে বড় ধস নেমেছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মোট ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ কম। টাকার অঙ্কে বা আমদানির পরিমাণের দিক থেকেও এই পতনের হার বেশ বড়&mdash;প্রায় ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। তবে অবাক করা বিষয় হলো, পণ্যের সামগ্রিক পরিমাণ কমলেও খুচরা পর্যায়ে বা গড় ইউনিট মূল্য সামান্য বেড়েছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি চিত্র : কমলো আয় ও পণ্যের দাম : 

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই নয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে মোট ৬১৪ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণ কমেছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম সামান্য বাড়লেও বাংলাদেশের রপ্তানি হওয়া পণ্যের গড় ইউনিট মূল্য উল্টো দশমিক ৯৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সামগ্রিক আমদানির তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি কিছুটা কম হারে কমলেও বাজারের শেয়ার ধরে রাখা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। একসময় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ১০ দশমিক ৯৯ শতাংশ থাকলেও তা সামান্য কমে ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

মাসের ব্যবধানে রপ্তানির অস্থিরতা : 

রপ্তানির এই চিত্র বেশ গোলমেলে। মাসভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে দেখা গেছে বড় ধরনের রোলারকোস্টার রাইড। গেল সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশ থেকে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম পোশাক আমদানি করেছে। অথচ এর ঠিক আগের মাসেই অর্থাৎ আগস্টে রপ্তানিতে অভাবনীয় ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ পবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানির এই মারাত্মত ওঠানামা ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

চীন ও ভারতের ভরাডুবি, হাসি ফুটছে ভিয়েতনামের মুখে : 

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঠে সবচেয়ে বড় মার খেয়েছে দুই পরাশক্তি&mdash;চীন ও ভারত। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে চীন থেকে মার্কিনদের পোশাক আমদানি হু হু করে কমেছে ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। অন্যদিকে, ভারতের অবস্থা আরও শোচনীয়; তাদের রপ্তানি পতন ঘটেছে প্রায় ২৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। পাকিস্তান থেকেও আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে অন্য কিছু উদীয়মান অর্থনীতির দেশে। এই মন্দার বাজারেও নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে ভিয়েতনাম। মার্কিন বাজারে ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ। এছাড়া কম্বোডিয়া ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ২ দশমিক ৮১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে মার্কিন ক্রেতাদের নজর কেড়েছে। চীন ও ভারতের এই বিশাল দরপতনের সুযোগগুলো মূলত লুফে নিচ্ছে এই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো।

সামনে কী অপেক্ষা করছে : 

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহিউদ্দিন রুবেলের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর বাজার হারানোর ফলে বাংলাদেশের সামনে বড় ধরনের শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে কেবল সস্তায় পণ্য বিক্রির সেকেলে মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটময় মুহূর্তে টিকে থাকতে হলে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো, প্রিমিয়াম বা উচ্চমূল্যের পোশাকের উৎপাদন বৃদ্ধি, কারখানার উৎপাদনশীলতা উন্নত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেতার হাতে নিখুঁত পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এই কঠিন লড়াইয়ে টিকে থাকা বাংলাদেশের জন্য আরও দুরূহ হয়ে পড়বে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 04:56:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাটুরিয়ায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119724" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় গ্রাহকদের মাঝে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার সম্পর্কে সচেতনতা ও স্পষ্ট ধারণা দিতে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামের প্রধান অতিথিতে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাটুরিয়া জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ওয়ালিউর রহমান।

​এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন সাটুরিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মুক্তি, সাটুরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফয়জী এবং সাংবাদিক সমিতি সাটুরিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন প্রমুখ।

​সভায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের কার্যক্রম, সঠিক ব্যবহারবিধি এবং এর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

​সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 06 Nov 2026 04:55:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৪০০ মিলিয়নের চুক্তি ও আঞ্চলিক সামরিক জোটে যোগদানের পথে সিরিয়া!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119723" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119723</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে 

 


	
		
			
			খাতের বিবরণ
			
			
			অর্থনৈতিক বরাদ্দ ও সহযোগিতা
			
		
	
	
		
			
			স্বাস্থ্যসেবা পুনর্গঠন
			
			
			১০০ মিলিয়ন ডলার (ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্র ও সরঞ্জাম সরবরাহ)
			
		
		
			
			বেসামরিক প্রতিরক্ষা
			
			
			১০৫ মিলিয়ন ডলার (সক্ষমতা জোরদারকরণ)
			
		
		
			
			আলেপ্পো তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র
			
			
			৯০ মিলিয়ন ডলার (জ্বালানি সংকট নিরসন ও পুনর্বাসন)
			
		
		
			
			আবাসন খাতের সংস্কার
			
			
			৬০ মিলিয়ন ডলার
			
		
		
			
			সুপেয় পানির সরবরাহ
			
			
			৩০ মিলিয়ন ডলার (দামেস্ক ও ইদলিবে উন্নয়ন)
			
		
	


 

এক নজরে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন:


	
	প্রতিরক্ষা চুক্তি: রিয়াদ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে একটি পৃথক ও অত্যন্ত গোপনীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
	
	
	মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট: সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত আঞ্চলিক জোটে (যেখানে এক দেশের ওপর হামলা মানে সবার ওপর হামলা) সিরিয়ার যোগ দেওয়ার বিষয়টি বর্তমানে জোরালোভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
	
	
	আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনীতি: লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল নিরাপদ রাখা, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
	
	
	অর্থনৈতিক সমঝোতা: নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি শিল্প সহযোগিতা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়েও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
	


 

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এক নাটকীয় ও যুগান্তকারী মোড় নিয়েছে। গতকাল বুধবার রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার ঐতিহাসিক উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এক বিশাল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি ও চারশ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থের বহুমুখী অর্থায়ন প্যাকেজ।

দশকের পর দশক ধরে চলা সংঘাত ও রক্তক্ষয়ের ক্ষত কাটিয়ে সিরিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণ সম্পূর্ণ পাল্টে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশাল কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

৪০৩ মিলিয়নের আর্থিক সহায়তা ও বহুমুখী পুনর্গঠন প্রকল্প :

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে প্রকাশ, সৌদি উন্নয়ন তহবিলের উদার অর্থায়নে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার বিভিন্ন খাতের আমূল পুনর্গঠন করা হবে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাখাতের ভেঙে পড়া কাঠামো ঠিক করতে এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১০০ মিলিয়ন ডলার।

এছাড়া গৃহহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আবাসন সংস্কারে ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং দেশের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে বহুগুণ জোরদার করতে ১০৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল ছাড় করা হয়েছে।

দেশের জ্বালানি সংকট কাটাতে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলেপ্পোর তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পুনর্বাসনে রাখা হয়েছে ৯০ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি দামেস্ক ও ইদলিবে লাখ লাখ মানুষের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বরাদ্দ করা হয়েছে আরও ৩০ মিলিয়ন ডলার।

এই বিশাল অংকের আর্থিক সহায়তার বাইরেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিধি বাড়াতে জরুরি সেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি আর্থিক পরিষেবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তরের মতো আধুনিক প্রকল্পগুলোও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গোপন প্রতিরক্ষা চুক্তি ও নতুন আঞ্চলিক জোটে সিরিয়ার সম্ভাব্য যোগদান : 

এই সফরের সবচেয়ে বড় এবং চাঞ্চল্যকর অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গোপন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি। সিরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুরহাফ আবু কাসরা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট আল-শারা, সৌদি যুবরাজ এবং দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের ত্রিমুখী উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেই এই সামরিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয়।

যদিও চুক্তির সুনির্দিষ্ট ধারা বা শর্তাবলি নিয়ে উভয় পক্ষই চরম গোপনীয়তা বজায় রেখেছে এবং বিস্তারিত প্রকাশ থেকে বিরত রয়েছে, তবুও সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে তাদের বর্তমান কূটনীতির সবচেয়ে বড় মাইলফলক হিসেবে ঘোষণা করেছে।

শুধু দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতেই সীমাবদ্ধ নয় দামেস্কের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশ, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত শক্তিশালী আঞ্চলিক সামরিক জোট&mdash;যা গত ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত &lsquo;মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি&rsquo; নামে পরিচিত&mdash;তাতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে সিরিয়া। ওই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, জোটভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ মানেই তিন দেশের সকলের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

জোটে সামরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ সামরিক মহড়ার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি বাহরাইনে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ মানামা ডায়ালগ নিরাপত্তা সম্মেলনে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, মক্কা জোটে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের মূল্যায়ন ও আলোচনা চলছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি ও ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির মুখে থাকা মিত্র দেশগুলোর প্রতি দামেস্কের এই স্পষ্ট সমর্থন মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে এক বিশাল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমন ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব : 

বৈঠকের টেবিলে কেবল সামরিক বা অর্থনৈতিক সহায়তা নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়েও গভীর আলোচনা করেছেন দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। লোহিত সাগর, বাব আল-মানদেব ও হরমুজ প্রণালীর মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল জলপথে আন্তর্জাতিক নৌচলাচল, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার ডাক দিয়েছে রিয়াদ ও দামেস্ক।

নিরাপত্তা ও বিশাল অঙ্কের অর্থায়নের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে চিরস্থায়ী ভিত্তি দিতে শিল্প সহযোগিতা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং পরিবেশ সুরক্ষা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে প্রেসিডেন্ট আল-শারার এটি ছিল দ্বিতীয় রিয়াদ সফর।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর সৌদি যুবরাজের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিরিয়ার ধ্বংসস্তূপ থেকে পুনর্গঠনের মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যেখানে তিনি সৌদির প্রভাবশালী নেতাকে দামেস্ক সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন। এই নতুন অর্থনৈতিক ও সামরিক অংশীদারিত্ব মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে।


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 13:15:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা,আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে ৮ মামলা, গ্রেপ্তার ৩০]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119722" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119722</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও কারখানায় ছুটি ঘোষণার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কর্মপরিবেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অধিকাংশ পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন। ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসহ (ডিইপিজেড) বিভিন্ন কারখানায় শুরু হয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। তবে গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে আশুলিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিল্পাঞ্চলের ৭০টি কারখানায় বৃহস্পতিবারের জন্য সাময়িক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি, শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি। নয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও চলছে।

সকাল থেকেই সাভার, আশুলিয়ার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে দেখা যায়। কেউ কারখানার নিজস্ব পরিবহনে, আবার কেউ পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে আসেন। ডিইপিজেডসহ অধিকাংশ কারখানার সামনে শ্রমিকদের স্বাভাবিক উপস্থিতি ছিল। তবে নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর, জামগড়া, সরকার মার্কেট, জিরাবো ও কাঠগড়াসহ কয়েকটি এলাকার কারখানায় শ্রমিকেরা সকালে প্রবেশ করলেও পরে উৎপাদন কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে বেরিয়ে আসেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে আহত হয়ে পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার শ্রমিক মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি জিরাবো থেকে শুরু হয়ে ঘোষবাগ, নরসিংহপুর ও সরকার মার্কেট ঘুরে বেরন এলাকার এনভয় গার্মেন্টসের সামনে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামগড়া এলাকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে বাইরে বেরিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাঁরা আশপাশের কারখানার শ্রমিকদেরও কাজে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, তাঁদের আওতাধীন ১ হাজার ৮৬৩টি কারখানার মধ্যে ৭০টি বৃহস্পতিবার সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বাকি কারখানাগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎপাদন চলছে। তিনি বলেন, গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে জিরাবো এলাকায় দুই থেকে আড়াই হাজার শ্রমিক শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছেন। তবে জামগড়ায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিকদের ঘিরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকেরা কাজ করতে চান। তবে বহিরাগত দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্নভাবে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে সাভার ও আশুলিয়ায় এ পর্যন্ত আটটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভারের আল-মুসলিম গার্মেন্টস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাভার মডেল থানায় দুটি এবং আশুলিয়া থানায় ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এ সময় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শ্রমিকেরা বর্তমানে আন্দোলনে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, কিছু ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে। যারা শিল্পকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে, এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তারা একটি নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপ। এছাড়া গত কয়েক দিনের আন্দোলনে উস্কানির অভিযোগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা কেউই শ্রমিক নয়। তারা বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এসেছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 13:07:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রায়পুরা সরকারি কলেজে এমপি বকুলকে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119721" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119721</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদীর রায়পুরা সরকারি কলেজের উদ্যোগে কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী, ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সংবর্ধনা এবং ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আজ সকালে রায়পুরা সরকারি কলেজ মাঠে কলেজের অধ্যক্ষ সন্ধ্যারানী পালের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক ফেরদৌস আরেফা চন্দনার সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে মূল আয়োজনের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলের আগমন উপলক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান করায় পুরো আয়োজন জুড়ে শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করে। রায়পুরা সরকারি কলেজের এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক আবেগঘন সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি নিজের কলেজজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, রায়পুরা সরকারি কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার জীবনের আবেগ, স্মৃতি ও পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে আজকের অবস্থানে আসতে পেরে আমি গর্বিত। শিক্ষাজীবনের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়।

তিনি বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের প্রধান হাতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে শিক্ষার মানোন্নয়ন,আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, নিজেদের সৎ, যোগ্য, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, মেধা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমকে জীবনের মূল শক্তি হিসেবে ধারণ করতে হবে।

কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রায়পুরা সরকারি কলেজকে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন রায়পুরা সরকারী কলেজ এর অধ্যক্ষ সন্ধ্যারানী পাল । আরোও বক্তব্য রাখেন রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা, এ কলেজ এর প্রফেসর আব্দুল হামিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুর রহমান, জেলা বিএনপির উপদেষ্টার হযরত আলী ভুইয়া, জেলা বিএনপির সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও রায়পুরা পৌরসভা সাবেক ২বারের মেয়র আলহাজ্ব আঃ কুদ্দুস মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, রায়পুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু ও সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি,

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাইশা পাওয়ারটেক বিডির রিজিওনাল ডিরেক্টর সাবেক মেধাবী ছাত্রদল নেতা শাখায়াত হোসেন ভুইয়া, জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভুইয়া মোহন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ আল মামুন,রায়পুরা পৌর বিএনপির সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল বাতেন, উপজেলা ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক আমজাদ হোসেন ভুইয়া আলতাফ, রায়পুরা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক জিএস আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার,রায়পুরা পৌর সভা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, উপজেলা মহিলা দল সভাপতি আফরিন আসাদ, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাষ্টার,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ন ভুইয়া, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আলকাছ উদ্দিন ভুইয়া,জেলা ছাত্রদল সহসভাপতি সৈকত আহমেদ সুমন, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সিরিজ আল মুজাহিদ, রায়পুরা সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারী আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সেক্রেটারী শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা: শহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মো: বাদল মিয়া, রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তার, পৌরসভা শ্রমিক দলের সভাপতি হাবিবুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ছাত্রদল নেতা শামসুর রহমান জয় সহ সকল সহযোগী অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 13:05:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানকে হারিয়ে সাফ মিশন শুরু ভারতের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119720" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119720</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারত বনাম পাকিস্তান সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচের মূল তথ্যগুলো এক নজরে দেখে নিন:


	
		
			
			বিষয়
			
			
			বিবরণ
			
		
	
	
		
			
			ম্যাচের ফল
			
			
			ভারত ৩ - ২ পাকিস্তান (রোমাঞ্চকর জয়ে সাফ মিশন শুরু ভারতের)
			
		
		
			
			ম্যাচের নায়ক
			
			
			সুহাইল আহমদ ভাট (২১ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ডের জোড়া গোল)
			
		
		
			
			ভারতের গোলসমূহ
			
			
			&bull; ১৩ মিনিট: সুহাইল আহমদ ভাট

			 

			&bull; ১৯ মিনিট: সুহাইল আহমদ ভাট

			 

			&bull; ৩১ মিনিট: কিপগেন
			
		
		
			
			পাকিস্তানের কামব্যাক
			
			
			অতিরিক্ত সময়ে নাজিব উল্লাহ (হেড) ও আলমগীর আলির ব্যাক-টু-ব্যাক দুই গোল (তবে জয় আটকাতে পারেনি)
			
		
		
			
			ম্যাচের বিশেষ মুহূর্ত
			
			
			মাঠে খেলোয়াড়দের সৌহার্দ্যপূর্ণ হ্যান্ডশেক ও পাকিস্তানের একটি পেনাল্টি মিসের হতাশা
			
		
	


 

 

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সবুজ গালিচায় বৈরিতা ভুলে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। ম্যাচের শুরুতে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করে মাঠের লড়াইয়ে নামলেও ৯০ মিনিটের রক্তগরম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হাসি ফুটেছে ভারতীয় শিবিরে। 

নিজেদের দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে মাঠে নেমেও প্রতিপক্ষকে রীতিমতো ঘাম ছুটিয়ে ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে ব্লু টাইগাররা। আর এই জয়ে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়ে দলের জয়ের নায়ক বনে গেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড সুহাইল আহমদ ভাট।

শুরু থেকেই ভারতীয় ঝড়ে দিশেহারা পাকিস্তান : 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের মহারণে শুরু থেকেই খাদের কিনারায় চলে যায় পাকিস্তানি রক্ষণভাগ। নয়বারের সাফ চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। ম্যাচের বয়স যখন মাত্র ১৩ মিনিট, তখনই গোলের বরফ ভাঙে ভারত। সতীর্থের বাড়ানো নিখুঁত আড়াআড়ি ক্রস থেকে চমৎকার শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে আনন্দে ভাসান সুহাইল। অবশ্য তার ঠিক এক মিনিট আগেই জালে বল পাঠিয়েছিলেন এই তরুণ, কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই যাত্রায় রক্ষা পায় পাকিস্তান। তবে বেশিক্ষণ ঠেকিয়ে রাখা যায়নি তাকে। 



১৯তম মিনিটে অভিষেক ধনঞ্জয়ার একটি নিখুঁত থ্রু পাস অফসাইডের ফন্দি ভেদ করে দারুণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পাকিস্তান গোলরক্ষক ইউসুফকে বোকা বানিয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়া পাকিস্তানি রক্ষণভাগ এরপর ৩১ মিনিটে ফের বড় ধাক্কা খায়। কিপগেনের জোরালো শট আটকাতে গোলপোস্ট ছেড়ে অনেকটা সামনে এগিয়ে এসেছিলেন গোলরক্ষক ইউসুফ, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি&mdash;তৃতীয় গোল হজম করে ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকে পড়ে পাকিস্তান। 

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান কমানোর মোক্ষম সুযোগ পেয়েছিল তারা, কিন্তু পেনাল্টি স্পট থেকে শায়েক দোস্তের দুর্বল শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে গেলে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে।

শেষ মুহূর্তের কামব্যাক ও পাকিস্তানের আক্ষেপ : 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তানি শিবির। রক্ষণ সামলে আক্রমণে ওঠার বহু চেষ্টা চালালেও ভারতীয়দের আঁটসাঁট ডিফেন্স ভেদ করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। পুরো ম্যাচ জুড়ে ভারতের আধিপত্য থাকলেও শেষ বাঁশির ঠিক আগমুহূর্তে দারুণ কিছু রোমাঞ্চ উপহার দেয় পাকিস্তান। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়ার উপক্রম হয়। 

ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে আলি রেজার নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান কমান নাজিব উল্লাহ। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই বক্সের ভেতর থেকে আলমগীর আলি আরও একটি চমৎকার গোল করে বসেন। হারের ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনার এই দুর্দান্ত লড়াই শেষ মুহূর্তে ভারতীয় শিবিরে কিছুটা হলেও কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছিল। 

তবে অতিরিক্ত সময়ের সেই ঝোড়ো আক্রমণ আর ঘুরে দাঁড়ানোর আকুতি শেষ পর্যন্ত শুধু পাকিস্তানের আক্ষেপই বাড়িয়েছে। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ভারত।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:46:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজশাহীতে শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119719" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119719</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেছেন, সরকারি চাকরি শুধু জীবিকা নির্বাহের পেশা নয়, দেশ ও মানুষের সেবা করার বড় সুযোগ। সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের সরিৎ দও গুপ্ত সভাকক্ষে রাজশাহী বিভাগে নবযোগদান করা ৪৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা

বলেন।

মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মেধা, যোগ্যতা, নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে। নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। সভা সঞ্চালনা করেন সিটি করপোরেশনের সচিব সোহেল রানা।

এ সময় সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার প্রীতিলতা বর্মনসহ ৪৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:46:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে সার সংকট নেই, মজুত গত বছরের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি: কৃষিমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119718" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119718</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে সারের কোনো সংকট নেই, ভবিষ্যতেও সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, বর্তমানে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সরকারের কাছে ৩৫ শতাংশ বেশি সার মজুত রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার সার, বীজ, সেচ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালানো হয়। কারণ, পার্শ্ববর্তী দেশে এসব সারের দাম তুলনামূলক বেশি। মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইউরিয়া এবং ভারত সীমান্ত দিয়ে ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি সার পাচারের প্রবণতা রয়েছে। এ কারণে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সার পাচার রোধে প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

সার ডিলারদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরাদ্দ করা সার উত্তোলন না করলে সংশ্লিষ্ট ডিলারকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কোনো ডিলার দুর্নীতিতে জড়িত হলে কিংবা সরকারি শর্ত ভঙ্গ করে অন্য কারও কাছে লাইসেন্স ভাড়া বা হস্তান্তর করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে ডিলারদের প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে সারের দোকান খুলতে হবে। বিকেল ৫টা থেকে ৬টার আগে দোকান বন্ধ করা যাবে না।

কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরিমিত ও সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারে সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি মৎস্য চাষে সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মৎস্য কর্মকর্তাদের মৎস্যজীবীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব। কৃষক স্বাবলম্বী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

এ ছাড়া কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আট জেলার সার ডিলার সমিতির নেতারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিভাগের সাত জেলার জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত হন। প্রত্যেক জেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা নিজ নিজ জেলার সার সরবরাহ পরিস্থিতি ও তদারকির বিষয়ে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় সার ডিলার সমিতির প্রতিনিধিরাও সার সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:36:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল হাইয়ের জন্য মিলাদ ও দোয়া মাহফিল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119717" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119717</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক উপমন্ত্রী, পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের উত্তর কাজী কসবা স্কুল মাঠে রামপাল ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের সার্বিক আয়োজন করেন রামপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মিল্লাত হোসেন দেওয়ান।

রামপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শওকত হোসেন এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতোয়ার হোসেন বাবুল, সাবেক সদস্য কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব, সাবেক সদস্য শাহাদত হোসেন সরকার, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফকির, শহর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ভিপি মো. শাহীন মিয়া, রামপাল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আবু বক্কর মাদবর, সাবেক ছাত্রনেতা মো. ইকবাল হোসেন স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে মরহুম আলহাজ্ব আবদুল হাইয়ের রাজনৈতিক জীবন, দলীয় কর্মকাণ্ড এবং মুন্সীগঞ্জের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা স্মরণ করা হয়।

উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলেন, আলহাজ্ব আবদুল হাই মুন্সীগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং সরকারের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও পরিচিতি অর্জন করেন। তাঁর মৃত্যুতে মুন্সীগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে।

উল্লেখ্য, বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব আবদুল হাই গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবারের, এ আয়োজনে এছাড়াও সাবেক তথ্য মন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভালুকার মল্লিকবাড়িতে মাটির তৈরি নান্দনিক পণ্যের সমাহার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119716" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119716</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। ঘর সাজানোর উপকরণেও যুক্ত হচ্ছে নানা ধরনের আধুনিক সামগ্রী। তবে এসবের ভিড়েও মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী জিনিসপত্রের আবেদন যেন একটুও কমেনি। বরং নান্দনিক নকশা ও নিপুণ কারুকাজে তৈরি মাটির পণ্য এখনো আকৃষ্ট করছে সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষকে।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়িতে রয়েছে মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্যের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। এখানকার দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি নানা ধরনের শোপিস, ফুলদানি, পুতুল, ঘর সাজানোর সামগ্রীসহ দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন তৈজসপত্র। বাহারি নকশা, বৈচিত্র্যময় আকৃতি ও দৃষ্টিনন্দন কারুকাজে তৈরি এসব পণ্য সহজেই নজর কাড়ে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের।

স্থানীয়ভাবে প্রায় চার দশকের ঐতিহ্য বহন করছে এই মৃৎশিল্প। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটিকে বিভিন্ন আকর্ষণীয় রূপ দিচ্ছেন কারুশিল্পীরা। সাধারণ মাটি থেকে তৈরি হচ্ছে নান্দনিক সব শিল্পকর্ম। এসব পণ্যের মধ্যে যেমন রয়েছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতিফলন, তেমনি রয়েছে আধুনিক রুচি ও ঘর সাজানোর উপযোগী নান্দনিকতার সমন্বয়।

মল্লিকবাড়ির এসব দোকানে পাওয়া যায় ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির মাটির সামগ্রী। ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে শোপিস, টেবিল সাজানোর উপকরণ কিংবা উপহার দেওয়ার জন্যও রয়েছে নানা ধরনের পণ্য। মাটির স্বাভাবিক রং ও কারুকাজের কারণে এসব সামগ্রীতে ফুটে ওঠে এক ধরনের স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।

শহুরে জীবনের যান্ত্রিক ব্যস্ততা থেকে একটু সময় বের করে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকশিল্পের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে মল্লিকবাড়ির এই মৃৎশিল্পের দোকানগুলো হতে পারে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য। বিশেষ করে যারা দেশীয় সংস্কৃতি, মাটির তৈরি পণ্য এবং ব্যতিক্রমী ঘর সাজানোর সামগ্রী পছন্দ করেন, তাদের জন্য জায়গাটি হতে পারে ঘুরে দেখার মতো।

মাটির তৈরি এসব পণ্য শুধু ঘর সাজানোর উপকরণ নয়, এগুলো আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকশিল্পেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আধুনিক পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় মৃৎশিল্পের ব্যবহার ও কদর বাড়লে এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার পথ আরও সুগম হবে।

ঐতিহ্য আর নান্দনিকতার মেলবন্ধনে ভালুকার মল্লিকবাড়ির মৃৎশিল্প তাই স্থানীয় সৌন্দর্যের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের কাছেও হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণের এক বিশেষ কেন্দ্র।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:27:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পঞ্চগড়ে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119715" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. কামরুল ইসলাম (৪২) ও মো. রফিক (৪০) নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান মো. মালিউল ইসলাম মিঠু (৩৮) নামের আরও এক অভিযুক্ত।

​বুধবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের হাড়িপুকুরী গ্রামের একটি বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন&mdash;হাড়িপুকুরী গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীনের ছেলে মো. কামরুল ইসলাম এবং বামনহাট গ্রামের বেলাল উদ্দিন মেম্বারের ছেলে মো. রফিক।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খুরশীদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাড়িপুকুরী গ্রামের ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে কামরুল ইসলাম ও রফিককে আটক করা হয়। এ সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মালিউল ইসলাম মিঠু পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

​পরে আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে কামরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫০ পিস এবং রফিকের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পলাতক মিঠুর ঘরের মেঝে তল্লাশি করে আরও ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

​অভিযানকালে রফিকের ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার মোটরসাইকেল এবং পলাতক মিঠুর ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন টিভিএস মোটরসাইকেল ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অস্ত্র রেখে চেষ্টায়; গ্রেপ্তার-১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119714" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119714</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তাঁর বাসায় রিভলবার রেখে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অস্ত্র আইন ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

থানা পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশ বড়কাঁপন আবাসিক এলাকার শফিকুল ইসলাম লিটনের ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদদাতার সহযোগী পরিচয়ে একই গ্রামের তুহিন আহমদ (৪৭), ফাহিম আহমদ (২২) ও বাবুল মিয়া (২৬) পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় যান। বাসা তল্লাশির সময় তাঁদের অতি উৎসাহী ভূমিকা এবং পরবর্তীতে অস্ত্র বের করে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের চোখে সন্দেহ হলে অস্ত্র উপস্থাপনকারী তুহিন আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা অপর দু&#39;জন পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে পুলিশ বাসার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম লিটনকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, গত ৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার সময় পূর্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের (মাসুদ কমিশনার) নেতৃত্বে তুহিন, ফাহিম, বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন মাদক সেবনের অজুহাতে তাঁকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মাসুদ আহমদের বাসার একটি অন্ধকার কক্ষে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাতে একটি রিভলবার দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে মাসুদ আহমদের নির্দেশে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন আহত লিটনকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাঁর বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাঁকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে চারটি গুলিসহ একটি রিভলবার বাসার সোফার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় তুহিন আহমদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং অপহরণের অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নম্বর ৫(১১)২০২৬ ও ৬(১১)২০২৬। আটককৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে তিনদির পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119713" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119713</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা তিন দিনের শ্রমিক বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবি সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে ফতুল্লার কাঠেরপুল, রামারবাগ, শিবু মার্কেট ও নয়ামাটি এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা গেছে। এসব এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের প্রতিদিনের মতো কাজে যোগ দিতে দেখা যায়।

তবে এর আগে সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে আন্দোলনে অংশ নেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট ও নয়ামাটি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিবু মার্কেট থেকে বিভিন্ন সড়কে বিজিবি সদস্যদের টহল দিতেও দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ট্রাস্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এফ এম আবু সাঈদ বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শ্রমিক ভাইয়েরা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়ে কাজ করছেন। তবে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, &lsquo;কিছু দেশি-বিদেশি চক্রের কারণে মজুরি বোর্ডের একটি সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরও তাদের উসকানিতে শ্রমিকেরা আন্দোলন করছেন।&rsquo;

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। কোনো শ্রমিক যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

ফতুল্লার পাশাপাশি নগরীর প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়াতেও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখানে পুলিশের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীদেরও সড়কে দেখা গেছে। চাষাঢ়া শহীদ মিনারে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অতিরিক্ত ডিআইজি।

চাষাঢ়ায় পুলিশের সাঁজোয়া যান (এপিসি), জলকামান, বিজিবির দুটি গাড়ি এবং শিল্প পুলিশের দুটি ভ্যান মোতায়েন রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খিরার আবাদে দুই লাখ টাকা লাভের আশা কৃষক নেকবারের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119712" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119712</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বল্প বিনিয়োগে অধিক মুনাফার প্রত্যাশা নিয়ে সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনা খুঁজছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষক নেকবার সর্দার। উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের এই কৃষক নিজস্ব ৪৭ শতাংশ জমিতে দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন। গাছে গাছে খিরার সমারোহ দেখে ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বাজারে প্রত্যাশিত দাম পাওয়া গেলে যাবতীয় ব্যয় বাদ দিয়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা মুনাফা অর্জনের স্বপ্ন দেখছেন এই কৃষক।

কৃষক নেকবার সর্দার জানান, জমি তৈরি, সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে এখন পর্যন্ত তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। সীমিত পুঁজিতে তুলনামূলক বেশি আয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে দেশি জাতের খিরা আবাদ করেছেন তিনি। এখন পরিচর্যার পাশাপাশি ফলন ধরে রাখা এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, সবজি চাষে সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা অনিশ্চয়তাও।আবহাওয়ার বিরূপতা, পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের পাশাপাশি বাজারদরের অস্থিরতা কৃষকের মুনাফায় প্রভাব ফেলে। অনেক সময় ভালো ফলন উৎপাদনের পরও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের সুষ্ঠু বিপণন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।

গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৌসুমি সবজি চাষ ক্রমেই কৃষকদের বাড়তি আয়ের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। অল্প জমিতে স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে অধিক মুনাফার আশায় অনেকেই ঝুঁকছেন এ ধরনের আবাদে। নেকবার সর্দারের খিরা চাষও সেই সম্ভাবনারই একটি দৃষ্টান্ত। তবে তাঁর প্রত্যাশিত মুনাফা কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নির্ভর করছে উৎপাদিত খিরার পরিমাণ, আবহাওয়ার অনুকূলতা এবং বাজারমূল্যের ওপর।

এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা ও সরিষার আবাদ করছেন কৃষকেরা। মাঠপর্যায়ে গ্রীন বয়, সরিষা গোল্ড, আইস গ্রীন, ময়না মতি, সুফলা-১, আরিশা গ্রীন কিংসহ বিভিন্ন জাতের খিরা ও সরিষা চাষ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি &lsquo;সান নিউজ&rsquo;কে জানান, গত বছর উপজেলায় সরিষা ও খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ হেক্টর জমি। তবে বিভিন্ন কারণে চলতি মৌসুমে ১২৫ হেক্টর জমিতে এ আবাদ অর্জিত হয়েছে।

নেকবার সর্দারের প্রত্যাশা, মাঠের ফসল ঘরে তোলার পর যেন পরিশ্রমের যথাযথ প্রতিদান মেলে। খিরার ফলন ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে এই আবাদ শুধু তাঁর সংসারে আর্থিক স্বস্তিই আনবে না, বরং আগামীতে আরও বড় পরিসরে সবজি চাষে বিনিয়োগের পথও সুগম করবে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:28:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিকআপের বডিতে লুকানো ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119711" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119711</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর সেনবাগে পিকআপের বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা ৬২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সৈয়দ নুর (৩৩) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পিকআপের চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান কামাল। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার সৈয়দ নুর কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ৫ নম্বর নিলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সিকদারপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মাদকের একটি বড় চালান নোয়াখালীর দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

এরই ধারাবাহিকতায় রাত সোয়া ১টার দিকে টেকনাফ থেকে আসা একটি পিকআপ থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পরে পিকআপের বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় পিকআপে থাকা সৈয়দ নুরকে গ্রেপ্তার করা হলেও চালক পালিয়ে যায়।

ওসি মো. শাহজাহান কামাল আরও বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সেনবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তার আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:27:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথম দিন শেষে জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ক্যারিবিয়ানরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119710" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119710</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

 

সিলেট টেস্টের এক ঝলক : 


	
		
			
			হাইলাইটসের বিষয়
			
			
			খেলার বিবরণ ও পরিসংখ্যান
			
		
	
	
		
			
			দিনের শেষ সংগ্রহ
			
			
			ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৩৫/৪ (৭০ ওভার শেষে, আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা সমাপ্ত)
			
		
		
			
			ব্যাটিং পারফরম্যান্স
			
			
			&bull; আমির জাঙ্গু: ১১১* রান (অপরাজিত, সেঞ্চুরিটি ছক্কা হাঁকিয়ে পূর্ণ)&lt;br&gt;&bull; জাস্টিন গ্রিভস: ২৬* রান (অপরাজিত)
			
		
		
			
			ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট
			
			
			শুরুতে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধসের মুখে পড়ার পর, জাঙ্গু ও উইকহামের ১২৭ রানের দুর্দান্ত জুটি
			
		
		
			
			বাংলাদেশের সফল বোলার
			
			
			&bull; হাসান মাহমুদ: ২ উইকেট&lt;br&gt;&bull; তাসকিন আহমেদ: ২ উইকেট
			
		
		
			
			বিশেষ ঘটনা ও বাধা
			
			
			দিনের শেষ সেশনে আলোকস্বল্পতার কারণে প্রায় ১ ঘণ্টা কম খেলা এবং চা বিরতির পর নাটকীয় ছক্কায় জাঙ্গুর সেঞ্চুরি পূর্ণ
			
		
	


 

 

 

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের শুরুতে টাইগার বোলারদের আগুনঝরা পেস আক্রমণে মাত্র ২৭ রানেই টুঁটি চেপে ধরেছিল স্বাগতিকরা। শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে মাত্র তিন উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছে ক্যারিবিয়ানরা।

আলো স্বল্পতার কারণে এদিন নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন আম্পায়াররা। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে ডাবল সেঞ্চুরির সুবাস ছড়ানো আমির জাঙ্গুর বীরত্বপূর্ণ সেঞ্চুরিতে এখন বড় সংগ্রহের সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে সফরকারী দল।

শুরুতেই ধস ও তাসকিন-হাসানের তাণ্ডব : 

টস জিতে উইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেজ প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও ম্যাচের শুরুটা মোটেও সুখকর হয়নি ক্যারিবীয়দের জন্য। বল হাতে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিলেন হাসান মাহমুদ। স্লিপে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন ওপেনার, কিন্তু দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে সেই ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি ফিল্ডার। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দুর্দান্ত এক গতি ও সুইংয়ে পরাস্ত করে ব্রেন্ডন কিংকে বোল্ড করেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

ঠিক পরের ওভারে আঘাত হানেন হাসান মাহমুদও; তার নিখুঁত স্কিড করা বলটি বুঝতে না পেরে সাজঘরে ফেরেন কেভম হজ। এরপর নবম ওভারে উইকেটকিপার ব্যাটার জশুয়া ডি সিলভাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার জোর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২৭ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ক্যারিবীয় শিবির তখন রীতিমতো কাঁপছিল।

জাঙ্গু ও উইকহামের ঐতিহাসিক প্রতিরোধে ঘুরে দাঁড়ানো : 

প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে উইকেটে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আমির জাঙ্গু ও কেভিন উইকহাম। বাংলাদেশি বোলারদের শত চেষ্টা আর আঁটসাঁট বোলিংকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই জুটি গড়ে তোলে ১২৭ রানের অবিস্মরণীয় এক প্রতিরোধ। প্রথম সেশনটা কোনো উইকেট না হারিয়েই পার করে দেয় সফরকারীরা।

লাঞ্চের পরেও তাদের এই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত কেভিন উইকহামকে (৬১ রান, ১৪৫ বল) বোল্ড করে এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। উইকহাম ফিরে গেলেও স্কোরবোর্ডের গতি কমতে দেননি ব্যাটাররা। চা বিরতির আগেই দলীয় সংগ্রহ ১৮০ রান পার করে ক্যারিবীয়রা।

নাটকীয় ছক্কায় জাঙ্গুর মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি ও আলোকস্বল্পতার ইতি : 

চা বিরতির পর উইকেটে নেমে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও স্মরণীয় এক ইনিংস উপহার দেন আমির জাঙ্গু। চরম চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং করে মাত্র ১৪৯ বলেই নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি।

আর এই তিন অঙ্কে পৌঁছানোর মুহূর্তটি ছিল দারুণ নাটকীয়&mdash;স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলকে এক্সট্রা কাভার দিয়ে সীমানার বাইরে আছড়ে ফেলে ছক্কার সাহায্যে সেঞ্চুরি উদ্&zwnj;যাপন করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

দিনের শেষ সেশনে খেলা হয়েছে মোটে ১৫ ওভার। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে একবার আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হয়। আধা ঘণ্টা বিরতির পর পুনরায় খেলা গড়ালেও মাত্র ৫ ওভার মাঠে গড়ায়। এর পরই আম্পায়াররা আলোর স্বল্পতার জন্য দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

শেষ সেশনে একটি উইকেটও হারাতে না দিয়ে আরও ৫৫ রান যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম দিন শেষে ১১১ রানের অনবদ্য ও লড়াকু ইনিংস খেলে অপরাজিত রয়েছেন আমির জাঙ্গু, আর তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়ে ২৬ রান নিয়ে ক্রিজে টিকে আছেন জাস্টিন গ্রিভস। বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দিনে দুটি করে উইকেট শিকার করে সফল বোলার হিসেবে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:23:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজার শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119709" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119709</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা অফিসের ভেতরেই প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। আর এ কাজটি করেন সহকারি শিক্ষক। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মক্ষেত্রের শিষ্টাচার চূর্ণ করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনেই এক প্রধান শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমানকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের নিজ অফিস কক্ষে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

আহত মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান উপজেলার দামিয়া আব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন মিঠারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের কক্ষে অবস্থান করছিলেন প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান। এমন সময় সহকারী শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি থাপ্পড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করেন। কক্ষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা দিয়ে হামলা থামানোর চেষ্টা করলেও তাকে নিবৃত্ত করা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে আহত প্রধান শিক্ষককে দেখতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হাসান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেন।

ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাশিদা আক্তার জানান, সরকারি দপ্তরে ঢুকে একজন শিক্ষকের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত জঘন্য, নিন্দনীয় ও পেশাগত শিষ্টাচারবহির্ভূত। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি অফিসের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যথাযথ বিধি অনুযায়ী কঠোর বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জোর সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক কক্ষে সংঘটিত এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় মৌলভীবাজারের সচেতন মহল ও স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:09:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজার শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119708" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119708</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা অফিসের ভেতরেই প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। আর এ কাজটি করেন সহকারি শিক্ষক। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মক্ষেত্রের শিষ্টাচার চূর্ণ করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনেই এক প্রধান শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমানকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের নিজ অফিস কক্ষে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

আহত মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান উপজেলার দামিয়া আব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন মিঠারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের কক্ষে অবস্থান করছিলেন প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান। এমন সময় সহকারী শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি থাপ্পড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করেন। কক্ষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা দিয়ে হামলা থামানোর চেষ্টা করলেও তাকে নিবৃত্ত করা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে আহত প্রধান শিক্ষককে দেখতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হাসান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেন।

ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাশিদা আক্তার জানান, সরকারি দপ্তরে ঢুকে একজন শিক্ষকের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত জঘন্য, নিন্দনীয় ও পেশাগত শিষ্টাচারবহির্ভূত। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি অফিসের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যথাযথ বিধি অনুযায়ী কঠোর বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জোর সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক কক্ষে সংঘটিত এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় মৌলভীবাজারের সচেতন মহল ও স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:06:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119707" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119707</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।
নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।
মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:46:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; ৪ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119706" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119706</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নওগাঁর পোরশায় অবৈধ দুই ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করেন।

জরিমানাকৃত ইটভাটা দু&rsquo;টি হলো&mdash;উপজেলার পশ্চিম রঘুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এনএসবি ব্রিকস এবং নিতপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স কেইবিসি ব্রিকস।

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা বলেন, &lsquo;জেলার পোরশা উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় ইটভাটা দুইটি পরিচালনার জন্য বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। যথাযথ কাগজপত্র গ্রহণ ব্যতীত পশ্চিম রঘুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এনএসবি ব্রিকস এবং নিতপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স কেইবিসি ব্রিকস নামক দুইটি ইটভাটার পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার কাজ চালু রাখায় ইটভাটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়।&rsquo;

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:40:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উসকানিতে অশান্ত শিল্পাঞ্চল’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119705" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119705</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন। বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

শামীমা পারভীন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনকে ঘিরে দুষ্কৃতিকারীরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাঁদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজনের সংখ্যাই বেশি। হেমায়েতপুরে শুরুতে তাঁরাই পোশাক কারখানায় হামলা চালান। এতে শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে আসেন। প্রকৃত শ্রমিকেরা আজকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, হেমায়েতপুর এলাকা থেকে একটি ককটেলসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি ককটেল বিস্ফোরণ করেছিলেন। এ ছাড়া পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়েছে।

এদিকে শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সাভার ও আশুলিয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই শতাধিক পোশাক কারখানার কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা চলছিল। বুধবার সেই উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে সাভারের হেমায়েতপুর ও উলাইল এলাকায়। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ব্যাহত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে একের পর এক কারখানা ছুটি ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েন শ্রমিক ও শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:40:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় অহংকারী ট্রাম্পের, দাপট ডেমোক্র্যাটদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119704" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119704</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&zwj;সুপার পাওয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এল এক ঐতিহাসিক ও নাটকীয় পরিবর্তন। দীর্ঘদিনের একরোখা নীতি, অহমিকা এবং একতরফা সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হলো বর্তমান মার্কিন রিপাবলিকান প্রশাসনকে। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত বহুকাঙ্ক্ষিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির।

বিরোধীদের প্রবল তোপের মুখে পড়ে হোয়াইট হাউসের ক্ষমতাধর এই নেতার রাজনৈতিক সাম্রাজ্য এখন চরম সংকটের মুখে। নির্বাচনের ফলাফলের যে চিত্র সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে&mdash;যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ ট্রাম্পের একনায়কসুলভ আচরণের বিরুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমেই নিজেদের কড়া বার্তা শুনিয়ে দিয়েছে।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া, ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক জয় : 

নির্বাচনী ময়দানের প্রাথমিক ফলাফল এবং প্রবণতা বলছে, ১০০ আসনের মার্কিন সেনেটে ডেমোক্র্যাটরা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে ৫৪টি আসনে নিজেদের কব্জা করেছে। বিপরীতে, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি আটকে রয়েছে মাত্র ৪৪টিতে। অন্যদিকে, ৪৩৫ আসনের শক্তিশালী হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসেও বড় ধরণের ধস নেমেছে।

সেখানে ডেমোক্র্যাটরা জিতেছে একরকম অপ্রতিরোধ্য গতিতে, ২৩১টি আসন নিজেদের ঝুলিতে ভরে তারা ইতোমধ্যেই স্পর্শ করেছে ম্যাজিক ফিগার। সেখানে মাত্র ১৩৯টি আসন পেয়ে সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হয়েছে রিপাবলিকানরা। মার্কিন কংগ্রেসে এখন পুরোপুরিভাবে ডেমোক্র্যাটদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

যদিও ট্রাম্পের মেয়াদের এখনও আরও প্রায় দুবছর বাকি রয়েছে, তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে হোয়াইট হাউসের এই ক্ষমতাধর নেতা এখন রীতিমতো নখদাঁতহীন বাঘে পরিণত হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ভেনেজুয়েলা দখল, ইরানে আকস্মিক হামলা চালানো কিংবা একটুতেই ভারতসহ বিভিন্ন মিত্র দেশের ওপর অনৈতিক শুল্কের খড়্গ নামানোর মতো একরোখা নীতিই ডুবিয়েছে ট্রাম্পকে।

বিজয় উল্লাস ও রাজনৈতিক মহলের উত্তপ্ত প্রতিক্রিয়া : 

নির্বাচনেি এমন বিপর্যয়ের পর থেকেই গোটা মার্কিন মুলুকজুড়ে ডেমোক্র্যাট শিবির ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। উল্লাসের পাশাপাশি বিরোধীরাও বর্তমান প্রশাসনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করতে ছাড়েননি।

মার্কিন মুলুকের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষায় বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেছেন, বিভাজন ও বিভেদের নোংরা রাজনীতির জাল ছিঁড়ে আজ বেরিয়ে এসেছেন সচেতন মার্কিন নাগরিকরা। জনগণ এমন একজন অভিভাবক চায়, যিনি তাদের নিত্যদিনের সমস্যার একটি স্থায়ী ও কার্যকরী সমাধান দিতে সক্ষম।

আজকের এই ঐতিহাসিক জয় তারই পরিষ্কার ইঙ্গিত।&rsquo; এদিকে ভারতে ট্রাম্পের &lsquo;বন্ধুত্বপূর্ণ&rsquo; তকমার অন্তরালে থাকা নীতির তীব্র সমালোচনা করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবিরও।


মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক ঝলক : 


	
		
			
			বিষয়
			
			
			ফলাফল ও বিবরণ
			
		
	
	
		
			
			সেনেট ফলাফল (১০০ আসন)
			
			
			&bull; ডেমোক্র্যাট: ৫৪টি আসন

			 

			&bull; রিপাবলিকান (ট্রাম্পের দল): ৪৪টি আসন
			
		
		
			
			হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস (৪৩৫ আসন)
			
			
			&bull; ডেমোক্র্যাট: ২৩১টি আসন (সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জিত)

			 

			&bull; রিপাবলিকান: ১৩৯টি আসন
			
		
		
			
			ভোটের মূল কারণ
			
			
			ট্রাম্পের একতরফা সিদ্ধান্ত, শুল্কনীতি, ইরানে হামলা এবং একরোখা শাসনপদ্ধতির প্রতি জনগণের ক্ষোভ
			
		
		
			
			ঐতিহাসিক জয় ও পরিবর্তন
			
			
			ক্যানসাসে ৯৪ বছরের ব্যবধান ঘুচিয়ে জয় এবং টেক্সাসসহ বিভিন্ন ঘাঁটিতে ডেমোক্র্যাটদের বড় সাফল্য; সমকামী ও সংখ্যালঘু প্রার্থীর প্রথমবার জয়
			
		
		
			
			ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের প্রভাব
			
			
			সুহাস সুব্রহ্মণ্যম, প্রমিলা জয়পাল, রো খান্না এবং পিয়া দান্ডিয়ার মতো ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের কংগ্রেসে জোরালো উপস্থিতি
			
		
		
			
			দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে প্রভাব
			
			
			ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি, শুল্কনীতি এবং রুশ তেল আমদানিসহ এইচ-১বি ভিসার খামখেয়ালিপনায় রাশ টানার সম্ভাবনা
			
		
	



তবে এমন চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েও নিজের স্বভাবসুলভ অহংকার বজায় রেখেছেন মার্কিন ধনকুবের প্রেসিডেন্ট। পরাজয়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি অদ্ভুত যুক্তি দিয়ে দাবি করেছেন, &lsquo;ব্যালট পেপারে আমার নাম সরাসরি ছিল না।

যদি আমার নাম থাকত, তবে বিপুল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত ছিল।&rsquo; যদিও মুখে বিরোধী দলের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার কথা বলেছেন, তবে একই সঙ্গে নিজের &lsquo;ভেটো&rsquo; ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে বিরোধীদের কঠোর হুঁশিয়ারিও দিতে ভোলেননি তিনি।

অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এই ভরাডুবির সমস্ত দায় চাপিয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতির ওপর। দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ট্রাম্পও নিজের সহকর্মীর এই অদ্ভুত যুক্তিকেই সমর্থন জানান।

ইতিহাসের ধারা বদল ও নজিরবিহীন জয় : 

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প-বিরোধী হাওয়ার তীব্রতা ঠিক কতটা জোরালো ছিল, তা প্রমাণ করে কন্সাসের মতো রাজ্যে দীর্ঘ ৯৪ বছরের হারের অভিশাপ ঘুচিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটনের ঐতিহাসিক সেনেট জয়।

এমনকি ১৯৯৪ সাল থেকে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি বা দুর্গ হিসেবে পরিচিত টেক্সাসেও এবার বড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা, যেখান থেকে সেনেটর নির্বাচিত হয়েছেন জেমস টালারিকো।

শুধু তাই নয়, কেইশা বটমস এবং দেব হালান্ডের মতো প্রভাবশালী নারী রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু প্রার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সমকামী প্রার্থী হিসেবে ক্রিস পাপ্পাস মার্কিন মসনদে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছেন।

ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের দাপট ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব : 

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছেন প্রবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিকরাও। সুহাস সুব্রহ্মণ্যম, প্রমিলা জয়পাল, অমি বেরা ও রো খান্নার মতো হেভিওয়েটরা দাপটের সঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছেন।

এমনকি প্রথমবারের মতো মার্কিন কংগ্রেসে জায়গা করে নিয়েছেন উদীয়মান ভারতীয় বংশোদ্ভূত পিয়া দান্ডিয়া। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্কনীতির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল হতে পারে। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের তেল আমদানির দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা বা স্বস্তি মিলতে পারে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তিতে।

শুধু তাই নয়, এইচ-১বি ভিসার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের খামখেয়ালি এবং কঠোর নীতিমালায় এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক রাশ টানবে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:29:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বড়লেখায় দীর্ঘ ৮ বছর পর হবে চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119703" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119703</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পঞ্চায়েত, ভ্যালি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। আগামী ২৮ নভেম্বর উপজেলার ১৮টি চা বাগানে একযোগে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন প্রায় চার হাজার চা শ্রমিকরা।

নির্বাচন সুষ্ঠু,শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে বড়লেখায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং চা বাগানের ব্যবস্থাপকদের নিয়ে এক সমন্বয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম মাহবুব এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নির্বাচনের সমন্বয়ক এবং বিভাগীয় শ্রম দপ্তর (ঢাকা)-এর উপ-পরিচালক মো. খোরশেদ আলম।

সভায় খোরশেদ আলম বলেন, &ldquo;দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর চা শ্রমিকদের নিজস্ব পঞ্চায়েত, ভ্যালি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। চা শ্রমিকরা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে স্বতঃস্ফূর্ত ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারেন, সেজন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া, বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওবায়দুল হক, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক সহ সাংবাদিক প্রমুখ।

এ ছাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অহিদাবাদ চা বাগানের ব্যবস্থাপক আলী আসকর, রহমানিয়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল আলম, শাহবাজপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক নাহিদ ফেরদৌস চৌধুরী, বাহাদুরপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক এস এম ইকরামুল কবির, পাল্লাথল চা বাগানের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, মো. সাঈদুজ্জামান এবং কেরামতনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান মাসুম প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত বাগান ব্যবস্থাপক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:28:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় ভারত-পাকিস্তান মহারণ, সাফের গ্যালারি ফাঁকা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119702" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119702</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক ঝলক 


	
		
			
			দিক
			
			
			বর্তমান পরিস্থিতি ও চিত্র
			
		
	
	
		
			
			টুর্নামেন্টের শুরু
			
			
			আজ পর্দা উঠছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের
			
		
		
			
			উদ্বোধনী দিনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ
			
			
			&bull; দুপুর সাড়ে ৩টা: ভারত বনাম পাকিস্তান (চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লড়াই)

			 

			&bull; দ্বিতীয় ম্যাচ: বাংলাদেশ বনাম ভুটান (স্বাগতিকদের ম্যাচ)
			
		
		
			
			স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা
			
			
			জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি লাল ও ধূসর রঙের খালি চেয়ারে পূর্ণ; প্রবেশপথে নেই কোনো চিরচেনা ভিড় বা উন্মাদনা
			
		
		
			
			দর্শকহীনতার মূল কারণ
			
			
			সর্বনিম্ন টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় সাধারণ দর্শক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এবং স্টেডিয়ামে অনীহা
			
		
		
			
			সমর্থকদের আশঙ্কা
			
			
			টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের স্টেডিয়াম থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে কি না&mdash;সেই প্রশ্ন জোরালো হয়েছে
			
		
		
			
			সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি/ঘাটতি
			
			
			মাঠ প্রস্তুত থাকলেও ফুটবলের আসল প্রাণ &#39;দর্শক&#39; এর চরম অনুপস্থিতি পুরো আয়োজনকে ফিকে করে দিয়েছে
			
		
	


 

 

উত্তেজনা আর রোমাঞ্চে ভরপুর এক টুর্নামেন্টের পর্দা ওঠার কথা থাকলেও উদ্বোধনী দিনেই অদ্ভুত এক নীরবতায় ঢেকে গেছে দেশের প্রধান ফুটবল স্টেডিয়াম। মাঠের সবুজ গালিচা, সাজানো ডাগআউট আর চকচকে ফ্লাডলাইট প্রস্তুত থাকলেও সেখানে অনুপস্থিত সবচেয়ে বড় উপাদান&mdash;দর্শক। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান মহারণ কিংবা স্বাগতিক বাংলাদেশের ম্যাচ&mdash;কোনো কিছুতেই যেন স্টেডিয়ামে পা পড়ছে না ফুটবলপ্রেমীদের। চারপাশের এমন সুনসান নীরবতা আর হাজার হাজার খালি চেয়ার ফুটিয়ে তুলছে এক কঠিন বাস্তবতাকে।

মহারণের উত্তাপ উধাও, গ্যালারিজুড়ে শূন্যতার হাহাকার : 

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মতো হাই-ভোল্টেজ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারত ও পাকিস্তানের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াই দেখার জন্য যেখানে কানায় কানায় পূর্ণ থাকার কথা স্টেডিয়াম, সেখানে চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রবেশপথগুলোতে নেই চেনা সেই উপচে পড়া ভিড়, নেই সমর্থকদের কোনো আনন্দমিছিল বা হর্ষধ্বনি।

গ্যালারির লাল ও ধূসর রঙের চেয়ারগুলো দীর্ঘশ্বাস ফেলছে যেন দর্শকের অভাবে। অথচ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই তো বাড়তি উন্মাদনা ও শিহরণ। কিন্তু উদ্বোধনী দিনে সেই চিরচেনা উন্মাদনার ছিটেফোঁটাও খুঁজে পাওয়া গেল না স্টেডিয়াম চত্বরে।

টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, ফুটবলপ্রেমীদের স্টেডিয়াম থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার কৌশল : 

ফুটবলপিপাসু সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের এই হতাশার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে টিকিটের চড়া মূল্যকে। সর্বনিম্ন টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সমর্থকদের মনে চরম ক্ষোভের আগুন জ্বলছিল।

সাধারণ দর্শক ও বিভিন্ন সাপোর্টার গ্রুপ আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে, এত বেশি মূল্য দিয়ে টিকিট কেনা নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত বা সাধারণ ছাত্রদের মতো ফুটবলপ্রেমীদের পক্ষে অসম্ভব। শেষ পর্যন্ত তাদের সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। টিকিটের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় স্টেডিয়ামের দরজা থেকেই ফিরে গেছেন হাজারো সমর্থক। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, আকাশছোঁয়া দাম কি তবে পরিকল্পিতভাবেই গ্যালারি থেকে আসল প্রাণ&mdash;অর্থাৎ দর্শকদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছে?

বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ, গ্যালারির চিত্র কি বদলাবে : 

দিনের দ্বিতীয় হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে কোচ থমাস ডুলির শিষ্যদের প্রতিপক্ষ ভুটান। স্বাগতিক দল মাঠে নামলে হয়তো গ্যালারির এই বিবর্ণ চিত্র খানিকটা হলেও বদলাবে&mdash;এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে টিকিটের অগ্নিমূল্যের বাধা পেরিয়ে সাধারণ দর্শকরা শেষ পর্যন্ত গ্যালারিতে এসে প্রিয় দলকে সমর্থন জোগাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনও রয়েছে বড় সংশয়।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও ফাঁকা গ্যালারির দিকে তাকালে সাফ ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে দর্শকের বড় বেশি অনুপস্থিতিই বারবার চোখে পড়ছে।

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 09:54:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থাইল্যান্ডের কারাগারে বন্দি দুই উইঘুর মুসলিমের আকুল আর্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119701" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/119701</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে দুই উইঘুর মুসলিমের বর্তমান অবস্থা : 

 


	
		
			বিষয়
			বিবরণ
		
	
	
		
			
			সংকটগ্রস্ত ব্যক্তি
			
			
			থাইল্যান্ডে বন্দি থাকা দুই উইঘুর মুসলিম (যাদের একজনের বয়স আটকের সময় ১৪ বছর ছিল)
			
		
		
			
			বন্দিদশার মেয়াদ
			
			
			দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে (২০১৪ সাল থেকে থাই কর্তৃপক্ষের হেফাজতে)
			
		
		
			
			বর্তমান অবস্থান
			
			
			ব্যাংককের সুয়ান প্লু ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার (সম্প্রতি কারাগার থেকে স্থানান্তরিত)
			
		
		
			
			প্রধান ঝুঁকি
			
			
			চীনে ফেরত পাঠানো হলে বলপূর্বক অন্তর্ধান, গুম এবং মারাত্মক নির্যাতনের চরম আশঙ্কা
			
		
		
			
			চীনা প্রশাসনের ভূমিকা
			
			
			গত আগস্টে ব্যাংককস্থ চীনা দূতাবাস তাদের হস্তান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে
			
		
		
			
			মানবাধিকার সংগঠনের দাবি
			
			
			হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW)-এর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন বন্ধ করে নিরাপদ কোনো তৃতীয় দেশে পাঠানোর আহ্বান
			
		
		
			
			আইনি অবস্থান ও বাধা
			
			
			বন্দিরা চীনে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আইনজীবীদের মাধ্যমে লিখিত আপত্তি জানালেও, ইউএনএইচসিআর-এর প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করেছে থাই ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ
			
		
	


 

 

 

প্রায় এক যুগ ধরে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তির আলো দেখেছিলেন দুই উইঘুর মুসলিম। কিন্তু সেই স্বস্তি মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে এক দুঃস্বপ্নে। বেইজিংয়ের হাতে সঁপে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র আঁচ করতে পেরে থাই কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনভিক্ষা চেয়েছেন তারা। যেকোনো মূল্যে চীনমুখী প্রত্যাবাসন রোধে এখন বিশ্বজুড়ে চলছে তীব্র কূটনৈতিক ও মানবিক চাপ। একদিকে দুই উইঘুর মুসলিমের জীবন ঝুঁকির মুখে অন্যদিকে থাই কর্তৃপক্ষের ওপর প্রবল চাপ বেইজিংয়ের ।

দশকের পর দশক ধরে বন্দিদশা ও মুক্তির পেছনের শঙ্কা : 

ঘটনার শুরু প্রায় এক দশক আগের। ২০১৪ সালে ভাগ্য ও আশ্রয়ের খোঁজে থাইল্যান্ডে পাড়ি জমানোর পরই থাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হন ওই দুই উইঘুর নাগরিক। আটকের সময় তাদের একজনের বয়স ছিল মাত্র চৌদ্দ বছর&mdash;কিশোর বয়সের দুরন্ত দিনগুলো যাদের কেটেছে কারাগারের চার দেয়ালের ভেতর।

২০২০ সালের শুরুর দিকে ইমিগ্রেশন ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে আসার দুঃসাহসী এক প্রচেষ্টার জেরে তাদের ওপর নেমে আসে জেলখানার খড়্গ। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারিত সাত বছরের কারাদণ্ডের প্রায় পুরোটাই তাদের কাটাতে হয় কুখ্যাত কারাব্যবস্থার মাঝে।

সম্প্রতি রাজকীয় ক্ষমার সুবাদে কারাগার থেকে মুক্তি মিললেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসত মেলেনি। গত একুশ অক্টোবর কারাগার থেকে সোজা ব্যাংককের সুয়ান প্লু ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে তাদের। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর জোরালো দাবি, এই স্থানান্তরটি মূলত বেইজিংয়ের রক্তচক্ষুর কাছে নতি স্বীকার করে তাদের চীনে ফেরত পাঠানোর এক সুদূরপ্রসারী নীল নকশা।

বেইজিংয়ের গোপন হাতছানি ও আন্তর্জাতিক মহলের চরম উদ্বেগ : 

উইঘুর দুই পুরুষকে যেকোনো মূল্যে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চীনা প্রশাসন। গত আগস্ট মাসেই ব্যাংককস্থ চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংসদীয় কমিটির কাছে তাদের হাতে হস্তান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে জোরেশোরে চাপ সৃষ্টি করা হয়।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের শীর্ষ কর্মকর্তা এলেন পেয়ারসন থাইল্যান্ড সরকারের পূর্বের কলঙ্কজনক অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

অতীতে থাইল্যান্ডের বিভিন্ন সরকার বেইজিংয়ের অযৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে বহু উইঘুরকে চীনে ফেরত পাঠিয়েছিল, যাদের পরবর্তীতে চিরতরে গুম বা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের প্রশাসনের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, জোরপূর্বক এই মানবতাবিরোধী প্রত্যাবাসন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

একই সঙ্গে ওই দুই উইঘুর নাগরিককে তৃতীয় কোনো নিরাপদ দেশে পাড়ি জমানোর সুযোগ করে দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

আইনি লড়াই ও জাতিসংঘের প্রবেশাধিকার নিয়ে ধোঁয়াশা : 

থাইল্যান্ডের বর্তমান কঠোর অভিবাসন নীতি অনুযায়ী, কোনো আটক ব্যক্তি যদি লিখিতভাবে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিপরীতে আপত্তি না জানান এবং তৃতীয় কোনো রাষ্ট্র তাদের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে না আসে, তবে তাদের বেইজিংয়ের খাঁচায় ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা থাকে না।

তবে আশার কথা হলো, ভুক্তভোগী ওই দুই উইঘুরের আইনি প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে থাই প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা স্বেচ্ছায় তো দূরের কথা, জোর করলেও চীনে পা রাখতে রাজি নন।

নির্যাতন ও চরম নিপীড়নের ভয়ে তারা বারবার মৃত্যুর মুখে না পড়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে থাই ইমিগ্রেশনের একগুঁয়ে আচরণ। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধিরা বারবার ওই দুই উইঘুরের সঙ্গে দেখা করে তাদের শরণার্থী মর্যাদা যাচাই করার আবেদন জানালেও থাই কর্তৃপক্ষ তা শক্তহাতে প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।

থাইল্যান্ডের এই ডিটেনশন ক্যাম্পের চার দেয়ালের ভেতরে এখন এক মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয় ঘটার উপক্রম হয়েছে, যার দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো বিশ্ববিবেক।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 09:27:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টাইগারদের বাউন্সার সামলে  উইন্ডিজকে টিকিয়ে রেখেছেন জ্যাঙ্গু ও উইকহাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119700" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119700</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 


	
		
			
			বিভাগ
			
			
			বিবরণ
			
		
	
	
		
			
			দল ও সংগ্রহ
			
			
			ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮৪/৪ (৫৫ ওভার শেষে)
			
		
		
			
			রান রেট (CRR)
			
			
			৩.২৭
			
		
		
			
			ক্রিজে অপরাজিত ব্যাটার
			
			
			&bull; আমির জ্যাঙ্গু: ৭৬ (১২৪ বল, ৭x৪, ১x৬)

			 

			&bull; জাস্টিন গ্রেইভস: ১৬ (১৯ বল, ২x৪)
			
		
		
			
			মূল জুটি ও পারফর্মার
			
			
			কেভিন উইকহাম: ৬১ (১৪৫ বল, ৫x৪) &mdash; লড়াকু ফিফটি ও চমৎকার প্রতিরোধ
			
		
		
			
			বাংলাদেশের সফল বোলার
			
			
			হাসান মাহমুদ: ১৪ ওভার, ১ মেডেন, ৫৮ রান, ২ উইকেট
			
		
		
			
			ম্যাচের হাইলাইট
			
			
			হাসান মাহমুদের বাউন্সার ও পেস আক্রমণ সামলে উইন্ডিজ ব্যাটারদের ধৈর্যশীল ও দারুণ প্রতিরোধ।
			
		
	


 

টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের আগুনঝরা পেস আর দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণ সামলে উইকেটে টিকে থাকা এক কঠিন পরীক্ষা। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার চলমান টেস্ট ম্যাচেও ঠিক তেমনই এক রোমাঞ্চকর দৃশ্যপট দেখা গেল। একদিকে টাইগার বোলারদের নাছোড়বান্দা বোলিং আক্রমণ, অন্যদিকে উইন্ডিজ ব্যাটারদের ধৈর্য ও দৃঢ়তার লড়াকু মানসিকতা&mdash; ম্যাচের এই সেশনে দর্শকদের চোখ আটকে ছিল ২২ গজের উইকেটে।

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচের লড়াই বেশ জমে উঠেছে। সিলেটে ম্যাচের ঠিক এমন সময়ে ক্যারিবিয়ানরা কিছুটা চাপ সামলে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বল হাতে বাংলাদেশি বোলাররা দারুণ চেষ্টা চালালেও, উইন্ডিজের ব্যাটাররা দেখেশুনে সাবধানে রান তুলে যাচ্ছেন।

উইকহাম ও জ্যাঙ্গুর দারুণ জুটি : 

দলীয় স্কোরে বিপর্যয় সামাল দিতে দলের হাল ধরেন অভিষিক্ত কেভিন উইকহাম এবং আমির জ্যাঙ্গু। উইকহাম অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দুর্দান্ত একটি ফিফটি তুলে নেন। তিনি ১৪৫ বল খেলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬১ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন।

তবে শেষ পর্যন্ত হাসান মাহমুদের একটি দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। তার এই ইনিংসটি দলের জন্য দারুণ এক স্বস্তি নিয়ে এসেছিল।

অন্যদিকে, উইকেটের এক প্রান্তে উইন্ডিজকে আগলে রেখেছেন আমির জ্যাঙ্গু। তিনি একদম থিতু হয়ে খেলছেন এবং দলের ইনিংসকে বড় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১২৪ বল খেলে ৭টি চার এবং ১টি ছক্কার সাহায্যে ইতিমধ্যেই ৭৬ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। তাকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন নতুন ব্যাটার জাস্টিন গ্রেইভসও।

বাংলাদেশের পেসারদের শর্ট বলের কৌশল ও বোলিং আক্রমণ : 

বাংলাদেশের বোলাররা উইকেটের খোঁজে বেশ আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নেন। বিশেষ করে পেসার হাসান মাহমুদ বেশ কিছু শর্ট বল ও বাউন্সার করে ব্যাটারদের পরীক্ষা নেন। হাসানের একটি বাউন্সার গিয়ে সরাসরি উইকহামের গ্লাভসে লাগে এবং তিনি কিছুটা ব্যথাসীনও হন। তবে এসব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উইন্ডিজ ব্যাটাররা নিজেদের উইকেটে টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যান।

হাসান মাহমুদ দারুণ বোলিং করে ১৪ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেছেন। তার করা নিখুঁত ও গতিময় ওভারগুলো বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজও বেশ আঁটসাঁট বোলিং করে রান আটকে রাখার চেষ্টা করেছেন।

৫৫ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৮০ রান। তাদের রান রেট ৩.২৭। চা বিরতির ঠিক আগের সময়টিতে ক্রিজে রয়েছেন আমির জ্যাঙ্গু (৭৬) এবং জাস্টিন গ্রেইভস (১৬)। বাংলাদেশ দল দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও উইন্ডিজের এই জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পক্ষে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ৫৫ ওভারে ১৮৪/৪ (জাঙ্গু ৭৬*, উইকহ্যাম ৬১, গ্রিভস ১৬*, জশুয়া ১২, কিং ৯;

তাসকিন ২/৫২, হাসান ২/৫৮, মিরাজ ০/২৬, তাইজুল ০/২৬, নাঈম ০/১৭)।

 

 

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 08:53:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামিন পেলেন পরীমনি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/entertainment/119699" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/entertainment/119699</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী জানান, গত ৪ নভেম্বর পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর বৃহস্পতিবার তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি পরীমনি। তার আইনজীবী সময়ের আবেদন জানিয়ে আদালতে উল্লেখ করেন, অসুস্থতার কারণে পরীমনির পক্ষে সেদিন আদালতে হাজির হওয়া সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় সময় দেওয়া না হলে আসামির অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।

তবে মামলার বাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আদালতে উপস্থিত হয়ে আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন না-মন্জুর করে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

যেভাবে মামলার সূত্রপাত
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুন দিবাগত রাত ১২টার পর পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে যান। সেখানে তারা ক্লাবের দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন এবং পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।

বাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদের অভিযোগ, রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি তাকে ডেকে কিছুক্ষণ বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে গালমন্দ করা হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি একটি সার্ভিং গ্লাস ও নিজের হাতে থাকা মোবাইল ফোন নাসির উদ্দিনের দিকে ছুড়ে মারেন। এতে তিনি মাথা ও বুকে আঘাত পান। পাশাপাশি পরীমনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি এবং কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

তদন্তে যা উঠে আসে
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন প্রতিবেদনে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

পরে আদালত পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। এরপর ২০২৪ সালের ২৫ জুন তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

পরবর্তী সময়ে মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে ৪ নভেম্বর ধার্য তারিখে পরীমনির অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন তিনি।

পরীমনির করা পাল্টা মামলা
বোট ক্লাবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরীমনিও সাভার থানায় নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। সেই মামলাটি বর্তমানে ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

 

সাননিউজ / সুরাইয়া]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 08:56:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামিন পেলেন পরীমনি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/entertainment/119698" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/entertainment/119698</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী জানান, গত ৪ নভেম্বর পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর বৃহস্পতিবার তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি পরীমনি। তার আইনজীবী সময়ের আবেদন জানিয়ে আদালতে উল্লেখ করেন, অসুস্থতার কারণে পরীমনির পক্ষে সেদিন আদালতে হাজির হওয়া সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় সময় দেওয়া না হলে আসামির অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।

তবে মামলার বাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আদালতে উপস্থিত হয়ে আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন না-মন্জুর করে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

যেভাবে মামলার সূত্রপাত
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুন দিবাগত রাত ১২টার পর পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে যান। সেখানে তারা ক্লাবের দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন এবং পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।

বাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদের অভিযোগ, রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম ক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি তাকে ডেকে কিছুক্ষণ বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে গালমন্দ করা হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি একটি সার্ভিং গ্লাস ও নিজের হাতে থাকা মোবাইল ফোন নাসির উদ্দিনের দিকে ছুড়ে মারেন। এতে তিনি মাথা ও বুকে আঘাত পান। পাশাপাশি পরীমনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি এবং কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

তদন্তে যা উঠে আসে
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন প্রতিবেদনে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

পরে আদালত পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। এরপর ২০২৪ সালের ২৫ জুন তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

পরবর্তী সময়ে মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে ৪ নভেম্বর ধার্য তারিখে পরীমনির অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন তিনি।

পরীমনির করা পাল্টা মামলা
বোট ক্লাবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরীমনিও সাভার থানায় নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। সেই মামলাটি বর্তমানে ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

 

সাননিউজ / সুরাইয়া
 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 08:37:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রায়পুরায় আলোচনার শীর্ষে মেম্বার প্রার্থী গাজী সবুজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119697" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আল আমিন গাজী সবুজ। হাটে-মাঠে-ঘাটে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় তাঁকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল।

আল আমিন গাজী সবুজ একজন বিজ্ঞ দরবারী, অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার, সমাজসেবক ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন। একজন জনবান্ধব ও মানুষের কাছের মানুষ হিসেবে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আল আমিন গাজী সবুজ দলের দুঃসময়ে নানা প্রতিকূলতা, মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। দলের কঠিন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় তাঁকে একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির আস্থাভাজন হিসেবেও পরিচিত আল আমিন গাজী সবুজ।

আসন্ন নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন। তাঁর প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের পাশে থেকে ওয়ার্ডের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা ধীরে ধীরে জমে উঠছে। এরই মধ্যে আল আমিন গাজী সবুজের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে আল আমিন গাজী সবুজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এখন স্থানীয় আলোচনার অন্যতম বিষয়।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 07:29:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রায়পুরায় আলোচনার শীর্ষে মেম্বার প্রার্থী গাজী সবুজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119696" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119696</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আল আমিন গাজী সবুজ। হাটে-মাঠে-ঘাটে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় তাঁকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল।

আল আমিন গাজী সবুজ একজন বিজ্ঞ দরবারী, অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার, সমাজসেবক ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন। একজন জনবান্ধব ও মানুষের কাছের মানুষ হিসেবে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আল আমিন গাজী সবুজ দলের দুঃসময়ে নানা প্রতিকূলতা, মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। দলের কঠিন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় তাঁকে একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির আস্থাভাজন হিসেবেও পরিচিত আল আমিন গাজী সবুজ।

আসন্ন নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন। তাঁর প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের পাশে থেকে ওয়ার্ডের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা ধীরে ধীরে জমে উঠছে। এরই মধ্যে আল আমিন গাজী সবুজের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে আল আমিন গাজী সবুজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এখন স্থানীয় আলোচনার অন্যতম বিষয়।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 07:02:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আ&#039;লীগ কর্মীকে হত্যার অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119695" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119695</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের চরকেওয়ার ইউনিয়নে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদ বেপারী (৫০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে ইউনিয়নের ভিটিহোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত জাহেদ বেপারী স্থানীয়ভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী এবং সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লবের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহেদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগের তীর ফরিদ হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের দিকে। তাঁদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ফরিদ হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের সমর্থক ছিলেন। অন্যদিকে জাহেদ বেপারী ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লবের অনুসারী। রাজনৈতিক প্রভাব ও আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

সরকার পরিবর্তনের পর ফরিদ ও তাঁর সহযোগীরা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিশে এলাকায় নানা অপতৎপরতায় জড়িয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তবে, এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া আগামী শুক্রবার ভিটিহোগলা গ্রামের একটি মাজারে ওরস আয়োজনকে কেন্দ্র করেও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসী। তাঁদের ধারণা, পুরোনো রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি মাজারের ওরস আয়োজন নিয়ে বিরোধও হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পূর্ববিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি নিজেসহ পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে একাধিক বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 07:29:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নওগাঁ জেলা জামায়াতের নতুন আমির মাওলানা মাহফুজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119694" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119694</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমীর নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমান। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) গোপন ভোটে তিনি আগামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হন। তিনি এর আগে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য দেশের ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা ও মহানগর শাখার আমিরদের নাম ঘোষণা করে। ঘোষিত তালিকায় নওগাঁ জেলা শাখার আমির হিসেবে মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমানের নাম রয়েছে।

দলীয় ও ব্যক্তিগত পরিচিতি অনুযায়ী, মাহফুজুর রহমান কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়ে তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালেও তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন বলে দলীয় পরিচিতিতে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মাহফুজুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ২৪ অক্টোবর নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য জেলা আমির নির্বাচনের লক্ষ্যে সদস্যদের মতামত গ্রহণ করা হয়েছিল।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে আগামী দুই বছরের জন্য নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমান।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 07:28:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের টিকা ক্রয়ে অনিয়মের কারণ জানাতে কমিশন গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/health/119693" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/health/119693</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ ও দায়দায়িত্ব চিহ্নিত করতে তিন সদস্যের কমিশন গঠন করেছে সরকার।

বুধবার (৪ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের (৮ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করবে এ কমিটি।

কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মামনুন রহমানকে। অন্য দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলাম।

এ কমিশনেক ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে বিলম্ব, অনিয়ম এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণ ও দায়দায়িত্ব চিহ্নিত করবে কমিশন। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ দেবে এ কমিশন।

তদন্তের স্বার্থে কমিশনকে সংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তিকে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের যেকোনো স্থান পরিদর্শন করতে পারবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 06:35:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119692" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119692</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একদিনের সরকারি সফরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

এছাড়া মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন&ndash;সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি, বিএনপি&rsquo;র বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম আরিকুল আলম, প্রটোকল অফিসার কামরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এডিসি স্কোয়াড্রন লিডার সৈয়দ নাজমুল হোসেন।

মোংলায় নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 06:22:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও চীনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119691" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119691</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাটের মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনের পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশে অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস, শিল্প, জ্বালানি, পরিবেশ ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কর্মসূচিও রয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 06:10:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119690" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/119690</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পোশাক কারখানাসহ শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোতায়েন করা সদস্যদের মধ্যে মিরপুরে ৩ প্লাটুন, সাভার ও আশুলিয়ায় ১১ প্লাটুন, গাজীপুরে ১২ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জে ৭ প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করতে আর্মার্ড পারসোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) ও রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকল (আরসিভি) মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে লাইভ মনিটরিং করা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সময় বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ইম্প্রোভাইজড বডি ওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করছেন বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি সদর দপ্তরের মনিটরিং সেল থেকে এসব কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবির এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 06:01:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভরিতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119689" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119689</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন-বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন এই দর সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
এর আগে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বেড়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২৫০ টাকা বেড়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯২ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ গতকাল ৪ নভেম্বর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
এর আগে গত ২ নভেম্বর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সব মিলিয়ে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হলো ১২ হাজার ৭২ টাকা।
স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার গহনার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 05 Nov 2026 05:45:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে ছিল ফ্যাসিস্ট দলের উসকানি’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119688" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119688</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে ফ্যাসিস্ট দলের লোকজনের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন এখন আর নেই। একটি পক্ষ গার্মেন্টসশিল্পে অসন্তোষ ছড়িয়ে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। বুধবার বিকেলে সাভার উপজেলা পরিষদের হলরুমে শ্রমিক আন্দোলন ও শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত থেকে তিনি একথা বলেন।

এর আগে সাভারের বিএলআরআইএ এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক অসন্তোষ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এরপর শ্রমিকরা কারখানায় কাজে ফিরেছেন। তবে একটি পক্ষ শ্রমিকদের কাজে যোগদানে বাধা সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।

সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সাভার উপজেলা হলরুমে আয়োজিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবিতে সরকার ইতোমধ্যে নিম্নতম, মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এরপর শ্রমিকদের কাজে ফেরার কথা থাকলেও একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এসব অপতৎপরতায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিল্পাঞ্চলে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি শ্রমিক নেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা ও শ্রমিক নেতারা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:34:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উলিপুরে টেস্টি ট্রিট উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119687" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119687</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়িগ্রামের উলিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো খাবারের প্রতিষ্ঠান &lsquo;টেস্টি ট্রিটথ। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকালে উলিপুর সোনালী ব্যাংকের নিচতলায় প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন, নর্থবেঙ্গলের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো: হামিদুর রহমান।

উদ্বোধন শেষে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উপহার স্টোরের স্বত্বাধিকারীরা আব্দুল মান্নান, রনজিত কুমার দত্ত, মোল্লা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারীরা এনামুল হক মোল্লা, রংপুরের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ রায়হান শেখ এবং রংপুর রিজিওনালের অডিট কর্মকর্তা মোঃ জাহিদ হাসানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

নতুন এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে অতিথিরা বলেন, উলিপুরে এ ধরনের খাবারের প্রতিষ্ঠানের যাত্রা স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন একটি সুযোগ তৈরি করবে। মানসম্মত খাবার ও ভালো সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় তাঁরা টেস্টি ট্রিটের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:35:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাণিসম্পদের ভ্যাকসিন আমদানি কমাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119686" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119686</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রাণিসম্পদ খাতে দেশের চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ ভ্যাকসিন দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি ৮৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। এই আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশেই প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করতে গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বুধবার দুপুরে ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানিনির্ভরত হ্রাস এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। গবেষণা, উদ্ভাবন ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশের উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।

বিএলআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলে প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই। বিশ্বব্যাপী ওয়ান হেলথ ধারণা গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রাণীর স্বাস্থ্য, প্রাণিজ খাদ্যের নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্যের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রাণিসম্পদ খাতের প্রতিটি পণ্য নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা

পালন করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ খাতে অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে বলেও সতর্ক করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়াতে হবে। প্রান্তিক খামারিদের অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

বিএলআরআইয়ের উদ্ভাবনের প্রশংসা করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে দুটি ভ্যাকসিন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের কার্যক্রম আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা- ১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা জেলার প্রশাসক মোঃ ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শাহজাহান খান। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিএলআরআইয়ের বিজ্ঞানী, গবেষক ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:34:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কৃষিজমির মাটি কেটে পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119685" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119685</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্কেভেটর দিয়ে কৃষিজমির মাটি কেটে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির দায়ে নুরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের জানজায়গীর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭(ক) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫ ধারায় মোজ্জামেল হকের পুত্র নুরুজ্জামান নামে ওই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তিনি জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান। মামলার প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দুর্গাপুর ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মশিউর রহমান।

স্থানীয়দের মতে, কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করায় জমির উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। কৃষিজমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:33:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজশাহী রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মীর আশরাফ আলী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119684" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119684</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের নতুন উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা মীর আশরাফ আলী। পেশাগত দক্ষতা, সততা ও দীর্ঘ কর্মজীবনের সফলতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মনোনীত করা হয়েছে।

১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন মীর আশরাফ আলী। বগুড়া সদর উপজেলার এই কৃতি সন্তান পতিত আওয়ামী সরকারের আমলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে ১৬ বছর পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ৫ আগস্টের পর থেকে একের পর এক পদোন্নতি পেয়ে তিনি পুলিশের ডিআইজি পদে উন্নীত হন।

এর আগে তিনি অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিগত দুই বছর স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)-এর ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ২০২৫ সালে &lsquo;রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক&rsquo; (পিপিএম)-এ ভূষিত করা হন। এসবি ও সিটিএসবির পর তিনি কিছুকাল রেলওয়ে রেঞ্জের ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাজীবনে মীর আশরাফ আলী বগুড়া জেলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও দেশের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় উন্নততর বিদেশি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:33:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রচারণার অভাবে ঢাকাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে সাফের জৌলুস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119683" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: আয়োজন ও বাস্তবতার চিত্র

📊 সাফ টুর্নামেন্ট: প্রত্যাশা বনাম বাস্তবতা


	
		
			ক্ষেত্র
			বর্তমান চিত্র
			মূল সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ
		
	
	
		
			
			প্রচার ও উন্মাদনা
			
			
			শহরজুড়ে নেই কোনো ব্যানার-বিলবোর্ড
			
			
			বিগত আসরগুলোর মতো নেই কোনো উৎসবের আমেজ
			
		
		
			
			ব্যবস্থাপনা
			
			
			সাফ সচিবালয় ও বাফুফের যৌথ দায়িত্ব
			
			
			দুই সংস্থার চরম সমন্বয়হীনতা ও তথ্যের ঘাটতি
			
		
		
			
			মিডিয়া ভোগান্তি
			
			
			দলগুলোর সূচি ও ছবি পেতে হিমশিম
			
			
			পারিশ্রমিক নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ছবি পাঠাতে অপারগতা
			
		
		
			
			দলের লক্ষ্য
			
			
			২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর মিশন
			
			
			টানা ছয় দিন দল গোপনীয়তায় থাকায় ধোঁয়াশা
			
		
	


 

 

 

দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাকর ও উৎসবমুখর আসর &lsquo;সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ&rsquo; মাঠে গরাতে আর মোটে একদিনও বাকি নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই রাজধানী ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া এই ছয় জাতির মহাযুদ্ধকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মনে বাঁধভাঙা উল্লাস থাকার কথা থাকলেও, বাস্তবে পুরো চিত্রটি এক্কেবারে উল্টো। 

টুর্নামেন্ট শুরুর এই অন্তিম মুহূর্তেও ঢাকা শহরের অলিগলি কিংবা স্টেডিয়ামের চারপাশ দেখে বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় নেই যে বংলাদেশের মাটিতে এত বড় একটি আঞ্চলিক ফুটবলের মহাযুদ্ধ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতীতে ২০০৩, ২০০৯ কিংবা ২০১৮ সালের সাফ টুর্নামেন্টগুলোতে বাফুফের বর্ণিল সাজসজ্জা, শহরজুড়ে বিশালাকার বিলবোর্ড ও রঙিন ব্যানারের যে জোয়ার দেখা যেত, তার লেশমাত্রও এবার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

উদ্বোধনী দিনের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান, আর স্বাগতিক বাংলাদেশ লড়বে ভুটানের বিপক্ষে। অথচ এমন একটি হাই-ভোল্টেজ ও আকর্ষণের টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ কিংবা শহরের রাজপথে সাফের কোনো প্রচারণার ছিটেফোঁটাও চোখে পড়ছে না।

সাফ ও বাফুফের সমন্বয়হীনতার চোরাবালিতে মিডিয়া ও লজিস্টিকস

এবারের মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল দায়িত্বে রয়েছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) সচিবালয়, আর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কেবল লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুই সংস্থার মধ্যকার চরম সমন্বয়হীনতার কারণে শুরু থেকেই হোঁচট খাচ্ছে পুরো ব্যবস্থাপনা। 

মালদ্বীপ বাদে ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ভারত ও পাকিস্তানের দলগুলো ইতোমধ্যে ঢাকায় পা রাখলেও, তাদের আগমনী মুহূর্তের কোনো ছবি বা প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো সংবাদকর্মীদের হাতে পৌঁছাতে পারেনি আয়োজকরা। দলগুলোর অনুশীলনের ভেন্যু ও নির্দিষ্ট সময়সূচির মতো জরুরি তথ্যও জানানো হচ্ছে অনুশীলনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে।

এমনকি বাফুফের এক ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা সাফের ওপর দায় চাপিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সাফের পক্ষ থেকে পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না বলেই তাদের নিজস্ব ফটোগ্রাফারদের পাঠিয়ে এই সংবাদ সংগ্রহের কাজ করানো সম্ভব হয়নি। 

অন্যদিকে, বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল দুই সংস্থার মধ্যে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা বিভ্রান্তি না থাকার দাবি করলেও প্রচারণার এই চরম খরা নিয়ে নিজের হতাশা ঢাকতে পারেননি। গণমাধ্যমকে তিনি জানান যে, সাফের এই আয়োজন নিয়ে তিনিও হতাশ এবং যেমন উন্মাদনা তাঁরা আশা করেছিলেন, তা এখনো দৃশ্যমান নয়। তবে টুর্নামেন্ট গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনার পারদ চড়বে বলেই তার বিশ্বাস।


২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটাতে মরিয়া বাংলাদেশ ও চড়া দামের টিকিট বিতর্ক

আয়োজন নিয়ে যতই অব্যবস্থাপনা আর প্রচারণার ঘাটতি থাকুক না কেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে চলে আসা সাফের ট্রফি খরা এবার ঘুচিয়ে দেওয়ার তীব্র বাসনা নিয়ে মাঠে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 

যদিও টুর্নামেন্টের ঠিক আগে টানা ছয় দিন জাতীয় দলকে কঠোর গোপনীয়তায় গণমাধ্যম থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, তবুও দলের সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে বেশ আশাবাদী বাফুফে সভাপতি। তার মতে, ২০০৩ সালের সোনালী স্মৃতির পর থেকে ট্রফি জয়ের জন্য বারবার চেষ্টা চালিয়েও ভাগ্য সহায় হয়নি, তবে এবার দলের ফুটবলারদের মধ্যে বিজয়ের যে মানসিকতা রয়েছে, তাতে প্রথম ম্যাচ থেকেই তার প্রতিফলন ঘটবে মাঠে।

এদিকে টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ দর্শকদের মনে ক্ষোভ থাকলেও খেলা শুরু হলে স্টেডিয়ামের গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করছে বাফুফে। তবে মাঠের বাইরে প্রচারণার খরা এবং আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা যেভাবে এই টুর্নামেন্টের গায়ে প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে দিয়েছে, তা কাটিয়ে খেলোয়াড়েরা মাঠের ফুটবলে কতটা আলো ছড়াতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়!


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:02:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শ্রীমঙ্গলে ১০৮ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119682" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119682</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ১০৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ শিপন মিয়া (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় তাঁর হেফাজতে থাকা ইয়াবা বিক্রির নগদ ২৯ হাজার ৭৬০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন ১নং মির্জাপুর ইউনিয়নের ছাত্রাবট গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শিপন মিয়া মির্জাপুর ইউনিয়নের ছাত্রাবট গ্রামের লুৎফুর মিয়া ওরফে লুতুর ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রের বরাতে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই সঞ্জয় শর্মার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ছাত্রাবট গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে শিপন মিয়াকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির দেহ ও বসতঘর তল্লাশি করে তাঁর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেট থেকে ৫৮ পিস এবং বসতঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার থেকে ৫০ পিস, সর্বমোট ১০৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া ইয়াবা বিক্রির নগদ ২৯ হাজার ৭৬০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্য জানান, গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে ডিবি পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:33:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টেকনাফ সীমান্তে ১১ লাখ ইয়াবা ও ৫ রামদাসহ আটক ২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119681" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119681</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি পাঁচটি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার আঠারো ঘরপাড়া এলাকার সীমান্তসংলগ্ন একটি ধানখেতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক হলেন- হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভীবাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)।

এসআরবি-১৫ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সদস্যরা জানতে পারেন, একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্র হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার বড় একটি চালান দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানিক দল ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।

পরে সীমান্তবর্তী এলাকায় ৯ থেকে ১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন অভিযানকারী দলের সদস্যরা। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ১১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মাদক পাচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা পাঁচটি দেশীয় তৈরি বড় রামদা জব্দ করা হয়।

কক্সবাজার স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবা, জব্দ করা রামদা ও আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সীমান্তের বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দেশে পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার পাশাপাশি পাঁচটি বড় দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা সীমান্তে সক্রিয় মাদক কারবারি চক্রের তৎপরতা ও নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:32:58 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
