<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/trade-and-commerce</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/trade-and-commerce"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews trade-and-commerce Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest trade-and-commerce News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 06 Nov 2026 04:56:14 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মার্কিন বাজারে বড় ধাক্কা খেলো চীন ও ভারত! বিপাকে বাংলাদেশও!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119725" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119725</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিশ্ববাজার থেকে দেশটির পোশাক আমদানি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর বড় ঢেউ এসে লেগেছে বাংলাদেশের গায়েও। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, চীনের মতো শক্তিশালী অর্থনৈতিক জায়ান্ট এবং ভারতের মতো প্রতিযোগীরাও এই বাজারে চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাকের বাজারে এই আকস্মিক মন্দা এবং বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে এক উদ্বেগজনক চিত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক আমদানির করুণ চিত্র : 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর&mdash;এই নয় মাসে মার্কিন মুলুকে পোশাক আমদানির সামগ্রিক চিত্রে বড় ধস নেমেছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মোট ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ কম। টাকার অঙ্কে বা আমদানির পরিমাণের দিক থেকেও এই পতনের হার বেশ বড়&mdash;প্রায় ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। তবে অবাক করা বিষয় হলো, পণ্যের সামগ্রিক পরিমাণ কমলেও খুচরা পর্যায়ে বা গড় ইউনিট মূল্য সামান্য বেড়েছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি চিত্র : কমলো আয় ও পণ্যের দাম : 

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই নয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে মোট ৬১৪ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাকের পরিমাণ কমেছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম সামান্য বাড়লেও বাংলাদেশের রপ্তানি হওয়া পণ্যের গড় ইউনিট মূল্য উল্টো দশমিক ৯৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সামগ্রিক আমদানির তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি কিছুটা কম হারে কমলেও বাজারের শেয়ার ধরে রাখা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। একসময় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ১০ দশমিক ৯৯ শতাংশ থাকলেও তা সামান্য কমে ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

মাসের ব্যবধানে রপ্তানির অস্থিরতা : 

রপ্তানির এই চিত্র বেশ গোলমেলে। মাসভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে দেখা গেছে বড় ধরনের রোলারকোস্টার রাইড। গেল সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেশ থেকে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম পোশাক আমদানি করেছে। অথচ এর ঠিক আগের মাসেই অর্থাৎ আগস্টে রপ্তানিতে অভাবনীয় ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ পবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানির এই মারাত্মত ওঠানামা ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

চীন ও ভারতের ভরাডুবি, হাসি ফুটছে ভিয়েতনামের মুখে : 

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঠে সবচেয়ে বড় মার খেয়েছে দুই পরাশক্তি&mdash;চীন ও ভারত। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে চীন থেকে মার্কিনদের পোশাক আমদানি হু হু করে কমেছে ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। অন্যদিকে, ভারতের অবস্থা আরও শোচনীয়; তাদের রপ্তানি পতন ঘটেছে প্রায় ২৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। পাকিস্তান থেকেও আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে অন্য কিছু উদীয়মান অর্থনীতির দেশে। এই মন্দার বাজারেও নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে ভিয়েতনাম। মার্কিন বাজারে ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ। এছাড়া কম্বোডিয়া ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ২ দশমিক ৮১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে মার্কিন ক্রেতাদের নজর কেড়েছে। চীন ও ভারতের এই বিশাল দরপতনের সুযোগগুলো মূলত লুফে নিচ্ছে এই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো।

সামনে কী অপেক্ষা করছে : 

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহিউদ্দিন রুবেলের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর বাজার হারানোর ফলে বাংলাদেশের সামনে বড় ধরনের শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে কেবল সস্তায় পণ্য বিক্রির সেকেলে মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটময় মুহূর্তে টিকে থাকতে হলে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো, প্রিমিয়াম বা উচ্চমূল্যের পোশাকের উৎপাদন বৃদ্ধি, কারখানার উৎপাদনশীলতা উন্নত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেতার হাতে নিখুঁত পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এই কঠিন লড়াইয়ে টিকে থাকা বাংলাদেশের জন্য আরও দুরূহ হয়ে পড়বে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Nov 2026 04:56:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভরিতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119689" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119689</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন-বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন এই দর সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
এর আগে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বেড়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২৫০ টাকা বেড়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯২ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ গতকাল ৪ নভেম্বর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
এর আগে গত ২ নভেম্বর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সব মিলিয়ে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হলো ১২ হাজার ৭২ টাকা।
স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার গহনার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 05:45:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি ক্যাবের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119351" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119351</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাইপলাইনের গ্যাসের সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের ব্যয় মেটানোর পর রান্নার জ্বালানিতে বাড়তি অর্থ ব্যয় করা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এলপিজির বিদ্যমান মূল্য আদেশ কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

ক্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমদানিকারকদের ব্যয় বৃদ্ধির দাবিগুলো প্রকৃত লেনদেনের নথি ও নিরীক্ষিত হিসাবের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বাড়লেই দেশের অভ্যন্তরে পরিবহণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যয় একই হারে বৃদ্ধি পায় না। তাই আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে সব পর্যায়ে চার্জ ও কমিশন বাড়ানোর যৌক্তিকতা নেই। একই ব্যয় একাধিকবার হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা পরিচালনাগত অদক্ষতার দায় ভোক্তাদের ওপর চাপানোও গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ অবস্থায় এলপিজির দাম ও সংশ্লিষ্ট চার্জ নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছে ক্যাব।

ক্যাবের সাত দফা দাবি

১. নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করা: এলপিজির মূল্য ও সংশ্লিষ্ট চার্জ না বাড়িয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে ভোক্তাপর্যায়ে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

২. কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ: মজুত গোপন, সরবরাহ সীমিত করা, কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করতে হবে। দায়ী অপারেটর, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

৩. চার্জ ও কমিশন বৃদ্ধির যৌক্তিকতা যাচাই: নিরীক্ষিত হিসাব ও নিরপেক্ষ কারিগরি মূল্যায়নের মাধ্যমে ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত চার্জ ও কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা যাবে না। অযৌক্তিক ব্যয় ও অতিরিক্ত মুনাফা মূল্য নির্ধারণের হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।

৪. ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ: এলপিজি আমদানি, মজুতকরণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ বাবদ ব্যয়ের পৃথক হিসাব প্রকাশ করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যয় কমলে তার সুফল দ্রুত ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

৫. সরকারি এলপিজি সাশ্রয়ী করা: সরকারি এলপিজির ব্যয় পৃথকভাবে মূল্যায়ন করে স্বচ্ছ বরাদ্দ ও বিতরণব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

৬. মূল্যতালিকা ও রসিদ বাধ্যতামূলক করা: প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং বিক্রির বিপরীতে রসিদ দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহণ ও বাসায় পৌঁছে দেওয়ার চার্জ সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে অননুমোদিত অর্থ আদায় বন্ধ করতে হবে।

৭. অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি: অতিরিক্ত দাম আদায়, সিলিন্ডার না পাওয়া, কম ওজন এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যা জানানোর সহজ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে হবে।

গণশুনানিতে স্বচ্ছ সিদ্ধান্তের আহ্বান

ক্যাব এলপিজির মূল্য নির্ধারণসংক্রান্ত গণশুনানিতে আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন এবং ভোক্তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কোন কোন ব্যয় গ্রহণ বা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উত্থাপিত আপত্তিগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

ক্যাবের প্রত্যাশা, মূল্য ও চার্জ বাড়ানোর পরিবর্তে নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধে বিইআরসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 28 Oct 2026 08:05:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাকরাইলের একসময়ের জমজমাট কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির পর্দা নামল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119286" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119286</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে

▌১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করেছিল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স

▌মোট ১৯৮টি দোকানের মধ্যে বন্ধের আগে চালু ছিল মাত্র ২৫টি

▌উড়ালসড়ক নির্মাণ, করোনা ও ক্রেতা সংকটে মুখ থুবড়ে পড়ে মার্কেটটি

▌দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক মন্দার পর ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ ঘোষণা

▌১২৫ জন ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন বিপণিবিতানটির জায়গা বিক্রির উদ্যোগ

▌হাসপাতাল, ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চলছে আলোচনা

▌কর্ণফুলী গ্রুপের নির্মিত এ মার্কেটের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত সাবের হোসেন চৌধুরী

 



রাজধানীর কাকরাইলে একসময় কেনাকাটার জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত ছিল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে যাত্রা শুরু করা এই বিপণিবিতানে ঈদ-পূজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন উৎসবের আগে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যেত।

পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, গহনা, টেইলার্স ও খাবারের দোকানের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ মার্কেট দীর্ঘদিন রাজধানীর অভিজাত ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের অন্যতম পছন্দের জায়গা ছিল। তবে সময়ের ব্যবধানে সেই জৌলুস হারিয়ে শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে একসময়কার আলোচিত এই শপিং কমপ্লেক্স।

আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক বন্ধ। শাটারের ওপর টাঙানো একটি ব্যানারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১ অক্টোবর থেকে মার্কেটের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। মূল শপিং কমপ্লেক্সে প্রবেশের সুযোগ না থাকলেও ভবনের দুই পাশের কয়েকটি দোকান এবং একটি এটিএম বুথ তখনও চালু ছিল। ফুড কোর্টের কয়েকটি আউটলেটে হাতেগোনা কিছু ক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়।

১৯৯৮ সালে চালু হওয়া কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স ছিল ২০ তলা ভবনের বেজমেন্ট ও চারটি তলাজুড়ে বিস্তৃত। অবশিষ্ট অংশে ছিল আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট। কর্ণফুলী গ্রুপের নির্মিত এ বিপণিবিতানে মোট ১৯৮টি দোকান ছিল, যার মালিকানা কিনে নিয়েছিলেন ১২৫ জন ব্যবসায়ী। একসময় প্রায় সব দোকান সচল থাকলেও ক্রেতা কমতে কমতে এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে বন্ধ ঘোষণার আগে মাত্র ২৫টি দোকান নিয়মিত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল।

মার্কেটের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট ব্যবসাগুলোও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। অনেকেই ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। কয়েকজন ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে দোকান ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। আবার কেউ কেউ এখনো মালিকপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বহু বছর ধরেই ক্রেতার সংকটে ভুগছিল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। আগে যেখানে প্রতিদিন শত শত ক্রেতার সমাগম হতো, সেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক সময় পুরো ফ্লোরজুড়ে কয়েকজন ক্রেতাও দেখা যেত না। দোকানের খরচ, সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের।

দোকানমালিক সমবায় সমিতির নেতাদের মতে, একাধিক কারণ মিলেই বিপণিবিতানটির এই পরিণতি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে মগবাজার-মালিবাগ উড়ালসড়ক নির্মাণকাজের সময়। দীর্ঘদিনব্যাপী নির্মাণকাজ এবং তীব্র যানজটের কারণে কাকরাইল এলাকায় আসা-যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে ক্রেতাদের বড় একটি অংশ ধীরে ধীরে অন্য মার্কেটমুখী হয়ে যায়।

সে সময় ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক দোকানমালিক আশপাশের বিভিন্ন বিপণিবিতানে অস্থায়ীভাবে দোকান স্থানান্তর করেন। কিন্তু উড়ালসড়ক চালু হওয়ার পরও তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ আর আগের স্থানে ফিরে আসেননি। ফলে কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির অনেক দোকান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

পরবর্তীকালে করোনা মহামারি বিপণিবিতানটির জন্য নতুন সংকট তৈরি করে। দীর্ঘ সময় ব্যবসা স্থবির থাকায় বহু দোকান একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। শতাধিক দোকান মহামারির ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরও অধিকাংশ দোকান পুনরায় চালু হয়নি।





শুধু অবকাঠামোগত সমস্যা বা মহামারিই নয়, বিপণিবিতানটির ভাবমূর্তিতেও ধাক্কা লাগে। ব্যবসায়ীদের মতে, মার্কেটে থাকা কিছু প্রসাধনীর দোকানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির অভিযোগ ওঠায় ক্রেতাদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে সেই প্রভাব পুরো মার্কেটের ওপর পড়ে এবং ক্রেতাদের আস্থা কমে যায়।

দীর্ঘদিনের এই মন্দাবস্থার পর শেষ পর্যন্ত দোকানমালিকেরা সর্বসম্মতিক্রমে শপিং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে বিপণিবিতানের মালিকানাও বিক্রি করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি হাসপাতাল, ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, শিগগিরই সম্পত্তি বিক্রির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

একসময় রাজধানীর অন্যতম পরিচিত শপিং গন্তব্য হিসেবে পরিচিত কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি এখন কার্যত তার শেষ অধ্যায়ে পৌঁছেছে। নগর উন্নয়নের প্রভাব, ক্রেতার অভ্যাসের পরিবর্তন, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক মন্দা এবং করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতার চাপ মিলিয়ে ধীরে ধীরে হারিয়ে গেছে এক সময়ের প্রাণচঞ্চল এই মার্কেটের কোলাহল।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি নির্মাণ করেছিল কর্ণফুলী গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাবেক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। বর্তমানে মার্কেটটির ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চললেও একসময়কার জনপ্রিয় এই বিপণিবিতানের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে আপাতত স্থায়ীভাবেই ইতি টানা হয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Oct 2026 17:33:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দুর্গাপূজার ছুটিসহ আজ থেকে ৫দিন ব্যাংক ও শেয়ারবাজার বন্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119026" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119026</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনদিনসহ আজ মঙ্গলবার থেকে টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পূজার ছুটি এবং এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম। একই সময়ে বন্ধ থাকবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা পাঁচদিন ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে গ্রাহকদের সুবিধার্থে এটিএম বুথের মাধ্যমে সেবা চালু থাকবে।

ছুটির আগে গত শনিবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছিল। সেদিন সাধারণ কর্মদিবসের মতোই ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এদিকে, ব্যাংক বন্ধ থাকায় একই সময়ে দেশের দুই পুঁজিবাজার&mdash;ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনও বন্ধ থাকবে। ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে শেয়ারবাজারের লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে পূজার ছুটিতেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়, এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে ব্যাংকগুলোকে।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটির দিন গত ১৭ অক্টোবর সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 20 Oct 2026 06:26:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল-এর কমলাপুর ভবন উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119004" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/119004</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন-এর সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল-এর কমলাপুর নতুন ভবন আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) কমলাপুর মেট্রো স্টেশনের সন্নিকটে উদ্বোধন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক কে. এম. মুনিরুল আলম আল-মামুন, ব্যাংকের কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন-এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আনিসুল হক এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল মতিঝিল-এর সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ মোঃ হারুন অর-রশীদ-এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রশাসনিক ইনচার্জ মোঃ আল আমিন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট, সুপারিনটেনডেন্ট, আইবিএফ-এর নির্বাহী-কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Oct 2026 11:23:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118955" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118955</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শরী&rsquo;আহ সুপারভাইজরি কমিটির এক সভা আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের শরী&rsquo;আহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান মুফতি শামসুদ্দীন জিয়া এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম, প্রফেসর ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক ও ড. মো. নূরুল্লাহ এবং ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 09:19:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বর্ণ নিয়ে বিশ্ববাজারে দুঃসংবাদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118953" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118953</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে&mdash;এমন আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ায় দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষ দিকে সুদের হার বাড়াতে পারে বলে ধারণা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাব পড়েছে মূল্যবান এই ধাতুর বাজারে। ফলে সপ্তাহজুড়ে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী রয়েছে।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬৫ ডলার ১২ সেন্টে দাঁড়ায়। পুরো সপ্তাহে দাম কমেছে ০.৭ শতাংশ। আগামী দিনগুলোতেও স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

তবে এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৯৮ ডলার ২০ সেন্টে পৌঁছেছে।

টিডি সিকিউরিটিজের বৈশ্বিক কমোডিটি কৌশল বিভাগের প্রধান বার্ট মেলেকের মতে, বর্তমানে স্বর্ণের দাম একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে বাজারের প্রবণতা নিম্নমুখী সমর্থনসীমার দিকে যাচ্ছে। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তাই এর অন্যতম কারণ।

মূল্যস্ফীতির চাপে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশটির উৎপাদক পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি সাড়ে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সময়ে ভোক্তা পর্যায়েও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

এ অবস্থায় ফেড চলতি মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও ডিসেম্বরে তা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়তে পারে&mdash;এমন সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

সুদের হার বাড়লে কেন কমতে পারে স্বর্ণের দাম

সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যেতে পারে। কারণ, স্বর্ণে বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে সুদহার বাড়লে বন্ডসহ সুদভিত্তিক বিনিয়োগ থেকে বেশি মুনাফা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

এ কারণে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ স্বর্ণ থেকে অর্থ সরিয়ে অন্য সম্পদে বিনিয়োগ করতে পারেন। এতে স্বর্ণের চাহিদা ও দামের ওপর নিম্নমুখী চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ হামাদ হুসেইন মনে করেন, চলতি বছরের বাকি সময়ে স্বর্ণের দাম আরও কিছুটা কমতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর পথে এগোলে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে স্বর্ণের দাম নিশ্চিতভাবেই কমবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ফেডের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, মার্কিন ডলারের ওঠানামা, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে স্বর্ণের বাজার কোন দিকে যাবে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 Oct 2026 08:53:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্বে চীনের মুরগির মাংসের চাহিদা বাড়ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118871" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118871</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চীনের অভ্যন্তরে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং ব্যাপক উৎপাদনের জেরে দেশটির প্রাণিজ আমিষ ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ খাত এক অভাবনীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, বিশ্ববাজারে চীনা পণ্যের সয়লাব ঘটেছে এবং তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিকারক দেশগুলো। মুরগির মাংস থেকে শুরু করে দুগ্ধজাত পণ্য&mdash;সবক্ষেত্রেই চীনের সস্তা পণ্যের পদচারণায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

বিদেশি ক্রেতাদের আকর্ষণের কেন্দ্রে চীনা উইনটপ ফুড : চীনের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান &lsquo;উইনটপ ফুড&rsquo;-এর প্রধান কার্যালয় এখন বিদেশি ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। ঘানা, ইরাক, জর্ডান, রাশিয়া ও সেনেগালের মতো দেশগুলোর ক্রেতারা এখন চীনের মুরগির মাংসের প্রধান আমদানিকারক হয়ে উঠেছে।

কোম্পানিটির মহাব্যবস্থাপক ডাং ইয়াংইয়াংয়ের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। বর্তমানে বছরে প্রায় ছয় কোটি মুরগি প্রক্রিয়াজাত করে উইনটপ, যার উৎপাদিত মুরগির মাংস, নাগেট, মিটবল এবং ডাম্পলিংয়ের মতো হিমায়িত খাবার রপ্তানি হচ্ছে ২০টিরও বেশি দেশে। সংস্থাটির মোট আয়ের প্রায় অর্ধেকই আসে এই আন্তর্জাতিক বাজার থেকে।

দাম কম হওয়ার মূল রহস্য ও গুণগত মানের প্রশ্ন জয় : বিশ্ববাজারে চীনা পণ্যের এই রমরমা ব্যবসার মূল চাবিকাঠি হলো এর অবিশ্বাস্য কম দাম। ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় প্রতি টন মুরগির মাংসে প্রায় এক হাজার ডলার কম দাম অফার করছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো।



প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, অতীতে বিদেশি ক্রেতারা চীনা মাংসের মান ও স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে নানা সংশয়ে ভুগতেন। তবে বর্তমান বাজারমূল্যে বিশাল ব্যবধানের কারণে ক্রেতারা আর্থিক সাশ্রয়ের কথা ভেবে বাধ্য হয়েই চীনমুখী হচ্ছেন; নতুবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার বড় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও মাংস উৎপাদনের উল্লম্ফন : ঐতিহাসিকভাবে চীনের সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের প্রধান উৎস ছিল শূকরের মাংস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির জনগণের খাদ্যাভ্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে এবং শূকরের মাংসের চাহিদা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে চীনা উদ্যোক্তারা মুরগির মাংসের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এর পাশাপাশি চীনা খামারগুলোর আকার ও প্রযুক্তিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। উইনটপের একটি খামারের উদাহরণ দিলে দেখা যায়, যে খামারে অতীতে মাত্র ২০ হাজার মুরগি লালন-পালন করা হতো, সেখানে এখন একসঙ্গে ১ লাখ ২০ হাজার মুরগি পালন করা হয়।

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় মুরগির গড় ওজনও আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। চীনে সাধারণত মাত্র ৪২ দিন বা তার কম বয়সী মুরগি জবাইয়ের উপযোগী করা হয়, যা দ্রুত উৎপাদন নিশ্চিত করে।

পরিসংখ্যান বলছে, চীন গত ২০২৫ সালে প্রায় ২৬০ কোটি ডলার মূল্যের মুরগির মাংস রপ্তানি করেছে, যা ২০২০ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এর মাধ্যমে দেশটি বর্তমানে মুরগির মাংসের একটি নিট রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। শুধু মাংস নয়, দুগ্ধজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর দেশটির দুগ্ধজাত পণ্যের রপ্তানি ৬০ কোটি মার্কিন ডলারে গিয়ে ঠেকবে। বিশাল পরিসরে উৎপাদন ও কম উৎপাদন ব্যয়ের কারণেই চীনা কোম্পানিগুলো এই মূল্যসুবিধা ধরে রাখতে পারছে।

সরকারি ভর্তুকি ও অতিরিক্ত উৎপাদনের চাপ : চীনের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের এই অভূতপূর্ব প্রসারের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সরকারের প্রত্যক্ষ সহায়তা। ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশটির কৃষকরা তাদের মোট আয়ের প্রায় ১৩ শতাংশই বিভিন্ন ধরনের সরকারি ভর্তুকি বা সহায়তা হিসেবে পেয়েছেন। এর ফলে খামারিদের উৎপাদন সক্ষমতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।



তবে সমস্যা তৈরি হয়েছে অন্য জায়গায়। দেশের ভেতরের চাহিদা উৎপাদনের সেই উচ্চ হারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। ফলে উদ্বৃত্ত বা অতিরিক্ত পণ্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি বিদেশের বাজারে ডাম্পিংয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্য বিরোধের আশঙ্কা : চীনের এই সস্তা পণ্যের আগ্রাসনের কারণে থাইল্যান্ড ও জার্মানির মতো দেশের স্থানীয় উৎপাদকরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে চীন থেকে আমদানিকৃত হাঁসের মাংসের ওপর বাড়তি নজরদারি শুরু করেছে। পাশাপাশি, চীনের মটরশুঁটি আমদানিতে ৪১ থেকে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত চড়া শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

মাংসের পাশাপাশি শিশুখাদ্য তথা গুঁড়াদুধ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের বাজার দখল করতেও মরিয়া হয়ে উঠেছে চীনা কোম্পানিগুলো। উৎপাদন সক্ষমতা, সাশ্রয়ী মূল্য এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে পুঁজি করে তারা নিজেদের অবস্থান পোক্ত করছে।

তবে এই ক্রমবর্ধমান রপ্তানি আধিপত্য ভবিষ্যতে বড় ধরনের বাণিজ্যিক সংঘাতের জন্ম দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘকাল ধরেই চীনের কৃত্রিম শিল্পনীতি, অতিরিক্ত উৎপাদন এবং এর ফলে তৈরি হওয়া বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এর জেরে আগামী দিনে চীনা পণ্যের ওপর নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ বা শুল্কের খাঁড়া নেমে আসার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যকে আরও বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও জটিল করে তুলতে পারে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 15:21:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৭ সালে জাপানকে টপকে বিশ্বের চতুর্থ অর্থনীতি হবে ভারত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118864" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118864</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের পালাবদলের আভাস মিলছে। ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত ছাড়িয়ে যাবে অর্থনৈতিক পরাশক্তি জাপানকে। একই সময়ে পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি জাপানকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে উঠে আসতে পারে যুক্তরাজ্যও।

আইএমএফের সম্প্রতি প্রকাশিত &lsquo;ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক&rsquo; প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস।

জিডিপি র&zwj;্যাংকিংয়ে যে পরিবর্তন আসছে
আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ চিত্রটি নিম্নরূপ:

চলতি বছর (২০২৬): বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চতুর্থ অবস্থানে থাকবে জাপান (জিডিপি ৪ লাখ ৩৪ হাজার কোটি ডলার)। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের জিডিপি ৪ লাখ ২৭ হাজার কোটি ডলার এবং ভারতের অর্থনীতির আকার ৪ লাখ ৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।

আসন্ন বছর (২০২৭): দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন আসবে আগামী বছর। ২০২৭ সালে ভারতের জিডিপি উল্লম্ফন ঘটিয়ে ৪ লাখ ৫২ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে, যার ফলে দেশটি হবে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। পাশাপাশি ৪ লাখ ৪৯ হাজার কোটি ডলারের জিডিপি নিয়ে যুক্তরাজ্য পঞ্চম এবং ৪ লাখ ৪৭ হাজার কোটি ডলার নিয়ে জাপান ষষ্ঠ স্থানে নেমে যাবে।

জাপানের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণসমূহ
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৌড়ে জাপানের এই পেছনের সারিতে চলে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু গভীর কারণ রয়েছে:

মুদ্রার অবমূল্যায়ন: মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের মান ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে ডলারের হিসাবে দেশটির অর্থনীতির সামগ্রিক আকার সংকুচিত হচ্ছে।

ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ব্যয়: ইয়েনের দরপতন ও মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।

জনমিতিক চ্যালেঞ্জ ও ধীর প্রবৃদ্ধি: জাপানে বয়স্ক বা প্রবীণ জনগোষ্ঠীর দ্রুত বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির শ্লথ গতি দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন বিশ্লেষণে ২০২৯ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের জাপানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও আইএমএফের নতুন হিসাবে সেই সময়সীমা দুই বছর এগিয়ে এসেছে। তাছাড়া এর আগে ধারণা করা হয়েছিল ভারত হয়তো ২০২৫ সালেই জাপানকে পেছনে ফেলবে, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালে জার্মানির কাছে নিজেদের দীর্ঘদিনের ধরে রাখা তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির মুকুট হারায় টোকিও।

বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র ও ইতিবাচক দিক
সব চ্যালেঞ্জের মাঝেও জাপানি অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক বিষয়ের কথা জানিয়েছে আইএমএফ। গত এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচির ফলে জ্বালানির চড়া মূল্যের নেতিবাচক প্রভাব কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা দেশটির প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।

সামগ্রিকভাবে চলতি বছর বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে এবং ২০২৭ সালে তা সামান্য বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। তবে আইএমএফের গবেষণা বিভাগের প্রধান দেনিজ ইগান সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ব্যবধান ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Oct 2026 12:33:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০ হাজার টন চিনি ক্রয়ের অনুমোদন দিল সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118820" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118820</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজার চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পেশ করা দুটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে। চিনি কিনতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

আজ বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রী বর্তমানে থাইল্যান্ডে অবস্থান করায় তিনি অনলাইনে ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন। ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) পদ্ধতির মাধ্যমে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করে মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে এই চিনি সরবরাহের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অনুমোদিত সিদ্ধান্তের প্রথম ধাপ অনুযায়ী, মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ভ্যাট ও করসহ এই চালানে প্রতি কেজি চিনির দাম পড়ছে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। অন্যদিকে, একই প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বিতীয় প্রস্তাবে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যেখানে প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা (ভ্যাট ও করসহ)। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটিকে এই সমগ্র চিনি ৫০ কেজির বস্তাবন্দী করে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Oct 2026 11:54:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118763" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118763</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বাজুস। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

স্বর্ণের গহনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার গহনার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Oct 2026 07:54:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর ও মূল্যস্ফীতির ধাক্কায় নতুন করে চাপে দেশের অর্থনীতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118751" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118751</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান যৌথ বার্ষিক সভা উপলক্ষে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বেশ কিছু কঠিন বার্তা উঠে এসেছে। বিশ্ব অর্থনীতি যখন এক অনিশ্চিত ও পরিবর্তনশীল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির উচ্চ চাপ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির শ্লথ গতি নীতিপ্রণেতা ও সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং সার্বিক বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আইএমএফের পূর্বাভাস: জিডিপি কমবে, বাড়বে মূল্যস্ফীতির চাপ
আইএমএফের &lsquo;ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক&rsquo; প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২০২৬&ndash;২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নেমে যেতে পারে। এর আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৫&ndash;২৬ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশে এসে ঠেকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রবৃদ্ধি কমার এই আশঙ্কার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সংস্থাটি। ২০২৬&ndash;২৭ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা আগের অর্থবছরে (২০২৫&ndash;২৬) ছিল প্রায় ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বর মাসেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অর্থাৎ সামগ্রিক হিসাবে আগামী দিনে বাজারে জিনিসপত্রের দামের চাপ আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

তুলনার জন্য বৈচিত্র্যময় বৈশ্বিক পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি সামান্য বেড়ে ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং পরবর্তীতে ২০২৭ সালে তা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে। একই সময়ে বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতির হার ধীরে ধীরে কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসার কথা থাকলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ চিত্রটি এর উল্টো পথেই হাঁটছে।

বিশ্বব্যাংকের দৃষ্টিতে কাঠামোগত দুর্বলতা ও চ্যালেঞ্জসমূহ
বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত &lsquo;বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট&rsquo; (যার প্রতিপাদ্য ছিল&mdash; &lsquo;মেক সাবসিডিজ অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ওয়ার্ক বেটার ফর দ্য পুওর&rsquo;) প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতির বেশ কিছু মৌলিক দুর্বলতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিগুলো এখন বেশ জোরালো ধাক্কা খাচ্ছে:

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা: বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রত্যাশিত মাত্রায় না বাড়ায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ দিন দিন সীমিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে শিল্প উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধির গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

উৎপাদনে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট: জ্বালানি ও বিদ্যুতের অব্যাহত সংকটের কারণে কলকারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা সামগ্রিক সাপ্লাই চেইনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ব্যাংক খাতের অস্বস্তি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং মূলধন&ndash;ঘাটতির মতো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে।

সামাজিক সুরক্ষার সুষম বণ্টনের অভাব: বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সার ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে সরকার বিশাল অঙ্কের ভর্তুকি দিলেও এর প্রকৃত সুফল গরিব মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সচ্ছল পরিবারগুলো এই সুবিধার আওতায় চলে আসলেও প্রকৃত দরিদ্রতম বহু পরিবার বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে।

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের এই যৌথ মূল্যায়নগুলো প্রমাণ করে যে, কেবল প্রথাগত উপায়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সম্ভব নয়। দেশের অর্থনীতিকে এই দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে প্রতিবেদনগুলোতে কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:

আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো: ব্যাংক খাতের সুশাসন কঠোরভাবে নিশ্চিত করে খেলাপি ঋণ আদায় এবং মূলধন সংকট দূর করতে হবে।

লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা: সাধারণ ও অপরিকল্পিত ভর্তুকি ধীরে ধীরে কমিয়ে সেই অর্থ সরাসরি দরিদ্র, অসহায় ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যবহার করতে হবে।

রাজস্ব আয় বৃদ্ধি: করজাল সম্প্রসারণ এবং কর আদায়ে স্বচ্ছতা এনে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: শিল্প কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বাস্তবতায় নীতিনির্ধারক মহলে দূরদর্শী ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। সময়মতো প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করা না গেলে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও কমে যাবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Oct 2026 05:09:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118734" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118734</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস তাদের নাম ঘোষণা করে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান

অর্থনীতিতে মন্দা ও দ্রুত প্রবৃদ্ধির মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে রবার্ট ও মাইকেল গবেষণা সামষ্টিক অর্থনীতির বিশ্লেষণ এবং নীতিনির্ধারণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।

অর্থনৈতিক মন্দার সময় সাধারণত সুদের হার কমানো এবং সরকারি ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে বাজারে চাহিদা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। অন্যদিকে, অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়ানো ও সরকারি ব্যয় কমানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রায় এক শতাব্দী আগে জন মেনার্ড কেইনসের অর্থনৈতিক তত্ত্বের পর থেকেই এ ধরনের স্থিতিশীলতামূলক নীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে ১৯৭০-এর দশকে তেলসংকটের সময় প্রচলিত কেইনসীয় মডেলগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়। ওই সময় পশ্চিমা দেশগুলো নিম্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির মতো সমস্যার মুখোমুখি হয়। ফলে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত নীতিগুলোর সীমাবদ্ধতা নতুন করে আলোচনায় আসে।

সামষ্টিক অর্থনীতির মডেলে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

এই প্রেক্ষাপটে হল ও উডফোর্ড অর্থনৈতিক মডেলকে আরও বাস্তবসম্মত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাদের গবেষণায় মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন ও ভোগের মতো সামগ্রিক অর্থনৈতিক সূচকের পারস্পরিক সম্পর্কের পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তাদের প্রস্তাবিত মডেলগুলো ক্ষুদ্র অর্থনীতির নীতির সঙ্গে সামষ্টিক অর্থনীতির বিশ্লেষণকে যুক্ত করে। ফলে মানুষ কীভাবে সঞ্চয় করে, কতটা ব্যয় করে কিংবা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে&mdash;এসব সিদ্ধান্ত সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, তা আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হয়।

ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ

হল ও উডফোর্ডের গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শুধু বর্তমান পরিস্থিতি নয়, ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও বিবেচনা করে।

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়ে মানুষের প্রত্যাশাকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে ভোগ, বিনিয়োগ ও মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসে, যা শেষ পর্যন্ত অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে।

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের মতে, হল ও উডফোর্ডের গবেষণা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের ব্যবহৃত অর্থনৈতিক মডেলগুলোর জন্য শক্তিশালী তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি করেছে। জ্বালানির দামের আকস্মিক বৃদ্ধি কিংবা পরিবারের ভোগব্যয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় এসব মডেল নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করতে পারে।

গত বছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন তিনজন

২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। উদ্ভাবন কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নেয়, সে বিষয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তারা পুরস্কারটি অর্জন করেন।

নোবেল পুরস্কারের ইতিহাস ও প্রদানপ্রক্রিয়া

সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ডিনামাইটের আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ী ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে তিনি নিজের সম্পদ এ পুরস্কারের জন্য উৎসর্গ করেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। পরবর্তীকালে অর্থনীতিতে পুরস্কার যুক্ত হয়, যার অর্থায়ন করে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবছর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার বিজয়ীদের নির্বাচন করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার সুইডেনের স্টকহোমে প্রদান করা হয়। অন্যদিকে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় নরওয়ের রাজধানী অসলোতে।

সান নিউজ/হেনা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 10:34:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118728" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118728</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানি বন্ধ, কমিশন পুনর্নির্ধারণ এবং অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারে ছাড়ার দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশকেরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান।

তিনি বলেন, দুই দিনের কর্মসূচির পরও দাবি পূরণ না হলে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হবে।

সেলিম খান বলেন, বর্তমানে মাত্র ছয় থেকে সাতটি কোম্পানি সক্রিয় রয়েছে। ফলে সারাদেশে কয়েক লাখ গ্যাস সিলিন্ডার অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

তিনি সরকার বা এলপিজি কোম্পানিগুলোকে এসব সিলিন্ডারে গ্যাস ভরে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যেন ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে গ্যাস কিনতে পারেন।

পরিবেশকদের দাবি, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে এলপিজির দাম ঘোষণার পর কোম্পানিগুলো যেন নিজেরা দাম পরিবর্তন করতে না পারে। পরবর্তী সময়ে দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমেই করতে হবে।

এছাড়া, বাজারে পড়ে থাকা হাজার হাজার অব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার পুনরায় চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সমিতি। তাদের অভিযোগ, অনেক কোম্পানি কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। আবার কিছু কোম্পানি এলপিজি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছে না।

এদিকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক জরিমানা ও হয়রানির অভিযোগও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম খান জানান, সংবাদ সম্মেলন চলাকালে বিইআরসির চেয়ারম্যান তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় চেয়ারম্যান তাকে জানান, কমিশন ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করছে এবং শিগগির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 08:52:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পূজার ছুটিতেও ব্যাংক খোলা থাকবে যে যে স্থানে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118723" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118723</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটিতে দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে সব বন্দরের ব্যাংক। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া ছুটির সমন্বয়ে আগামী শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও দেশের সব ব্যাংক খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক লেনদেন চলবে।

রোববার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই দিন দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে সার্কুলারটি পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি থাকবে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সব মিলিয়ে টানা পাঁচদিন দেশের অধিকাংশ ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এ সময়ে দেশের সব স্থল, সমুদ্র ও বিমানবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। ছুটির দিনগুলোতে এসব ব্যাংকের কার্যক্রম চালু রাখার সময়সূচি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনার ফলে বন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা ছুটির মধ্যেও প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন। পাশাপাশি শনিবার দেশের সব ব্যাংক খোলা থাকায় গ্রাহকরা স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেনের সুযোগ পাবেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Oct 2026 08:11:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রবাসীদের ব্যাংকিং সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118613" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118613</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও সহজ করতে নন-রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট (এনআরসিটিএ) পরিচালনার নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে এখন থেকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের পাশাপাশি অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকেও এ ধরনের হিসাব খোলার সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা।

নতুন এ ব্যবস্থার ফলে বিদেশে বসবাস করেও দেশে টাকা জমা রাখা, দৈনন্দিন খরচ মেটানো, বিনিয়োগ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিদেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাবেন তারা।

পরিবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রবাসীরা এনআরসিটিএর আওতায় সঞ্চয়ী, চলতি ও মেয়াদি&mdash;এই তিন ধরনের হিসাব খুলতে পারবেন। বিদেশে অবস্থান করেও এসব হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।

এনআরসিটিএ হিসাবে বিদেশ থেকে ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউস ও মানি ট্রান্সফার অপারেটরের মাধ্যমে পাঠানো অর্থ জমা রাখা যাবে। এ ছাড়া প্রবাসীদের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব থেকে স্থানান্তর করা অর্থও এ হিসাবে জমা করার সুযোগ থাকবে।

হিসাবে জমা অর্থ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন খরচ মেটানোর পাশাপাশি অন্য ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর এবং অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করতে পারবেন হিসাবধারীরা। এমনকি এ হিসাবের অর্থ জামানত হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে, যার বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

নতুন নীতিমালায় অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তরের সুবিধার পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাঠানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। হিসাবের মূল জমার অর্থের সঙ্গে এর বিপরীতে অর্জিত সুদ বা মুনাফাও নির্ধারিত নিয়মে বিদেশে পাঠানো যাবে।

এদিকে, প্রবাসীদের ব্যাংকিং সেবা আরও গতিশীল করতে অনলাইনে হিসাব খোলা এবং ই-ব্যাংকিং ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে। ফলে বিদেশে বসেই হিসাব পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করা সহজ হবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এনআরসিটিএ পরিচালনার নিয়মে এ পরিবর্তনের ফলে প্রবাসীদের দেশে অর্থ ব্যবস্থাপনা আরও সুবিধাজনক হবে। পাশাপাশি বৈধ পথে প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনা, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের সুযোগও সম্প্রসারিত হবে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Oct 2026 06:48:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাড়লো ফার্নেস অয়েলের দাম ঘোষণা, রাত ১২টা থেকেই কার্যকর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/118195" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/118195</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম একলাফে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ফার্নেস অয়েলের লিটারপ্রতি নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম বুধবার রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হবে।

দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিইআরসির সচিব নজরুল ইসলাম সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গত ২২ ফেব্রুয়ারির আদেশ অনুযায়ী ২৯ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত ফার্নেস অয়েলের প্ল্যাটস রেটের গড় এবং চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আমদানিকৃত ক্রুড অয়েলের সিআইএফ মূল্যের ভিত্তিতে এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় বিইআরসি আইন, ২০০৩ এর ধারা ২২(খ) ও ৩৪ এ প্রদত্ত দায়িত্ব ও ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার সমন্বয় করা হলো।

এ আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

সাননিউজ/ বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 30 Sep 2026 12:03:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118120" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118120</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমেছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা।

স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 29 Sep 2026 06:31:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডালের বাজারে চাহিদা কম, বাড়ছে পরিবহন খরচ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118057" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/118057</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে বিভিন্ন ধরনের ডালের বেচাকেনায় কিছুটা ভাটা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ডালের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় আগের মতো বিক্রি হচ্ছে না। এর মধ্যে ডিজেলের দাম বাড়ায় দূরপাল্লার পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে। ফলে সামনে ডালের বাজারে বাড়তি দামের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার ঘুরে জানা গেছে, ভারতীয় চিকন মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৫২ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৮১ টাকা, মুগডাল ১১৫ টাকা, চনার ডাল ৯৭ টাকা এবং মটর ডাল ৫৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মান ও ধরনভেদে চুলা ডালের দাম কেজিপ্রতি ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯৪ টাকা।

ডাল ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও ক্রেতাদের চাহিদা কম। ফলে অনেক আড়তদারকে আগের তুলনায় কম পরিমাণে ডাল বিক্রি করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্য আনা-নেওয়ার খরচও বাড়ছে।

চাক্তাইয়ের মেসার্স গৌর নিতাই ভাণ্ডারের নয়ন সওদাগর বলেন, &lsquo;বাজারে ডালের চাহিদা খুবই কম। বেচাকেনা আগের মতো নেই। গত দুই-এক মাসের তুলনায় বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।&rsquo;

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্লাহ জাহেদী বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ার প্রভাব পরিবহন খরচে পড়েছে। শরীয়তপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যে গাড়িভাড়া আগে ২৫ হাজার টাকা ছিল, এখন সেখানে ৩৪ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। বাড়তি এই পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের ওপরই প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনে খরচ প্রায় ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। দূরবর্তী এলাকা থেকে ডালসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে আনার ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচের প্রভাব ধীরে ধীরে বাজারে পড়তে পারে।

চট্টগ্রাম ডাল মিল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বাবু সঞ্জয় দেব থোকন বলেন, বর্তমানে ডালের বাজারে চাহিদা কম। তবে পরিবহন ব্যয় বাড়লে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের খরচও বাড়বে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ডালের দামের ওপর পড়তে পারে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডালের দাম নির্ধারণে আমদানি মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, পরিবহন ব্যয় ও বাজারের চাহিদা&mdash;সবকিছুরই প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে চাহিদা কম থাকলেও পরিবহন ব্যয় বাড়তে থাকলে পাইকারি বাজারে এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 26 Sep 2026 06:55:13 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
