<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/sports</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/sports"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews sports Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest sports News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:40:42 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[হাসান মাহমুদের অগ্নিঝরা বোলিং, উইন্ডিজের ইনিংস থামল সাড়ে তিনশতে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119729" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119729</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট টেস্ট: এক নজরে দ্বিতীয় দিনের আপডেট


	
	ম্যাচ ও ভেন্যু: দ্বিতীয় টেস্ট, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
	
	
	তারিখ: ৫ - ৯ নভেম্বর, ২০২৬ (আজ দ্বিতীয় দিন, দ্বিতীয় সেশন)।
	
	
	ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস: ৩৫০ রান (হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ক্যারিবীয়রা অলআউট হয়)।
	
	
	মূল তারকা (বোলিং): হাসান মাহমুদ দুর্দান্ত বোলিং করে একাই শিকার করেছেন ৬টি উইকেট (ক্যারিয়ারের পঞ্চম বারের মতো ৫ উইকেট বা ততোধিক)।
	
	
	ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং: দলের বিপর্যয় সামলে একাই লড়াই করে দারুণ একটি সেঞ্চুরি তুলে নেন আমীর জাঙ্গু। এছাড়া কেভিন উইকহ্যাম করেন ১৪৫ বলে ৬১ রান।
	
	
	বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস: ২২/২ (১২.১ ওভার শেষে)। উইকেটে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১*) ও তাওহিদ হৃদয় (০*)।
	
	
	বর্তমান পরিস্থিতি: ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ থেকে বাংলাদেশ এখনো ৩৩৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে। রান রেট ১.৮৩।
	


 

 

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বল হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন হাসান মাহমুদ। তার বিধ্বংসী ও নিখুঁত বোলিং তোপে পড়ে প্রথম ইনিংসে বড় কোনো জুটি গড়ার সুযোগ পায়নি সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিয়ারে দারুণ এক মাইলফলক ছুঁয়ে এই পেসার একাই শিকার করেছেন ৬টি উইকেট। আর এর সুবাদেই তিনশ পেরিয়ে ৩৫৬ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত লাইন-লেংথ বজায় রেখে ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের চোখ রাঙাচ্ছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে একা হাতে লড়াই চালিয়ে যান আমীর জাঙ্গু। তার অনবদ্য ও দায়িত্বশীল সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই মূলত চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় অতিথি দলটি। এর আগে প্রথম দিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপের মুখে তারা খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না। তবে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে দলের হাল ধরেন কেভিন উইকহ্যাম ও আমীর জাঙ্গু। এই জুটি বেশ কিছুক্ষণ প্রতিরোধ গড়ে দলকে ভালো একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

টেকসই ব্যাটিংয়ে উইকহ্যাম ১৪৫ বল মোকাবিলা করে ৫টি দৃষ্টিনন্দন চারের সাহায্যে করেন মূল্যবান ৬১ রান। তাকে সাজঘরে ফিরিয়ে বিপজ্জনক এই জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন সেই হাসান মাহমুদই।

এদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস থেমে যাওয়ার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বেশ বিপাকে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে মাত্র ২২ রান যোগ করতেই হারিয়ে বসেছে ২টি মূল্যবান উইকেট। উইকেটে এখন প্রতিরোধ গড়ার কঠিন লড়াইয়ে আছেন ব্যাটাররা। সামনে বড় রানের পাহাড় জমে থাকায় টাইগারদের ব্যাটারদের জন্য প্রতিটি রান তোলা এখন অগ্নিপরীক্ষার সমান। সিলেট টেস্টের বাকি সময়গুলোতে স্বাগতিকরা কীভাবে এই চাপ সামাল দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়!


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:40:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাদমানের মারাত্মক চোট, হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত জোড়া আঘাত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119727" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119727</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনটিতে টাইগার শিবিরের জন্য মিশে আছে স্বস্তি আর গভীর উদ্বেগের এক অদ্ভুত অনুভূতি। একদিকে হাসান মাহমুদের আগুনে বোলিংয়ের সুবাদে উইন্ডিজ শিবিরের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামানোর ইঙ্গিত মিলেছে, অন্যদিকে ফিল্ডিং করতে গিয়ে মাঠে বাঁ পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলের নির্ভরযোগ্য ওপেনার সাদমান ইসলামকে। টেস্টের এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এই ইনজুরি নিঃসন্দেহে স্বাগতিক শিবিরকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

সকালে উইন্ডিজের রক্ষণে হাসানের জোড়া আঘাত : 

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে শুরু থেকেই দারুণ আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আগের দিন আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা নির্ধারিত সময়ের আগেই ইতি টানতে হলেও আজ ঠিক সময়েই শুরু হয় ব্যাট-বলের লড়াই। দিনের শুরুতেই টাইগার পেসার হাসান মাহমুদ নিজের গতি ও সুইংয়ের জাদু দেখিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ম্যাচের ৭৮তম ওভারে বল করতে এসে টানা দুই বলে দুই উইকেট শিকার করে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনেন।

প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান আমির জাঙ্গুকে এবং ঠিক পরের বলেই অভিজ্ঞ রস্টন চেজকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান এই তরুণ পেসার। এখানেই শেষ নয়, এর পরের বলে এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন করে হ্যাটট্রিকের তীব্র সম্ভাবনাও জাগিয়ে তুলেছিলেন হাসান। যদিও শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার বিশপ রিভিউ নিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে যান, তবে হাসানের এই দারুণ জোড়া সাফল্য দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮ উইকেটে ৩০৩ রান।

মাঠেই ছটফট, সাদমানের মর্মান্তিক বিদায় : 

সকালের সেশনে বল হাতে সাফল্য এলেও টাইগারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ওপেনার সাদমান ইসলামের চোট। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৭৮তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ সাইডে ফ্লিক করেছিলেন ব্যাটার আমির জাঙ্গু। বাউন্ডারির দিকে বিদ্যুৎগতিতে ছুটে গিয়ে নিচু হয়ে বলটি থামানোর চেষ্টা করেন সাদমান। ঠিক সেই মুহূর্তে তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মাটির সাথে অস্বাভাবিকভাবে আটকে যায়।

সঙ্গে সঙ্গে তীব্র যন্ত্রণায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার এবং যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন দলের ফিজিও। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সেই আঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, স্বাভাবিকভাবে মাঠ ছাড়ারও উপায় ছিল না। শেষ পর্যন্ত সহকর্মীদের সহায়তায় স্ট্রেচারে শুইয়ে অত্যন্ত বেদনাবিধুর অবস্থায় তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

টেস্টের বাকি পথ পাড়ি দেওয়া কতদূর কঠিন : 

সিলেট টেস্টের এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে হাসান মাহমুদের বোলিং নৈপুণ্য দলকে দারুণ জায়গায় নিয়ে এলেও, সাদমানের ইনজুরি দলের ব্যাটিং গভীরতাকে কিছুটা হলেও নড়বড়ে করে দিয়েছে। ওপেনিং ব্যাটারের এমন আকস্মিক ছিটকে যাওয়া এবং দলের সামগ্রিক পরিস্থিতি সামাল দিয়ে টাইগাররা শেষ পর্যন্ত ম্যাচে কতটা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Nov 2026 05:31:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানকে হারিয়ে সাফ মিশন শুরু ভারতের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119720" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119720</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারত বনাম পাকিস্তান সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচের মূল তথ্যগুলো এক নজরে দেখে নিন:


	
		
			
			বিষয়
			
			
			বিবরণ
			
		
	
	
		
			
			ম্যাচের ফল
			
			
			ভারত ৩ - ২ পাকিস্তান (রোমাঞ্চকর জয়ে সাফ মিশন শুরু ভারতের)
			
		
		
			
			ম্যাচের নায়ক
			
			
			সুহাইল আহমদ ভাট (২১ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ডের জোড়া গোল)
			
		
		
			
			ভারতের গোলসমূহ
			
			
			&bull; ১৩ মিনিট: সুহাইল আহমদ ভাট

			 

			&bull; ১৯ মিনিট: সুহাইল আহমদ ভাট

			 

			&bull; ৩১ মিনিট: কিপগেন
			
		
		
			
			পাকিস্তানের কামব্যাক
			
			
			অতিরিক্ত সময়ে নাজিব উল্লাহ (হেড) ও আলমগীর আলির ব্যাক-টু-ব্যাক দুই গোল (তবে জয় আটকাতে পারেনি)
			
		
		
			
			ম্যাচের বিশেষ মুহূর্ত
			
			
			মাঠে খেলোয়াড়দের সৌহার্দ্যপূর্ণ হ্যান্ডশেক ও পাকিস্তানের একটি পেনাল্টি মিসের হতাশা
			
		
	


 

 

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সবুজ গালিচায় বৈরিতা ভুলে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। ম্যাচের শুরুতে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করে মাঠের লড়াইয়ে নামলেও ৯০ মিনিটের রক্তগরম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হাসি ফুটেছে ভারতীয় শিবিরে। 

নিজেদের দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে মাঠে নেমেও প্রতিপক্ষকে রীতিমতো ঘাম ছুটিয়ে ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে ব্লু টাইগাররা। আর এই জয়ে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়ে দলের জয়ের নায়ক বনে গেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড সুহাইল আহমদ ভাট।

শুরু থেকেই ভারতীয় ঝড়ে দিশেহারা পাকিস্তান : 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের মহারণে শুরু থেকেই খাদের কিনারায় চলে যায় পাকিস্তানি রক্ষণভাগ। নয়বারের সাফ চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। ম্যাচের বয়স যখন মাত্র ১৩ মিনিট, তখনই গোলের বরফ ভাঙে ভারত। সতীর্থের বাড়ানো নিখুঁত আড়াআড়ি ক্রস থেকে চমৎকার শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে আনন্দে ভাসান সুহাইল। অবশ্য তার ঠিক এক মিনিট আগেই জালে বল পাঠিয়েছিলেন এই তরুণ, কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই যাত্রায় রক্ষা পায় পাকিস্তান। তবে বেশিক্ষণ ঠেকিয়ে রাখা যায়নি তাকে। 



১৯তম মিনিটে অভিষেক ধনঞ্জয়ার একটি নিখুঁত থ্রু পাস অফসাইডের ফন্দি ভেদ করে দারুণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পাকিস্তান গোলরক্ষক ইউসুফকে বোকা বানিয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়া পাকিস্তানি রক্ষণভাগ এরপর ৩১ মিনিটে ফের বড় ধাক্কা খায়। কিপগেনের জোরালো শট আটকাতে গোলপোস্ট ছেড়ে অনেকটা সামনে এগিয়ে এসেছিলেন গোলরক্ষক ইউসুফ, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি&mdash;তৃতীয় গোল হজম করে ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকে পড়ে পাকিস্তান। 

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান কমানোর মোক্ষম সুযোগ পেয়েছিল তারা, কিন্তু পেনাল্টি স্পট থেকে শায়েক দোস্তের দুর্বল শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে গেলে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে।

শেষ মুহূর্তের কামব্যাক ও পাকিস্তানের আক্ষেপ : 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তানি শিবির। রক্ষণ সামলে আক্রমণে ওঠার বহু চেষ্টা চালালেও ভারতীয়দের আঁটসাঁট ডিফেন্স ভেদ করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। পুরো ম্যাচ জুড়ে ভারতের আধিপত্য থাকলেও শেষ বাঁশির ঠিক আগমুহূর্তে দারুণ কিছু রোমাঞ্চ উপহার দেয় পাকিস্তান। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়ার উপক্রম হয়। 

ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে আলি রেজার নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান কমান নাজিব উল্লাহ। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই বক্সের ভেতর থেকে আলমগীর আলি আরও একটি চমৎকার গোল করে বসেন। হারের ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনার এই দুর্দান্ত লড়াই শেষ মুহূর্তে ভারতীয় শিবিরে কিছুটা হলেও কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছিল। 

তবে অতিরিক্ত সময়ের সেই ঝোড়ো আক্রমণ আর ঘুরে দাঁড়ানোর আকুতি শেষ পর্যন্ত শুধু পাকিস্তানের আক্ষেপই বাড়িয়েছে। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ভারত।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:46:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথম দিন শেষে জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ক্যারিবিয়ানরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119710" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119710</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

 

সিলেট টেস্টের এক ঝলক : 


	
		
			
			হাইলাইটসের বিষয়
			
			
			খেলার বিবরণ ও পরিসংখ্যান
			
		
	
	
		
			
			দিনের শেষ সংগ্রহ
			
			
			ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৩৫/৪ (৭০ ওভার শেষে, আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা সমাপ্ত)
			
		
		
			
			ব্যাটিং পারফরম্যান্স
			
			
			&bull; আমির জাঙ্গু: ১১১* রান (অপরাজিত, সেঞ্চুরিটি ছক্কা হাঁকিয়ে পূর্ণ)&lt;br&gt;&bull; জাস্টিন গ্রিভস: ২৬* রান (অপরাজিত)
			
		
		
			
			ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট
			
			
			শুরুতে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধসের মুখে পড়ার পর, জাঙ্গু ও উইকহামের ১২৭ রানের দুর্দান্ত জুটি
			
		
		
			
			বাংলাদেশের সফল বোলার
			
			
			&bull; হাসান মাহমুদ: ২ উইকেট&lt;br&gt;&bull; তাসকিন আহমেদ: ২ উইকেট
			
		
		
			
			বিশেষ ঘটনা ও বাধা
			
			
			দিনের শেষ সেশনে আলোকস্বল্পতার কারণে প্রায় ১ ঘণ্টা কম খেলা এবং চা বিরতির পর নাটকীয় ছক্কায় জাঙ্গুর সেঞ্চুরি পূর্ণ
			
		
	


 

 

 

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের শুরুতে টাইগার বোলারদের আগুনঝরা পেস আক্রমণে মাত্র ২৭ রানেই টুঁটি চেপে ধরেছিল স্বাগতিকরা। শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে মাত্র তিন উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছে ক্যারিবিয়ানরা।

আলো স্বল্পতার কারণে এদিন নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন আম্পায়াররা। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে ডাবল সেঞ্চুরির সুবাস ছড়ানো আমির জাঙ্গুর বীরত্বপূর্ণ সেঞ্চুরিতে এখন বড় সংগ্রহের সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে সফরকারী দল।

শুরুতেই ধস ও তাসকিন-হাসানের তাণ্ডব : 

টস জিতে উইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেজ প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও ম্যাচের শুরুটা মোটেও সুখকর হয়নি ক্যারিবীয়দের জন্য। বল হাতে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিলেন হাসান মাহমুদ। স্লিপে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন ওপেনার, কিন্তু দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে সেই ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি ফিল্ডার। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দুর্দান্ত এক গতি ও সুইংয়ে পরাস্ত করে ব্রেন্ডন কিংকে বোল্ড করেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

ঠিক পরের ওভারে আঘাত হানেন হাসান মাহমুদও; তার নিখুঁত স্কিড করা বলটি বুঝতে না পেরে সাজঘরে ফেরেন কেভম হজ। এরপর নবম ওভারে উইকেটকিপার ব্যাটার জশুয়া ডি সিলভাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার জোর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২৭ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ক্যারিবীয় শিবির তখন রীতিমতো কাঁপছিল।

জাঙ্গু ও উইকহামের ঐতিহাসিক প্রতিরোধে ঘুরে দাঁড়ানো : 

প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে উইকেটে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আমির জাঙ্গু ও কেভিন উইকহাম। বাংলাদেশি বোলারদের শত চেষ্টা আর আঁটসাঁট বোলিংকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই জুটি গড়ে তোলে ১২৭ রানের অবিস্মরণীয় এক প্রতিরোধ। প্রথম সেশনটা কোনো উইকেট না হারিয়েই পার করে দেয় সফরকারীরা।

লাঞ্চের পরেও তাদের এই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত কেভিন উইকহামকে (৬১ রান, ১৪৫ বল) বোল্ড করে এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। উইকহাম ফিরে গেলেও স্কোরবোর্ডের গতি কমতে দেননি ব্যাটাররা। চা বিরতির আগেই দলীয় সংগ্রহ ১৮০ রান পার করে ক্যারিবীয়রা।

নাটকীয় ছক্কায় জাঙ্গুর মহাকাব্যিক সেঞ্চুরি ও আলোকস্বল্পতার ইতি : 

চা বিরতির পর উইকেটে নেমে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও স্মরণীয় এক ইনিংস উপহার দেন আমির জাঙ্গু। চরম চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং করে মাত্র ১৪৯ বলেই নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি।

আর এই তিন অঙ্কে পৌঁছানোর মুহূর্তটি ছিল দারুণ নাটকীয়&mdash;স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলকে এক্সট্রা কাভার দিয়ে সীমানার বাইরে আছড়ে ফেলে ছক্কার সাহায্যে সেঞ্চুরি উদ্&zwnj;যাপন করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

দিনের শেষ সেশনে খেলা হয়েছে মোটে ১৫ ওভার। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে একবার আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হয়। আধা ঘণ্টা বিরতির পর পুনরায় খেলা গড়ালেও মাত্র ৫ ওভার মাঠে গড়ায়। এর পরই আম্পায়াররা আলোর স্বল্পতার জন্য দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

শেষ সেশনে একটি উইকেটও হারাতে না দিয়ে আরও ৫৫ রান যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম দিন শেষে ১১১ রানের অনবদ্য ও লড়াকু ইনিংস খেলে অপরাজিত রয়েছেন আমির জাঙ্গু, আর তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়ে ২৬ রান নিয়ে ক্রিজে টিকে আছেন জাস্টিন গ্রিভস। বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দিনে দুটি করে উইকেট শিকার করে সফল বোলার হিসেবে নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:23:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় ভারত-পাকিস্তান মহারণ, সাফের গ্যালারি ফাঁকা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119702" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119702</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক ঝলক 


	
		
			
			দিক
			
			
			বর্তমান পরিস্থিতি ও চিত্র
			
		
	
	
		
			
			টুর্নামেন্টের শুরু
			
			
			আজ পর্দা উঠছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের
			
		
		
			
			উদ্বোধনী দিনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ
			
			
			&bull; দুপুর সাড়ে ৩টা: ভারত বনাম পাকিস্তান (চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লড়াই)

			 

			&bull; দ্বিতীয় ম্যাচ: বাংলাদেশ বনাম ভুটান (স্বাগতিকদের ম্যাচ)
			
		
		
			
			স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা
			
			
			জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি লাল ও ধূসর রঙের খালি চেয়ারে পূর্ণ; প্রবেশপথে নেই কোনো চিরচেনা ভিড় বা উন্মাদনা
			
		
		
			
			দর্শকহীনতার মূল কারণ
			
			
			সর্বনিম্ন টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় সাধারণ দর্শক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এবং স্টেডিয়ামে অনীহা
			
		
		
			
			সমর্থকদের আশঙ্কা
			
			
			টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের স্টেডিয়াম থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে কি না&mdash;সেই প্রশ্ন জোরালো হয়েছে
			
		
		
			
			সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি/ঘাটতি
			
			
			মাঠ প্রস্তুত থাকলেও ফুটবলের আসল প্রাণ &#39;দর্শক&#39; এর চরম অনুপস্থিতি পুরো আয়োজনকে ফিকে করে দিয়েছে
			
		
	


 

 

উত্তেজনা আর রোমাঞ্চে ভরপুর এক টুর্নামেন্টের পর্দা ওঠার কথা থাকলেও উদ্বোধনী দিনেই অদ্ভুত এক নীরবতায় ঢেকে গেছে দেশের প্রধান ফুটবল স্টেডিয়াম। মাঠের সবুজ গালিচা, সাজানো ডাগআউট আর চকচকে ফ্লাডলাইট প্রস্তুত থাকলেও সেখানে অনুপস্থিত সবচেয়ে বড় উপাদান&mdash;দর্শক। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান মহারণ কিংবা স্বাগতিক বাংলাদেশের ম্যাচ&mdash;কোনো কিছুতেই যেন স্টেডিয়ামে পা পড়ছে না ফুটবলপ্রেমীদের। চারপাশের এমন সুনসান নীরবতা আর হাজার হাজার খালি চেয়ার ফুটিয়ে তুলছে এক কঠিন বাস্তবতাকে।

মহারণের উত্তাপ উধাও, গ্যালারিজুড়ে শূন্যতার হাহাকার : 

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মতো হাই-ভোল্টেজ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারত ও পাকিস্তানের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াই দেখার জন্য যেখানে কানায় কানায় পূর্ণ থাকার কথা স্টেডিয়াম, সেখানে চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রবেশপথগুলোতে নেই চেনা সেই উপচে পড়া ভিড়, নেই সমর্থকদের কোনো আনন্দমিছিল বা হর্ষধ্বনি।

গ্যালারির লাল ও ধূসর রঙের চেয়ারগুলো দীর্ঘশ্বাস ফেলছে যেন দর্শকের অভাবে। অথচ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই তো বাড়তি উন্মাদনা ও শিহরণ। কিন্তু উদ্বোধনী দিনে সেই চিরচেনা উন্মাদনার ছিটেফোঁটাও খুঁজে পাওয়া গেল না স্টেডিয়াম চত্বরে।

টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, ফুটবলপ্রেমীদের স্টেডিয়াম থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার কৌশল : 

ফুটবলপিপাসু সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের এই হতাশার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে টিকিটের চড়া মূল্যকে। সর্বনিম্ন টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করায় কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সমর্থকদের মনে চরম ক্ষোভের আগুন জ্বলছিল।

সাধারণ দর্শক ও বিভিন্ন সাপোর্টার গ্রুপ আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে, এত বেশি মূল্য দিয়ে টিকিট কেনা নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত বা সাধারণ ছাত্রদের মতো ফুটবলপ্রেমীদের পক্ষে অসম্ভব। শেষ পর্যন্ত তাদের সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। টিকিটের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় স্টেডিয়ামের দরজা থেকেই ফিরে গেছেন হাজারো সমর্থক। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, আকাশছোঁয়া দাম কি তবে পরিকল্পিতভাবেই গ্যালারি থেকে আসল প্রাণ&mdash;অর্থাৎ দর্শকদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছে?

বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ, গ্যালারির চিত্র কি বদলাবে : 

দিনের দ্বিতীয় হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে কোচ থমাস ডুলির শিষ্যদের প্রতিপক্ষ ভুটান। স্বাগতিক দল মাঠে নামলে হয়তো গ্যালারির এই বিবর্ণ চিত্র খানিকটা হলেও বদলাবে&mdash;এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে টিকিটের অগ্নিমূল্যের বাধা পেরিয়ে সাধারণ দর্শকরা শেষ পর্যন্ত গ্যালারিতে এসে প্রিয় দলকে সমর্থন জোগাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনও রয়েছে বড় সংশয়।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও ফাঁকা গ্যালারির দিকে তাকালে সাফ ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে দর্শকের বড় বেশি অনুপস্থিতিই বারবার চোখে পড়ছে।

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 09:54:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টাইগারদের বাউন্সার সামলে  উইন্ডিজকে টিকিয়ে রেখেছেন জ্যাঙ্গু ও উইকহাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119700" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119700</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 


	
		
			
			বিভাগ
			
			
			বিবরণ
			
		
	
	
		
			
			দল ও সংগ্রহ
			
			
			ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮৪/৪ (৫৫ ওভার শেষে)
			
		
		
			
			রান রেট (CRR)
			
			
			৩.২৭
			
		
		
			
			ক্রিজে অপরাজিত ব্যাটার
			
			
			&bull; আমির জ্যাঙ্গু: ৭৬ (১২৪ বল, ৭x৪, ১x৬)

			 

			&bull; জাস্টিন গ্রেইভস: ১৬ (১৯ বল, ২x৪)
			
		
		
			
			মূল জুটি ও পারফর্মার
			
			
			কেভিন উইকহাম: ৬১ (১৪৫ বল, ৫x৪) &mdash; লড়াকু ফিফটি ও চমৎকার প্রতিরোধ
			
		
		
			
			বাংলাদেশের সফল বোলার
			
			
			হাসান মাহমুদ: ১৪ ওভার, ১ মেডেন, ৫৮ রান, ২ উইকেট
			
		
		
			
			ম্যাচের হাইলাইট
			
			
			হাসান মাহমুদের বাউন্সার ও পেস আক্রমণ সামলে উইন্ডিজ ব্যাটারদের ধৈর্যশীল ও দারুণ প্রতিরোধ।
			
		
	


 

টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের আগুনঝরা পেস আর দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণ সামলে উইকেটে টিকে থাকা এক কঠিন পরীক্ষা। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার চলমান টেস্ট ম্যাচেও ঠিক তেমনই এক রোমাঞ্চকর দৃশ্যপট দেখা গেল। একদিকে টাইগার বোলারদের নাছোড়বান্দা বোলিং আক্রমণ, অন্যদিকে উইন্ডিজ ব্যাটারদের ধৈর্য ও দৃঢ়তার লড়াকু মানসিকতা&mdash; ম্যাচের এই সেশনে দর্শকদের চোখ আটকে ছিল ২২ গজের উইকেটে।

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচের লড়াই বেশ জমে উঠেছে। সিলেটে ম্যাচের ঠিক এমন সময়ে ক্যারিবিয়ানরা কিছুটা চাপ সামলে বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বল হাতে বাংলাদেশি বোলাররা দারুণ চেষ্টা চালালেও, উইন্ডিজের ব্যাটাররা দেখেশুনে সাবধানে রান তুলে যাচ্ছেন।

উইকহাম ও জ্যাঙ্গুর দারুণ জুটি : 

দলীয় স্কোরে বিপর্যয় সামাল দিতে দলের হাল ধরেন অভিষিক্ত কেভিন উইকহাম এবং আমির জ্যাঙ্গু। উইকহাম অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দুর্দান্ত একটি ফিফটি তুলে নেন। তিনি ১৪৫ বল খেলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬১ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন।

তবে শেষ পর্যন্ত হাসান মাহমুদের একটি দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। তার এই ইনিংসটি দলের জন্য দারুণ এক স্বস্তি নিয়ে এসেছিল।

অন্যদিকে, উইকেটের এক প্রান্তে উইন্ডিজকে আগলে রেখেছেন আমির জ্যাঙ্গু। তিনি একদম থিতু হয়ে খেলছেন এবং দলের ইনিংসকে বড় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১২৪ বল খেলে ৭টি চার এবং ১টি ছক্কার সাহায্যে ইতিমধ্যেই ৭৬ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। তাকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন নতুন ব্যাটার জাস্টিন গ্রেইভসও।

বাংলাদেশের পেসারদের শর্ট বলের কৌশল ও বোলিং আক্রমণ : 

বাংলাদেশের বোলাররা উইকেটের খোঁজে বেশ আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নেন। বিশেষ করে পেসার হাসান মাহমুদ বেশ কিছু শর্ট বল ও বাউন্সার করে ব্যাটারদের পরীক্ষা নেন। হাসানের একটি বাউন্সার গিয়ে সরাসরি উইকহামের গ্লাভসে লাগে এবং তিনি কিছুটা ব্যথাসীনও হন। তবে এসব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উইন্ডিজ ব্যাটাররা নিজেদের উইকেটে টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যান।

হাসান মাহমুদ দারুণ বোলিং করে ১৪ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেছেন। তার করা নিখুঁত ও গতিময় ওভারগুলো বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজও বেশ আঁটসাঁট বোলিং করে রান আটকে রাখার চেষ্টা করেছেন।

৫৫ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৮০ রান। তাদের রান রেট ৩.২৭। চা বিরতির ঠিক আগের সময়টিতে ক্রিজে রয়েছেন আমির জ্যাঙ্গু (৭৬) এবং জাস্টিন গ্রেইভস (১৬)। বাংলাদেশ দল দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও উইন্ডিজের এই জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পক্ষে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ৫৫ ওভারে ১৮৪/৪ (জাঙ্গু ৭৬*, উইকহ্যাম ৬১, গ্রিভস ১৬*, জশুয়া ১২, কিং ৯;

তাসকিন ২/৫২, হাসান ২/৫৮, মিরাজ ০/২৬, তাইজুল ০/২৬, নাঈম ০/১৭)।

 

 

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 08:53:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রচারণার অভাবে ঢাকাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে সাফের জৌলুস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119683" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: আয়োজন ও বাস্তবতার চিত্র

📊 সাফ টুর্নামেন্ট: প্রত্যাশা বনাম বাস্তবতা


	
		
			ক্ষেত্র
			বর্তমান চিত্র
			মূল সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ
		
	
	
		
			
			প্রচার ও উন্মাদনা
			
			
			শহরজুড়ে নেই কোনো ব্যানার-বিলবোর্ড
			
			
			বিগত আসরগুলোর মতো নেই কোনো উৎসবের আমেজ
			
		
		
			
			ব্যবস্থাপনা
			
			
			সাফ সচিবালয় ও বাফুফের যৌথ দায়িত্ব
			
			
			দুই সংস্থার চরম সমন্বয়হীনতা ও তথ্যের ঘাটতি
			
		
		
			
			মিডিয়া ভোগান্তি
			
			
			দলগুলোর সূচি ও ছবি পেতে হিমশিম
			
			
			পারিশ্রমিক নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ছবি পাঠাতে অপারগতা
			
		
		
			
			দলের লক্ষ্য
			
			
			২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর মিশন
			
			
			টানা ছয় দিন দল গোপনীয়তায় থাকায় ধোঁয়াশা
			
		
	


 

 

 

দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাকর ও উৎসবমুখর আসর &lsquo;সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ&rsquo; মাঠে গরাতে আর মোটে একদিনও বাকি নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই রাজধানী ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া এই ছয় জাতির মহাযুদ্ধকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মনে বাঁধভাঙা উল্লাস থাকার কথা থাকলেও, বাস্তবে পুরো চিত্রটি এক্কেবারে উল্টো। 

টুর্নামেন্ট শুরুর এই অন্তিম মুহূর্তেও ঢাকা শহরের অলিগলি কিংবা স্টেডিয়ামের চারপাশ দেখে বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় নেই যে বংলাদেশের মাটিতে এত বড় একটি আঞ্চলিক ফুটবলের মহাযুদ্ধ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতীতে ২০০৩, ২০০৯ কিংবা ২০১৮ সালের সাফ টুর্নামেন্টগুলোতে বাফুফের বর্ণিল সাজসজ্জা, শহরজুড়ে বিশালাকার বিলবোর্ড ও রঙিন ব্যানারের যে জোয়ার দেখা যেত, তার লেশমাত্রও এবার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

উদ্বোধনী দিনের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান, আর স্বাগতিক বাংলাদেশ লড়বে ভুটানের বিপক্ষে। অথচ এমন একটি হাই-ভোল্টেজ ও আকর্ষণের টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে পুরো স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ কিংবা শহরের রাজপথে সাফের কোনো প্রচারণার ছিটেফোঁটাও চোখে পড়ছে না।

সাফ ও বাফুফের সমন্বয়হীনতার চোরাবালিতে মিডিয়া ও লজিস্টিকস

এবারের মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল দায়িত্বে রয়েছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) সচিবালয়, আর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কেবল লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুই সংস্থার মধ্যকার চরম সমন্বয়হীনতার কারণে শুরু থেকেই হোঁচট খাচ্ছে পুরো ব্যবস্থাপনা। 

মালদ্বীপ বাদে ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ভারত ও পাকিস্তানের দলগুলো ইতোমধ্যে ঢাকায় পা রাখলেও, তাদের আগমনী মুহূর্তের কোনো ছবি বা প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো সংবাদকর্মীদের হাতে পৌঁছাতে পারেনি আয়োজকরা। দলগুলোর অনুশীলনের ভেন্যু ও নির্দিষ্ট সময়সূচির মতো জরুরি তথ্যও জানানো হচ্ছে অনুশীলনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে।

এমনকি বাফুফের এক ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা সাফের ওপর দায় চাপিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সাফের পক্ষ থেকে পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না বলেই তাদের নিজস্ব ফটোগ্রাফারদের পাঠিয়ে এই সংবাদ সংগ্রহের কাজ করানো সম্ভব হয়নি। 

অন্যদিকে, বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল দুই সংস্থার মধ্যে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা বিভ্রান্তি না থাকার দাবি করলেও প্রচারণার এই চরম খরা নিয়ে নিজের হতাশা ঢাকতে পারেননি। গণমাধ্যমকে তিনি জানান যে, সাফের এই আয়োজন নিয়ে তিনিও হতাশ এবং যেমন উন্মাদনা তাঁরা আশা করেছিলেন, তা এখনো দৃশ্যমান নয়। তবে টুর্নামেন্ট গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনার পারদ চড়বে বলেই তার বিশ্বাস।


২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটাতে মরিয়া বাংলাদেশ ও চড়া দামের টিকিট বিতর্ক

আয়োজন নিয়ে যতই অব্যবস্থাপনা আর প্রচারণার ঘাটতি থাকুক না কেন, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে চলে আসা সাফের ট্রফি খরা এবার ঘুচিয়ে দেওয়ার তীব্র বাসনা নিয়ে মাঠে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 

যদিও টুর্নামেন্টের ঠিক আগে টানা ছয় দিন জাতীয় দলকে কঠোর গোপনীয়তায় গণমাধ্যম থেকে দূরে রাখা হয়েছিল, তবুও দলের সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে বেশ আশাবাদী বাফুফে সভাপতি। তার মতে, ২০০৩ সালের সোনালী স্মৃতির পর থেকে ট্রফি জয়ের জন্য বারবার চেষ্টা চালিয়েও ভাগ্য সহায় হয়নি, তবে এবার দলের ফুটবলারদের মধ্যে বিজয়ের যে মানসিকতা রয়েছে, তাতে প্রথম ম্যাচ থেকেই তার প্রতিফলন ঘটবে মাঠে।

এদিকে টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ দর্শকদের মনে ক্ষোভ থাকলেও খেলা শুরু হলে স্টেডিয়ামের গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করছে বাফুফে। তবে মাঠের বাইরে প্রচারণার খরা এবং আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা যেভাবে এই টুর্নামেন্টের গায়ে প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে দিয়েছে, তা কাটিয়ে খেলোয়াড়েরা মাঠের ফুটবলে কতটা আলো ছড়াতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়!


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Nov 2026 13:02:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শান্তকে তিন নম্বরে চান সিমন্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119675" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119675</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[╔══════════════════════════════════════════════════════════════════════════╗
║  🏏 সিলেট টেস্টের আগে বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড সংকট  ║
╚══════════════════════════════════════════════════════════════════════════╝

[ বড় ধাক্কা ও শূন্যতা ]
&bull; ইনজুরির কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট থেকে ছিটকে
গেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক।
&bull; তিন নম্বর পজিশনে তার দীর্ঘদিনের নির্ভরতা হারানোয় বড় সংকটে টিম ম্যানেজমেন্ট।

[ ব্যাটিং অর্ডারে সম্ভাব্য রদবদল ]
&bull; প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানিয়েছেন, মুমিনুলের শূন্যতা পূরণে খোদ অধিনায়ক
নাজমুল হোসেন শান্তকে তিন নম্বরে ব্যাট করতে দেখা যেতে পারে।
&bull; মিরপুর টেস্টে ৮ উইকেটের লজ্জাজনক হার ও ব্যাটিং বিপর্যয়ের ক্ষত কাটিয়ে
উঠতে এই পরিবর্তন আনছে দল।

[ নতুন মুখ ও স্কোয়াড পরিস্থিতি ]
&bull; মুমিনুলের বদলি হিসেবে জাতীয় লিগে সদ্য ডাবল সেঞ্চুরি করা তরুণ ব্যাটার
অমিত হাসানকে দলে ডাকা হয়েছে।
&bull; তবে হুট করে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় অমিতের একাদশে খেলার সম্ভাবনা কম।

──────────────────────────────────────────────────────────────────────────
মূল বার্তা: সিরিজ বাঁচানোর শেষ লড়াইয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সিলেট
স্টেডিয়ামে মাঠে নামছে বাংলাদেশ; ঘুরে দাঁড়াতে ব্যাটারদের দায়িত্ব নিতেই হবে।
──────────────────────────────────────────────────────────────────────────

 

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য সময়টা যে মোটেও ভালো যাচ্ছে না, তার প্রমাণ মিলছে একে একে উইকেটে দলের ব্যাটিং বিপর্যয় ও অভিজ্ঞ তারকাদের ইনজুরিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগামীকাল বাঁচা-মরার দ্বিতীয় টেস্টের প্রাক্কালে বড় ধরনের এক সংকটের মুখে পড়েছে টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের অন্যতম ভরসা ও পরীক্ষিত ব্যাটার মুমিনুল হক ইনজুরির কারণে স্কোয়াড থেকে ছিটকে যাওয়ায় টপ অর্ডারে তৈরি হয়েছে বিশাল এক শূন্যতা। এই সংকট কাটাতে ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সিলেটের মনোরম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও ক্যারিবীয়দের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি মাঠে গড়াচ্ছে। এর আগে মিরুপুরের উদ্বোধনী টেস্টে স্পিন বিষে নীল হয়ে এবং চরম ব্যাটিং ধসের কবলে পড়ে ৮ উইকেটের লজ্জাজনক হার দেখতে হয়েছিল স্বাগতিকদের। সেই ক্ষত না শুকাতেই এবার তিন নম্বর পজিশনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সেনানী মুমিনুলকে হারিয়ে নতুন ছক কষতে হচ্ছে কোচকে।

তিনে নামছেন খোদ অধিনায়ক শান্ত!


মুমিনুলের অনুপস্থিতিতে ওই পজিশনে কে ব্যাট করবেন&mdash;ক্রিকেটপ্রেমীদের এই কৌতূহলী প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন কোচ ফিল সিমন্স। ম্যাচপূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি খোলাসা করে বলেন যে, ব্যাটিং অর্ডারে রদবদল আসার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি এবং খুব সম্ভবত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকেই তিন নম্বর পজিশনে নেমে দলের হাল ধরতে হবে।

পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, টেস্ট ক্যারিয়ারের শুরুর দিক থেকেই তিন ও চার নম্বর পজিশন দুটি শান্তর বেশ চেনা। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তিনি চার নম্বরে ব্যাট করছিলেন, তবুও দলের প্রয়োজনে পুরোনো পজিশনেই তাকে পুনরায় দায়িত্ব নিতে হতে পারে।

অমিত হাসানের অভিষেক নিয়ে ধোঁয়াশা ও দলের প্রস্তুতি


এদিকে, মুমিনুলের ছিটকে যাওয়ার বদলি হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট লিগে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এবং সদ্য একটি চোখ জুড়ানো ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো তরুণ ব্যাটার অমিত হাসানকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মূল একাদশে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা নেই বলেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কোচ সিমন্স। তার মতে, অমিত মাত্রই দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তাছাড়া বদলি খেলোয়াড় হিসেবে আসায় তাকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের প্রাথমিক তালিকায় নেই।

মিরপুরের পিচে ব্যাটারদের শোচনীয় ব্যর্থতার পর কোচ সিমন্স খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা ও উইকেটে দাঁড়িয়ে লড়াই করার তাগিদ দিয়েছেন। অনুশীলনে ঘাম ঝরালেও মাঠে তার সুফল কেন মিলছে না, তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান যে, পরিশ্রমের যথাযথ প্রতিফলন মাঠের পারফরম্যান্সে ফুটিয়ে তুলতেই হবে।

সিরিজ বাঁচাতে এবং সমতা ফিরিয়ে মান বাঁচানোর লড়াইয়ে সিলেটের মাঠে নামার আগে এই ব্যাটিং রদবদল কদর কতখানি বাড়াবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। অধিনায়ক শান্ত কি পারবেন মুমিনুলের খালি করা উইকেটে দাঁড়িয়ে এক অবিস্মরণীয় ইনিংস উপহার দিতে? উত্তর মিলবে বাইশ গজের মহারণেই।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Nov 2026 10:47:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানির অভিযোগ পর্যালোচনায় বিসিবির পদক্ষেপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119665" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119665</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে: বিসিবির নারী ক্রিকেটারদের সুরক্ষা কমিটি

 


	
	উদ্যোগ: নারী ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যৌন হয়রানির অভিযোগ গ্রহণ ও পর্যালোচনার জন্য স্বাধীন কমিটি গঠন।
	
	
	নেতৃত্ব: সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
	
	
	কমিটির অন্যান্য সদস্য: ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার অনিতা গাজী রহমান, জারিন মাহমুদ হোসেন এবং খুব শীঘ্রই যুক্ত হবেন একজন সাবেক নারী ক্রিকেটার।
	
	
	সচিব: চন্দ্রা ব্যানার্জি।
	
	
	নিরপেক্ষতা: বিসিবির অভ্যন্তরীণ প্রভাব বা স্বার্থের সংঘাত এড়াতে কমিটিতে বোর্ডের সরাসরি সম্পৃক্ত কাউকে রাখা হয়নি।
	
	
	পটভূমি: গত বছর সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমসহ বেশ কয়েকজন নারী ক্রিকেটারের পক্ষ থেকে যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর গঠিত রুবাবা দৌলার তদন্ত কমিটির সুপারিশ ও হাইকোর্টের ২০০৯ সালের নির্দেশনার আলোকেই এই সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
	


 

 

 

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ ও অস্বস্তির মেঘ কেটে এক বড় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের সূচনা হলো। নারী ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং অস্বস্তিকর পরিস্থিতির নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে অবশেষে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

পাঁচ সদস্যের এই বিশেষ প্যানেলের নেতৃত্বে থাকছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, যা ক্রীড়াঙ্গনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আজ বুধবার বিসিবির নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিরপেক্ষতা রক্ষায় বোর্ডের বাইরের যোগ্য মুখেরা কমিটিতে : 


নারী ক্রিকেটাররা যেন কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ চাপ বা ভীতি ছাড়াই তাদের অভিযোগ নির্ভয়ে জমা দিতে পারেন, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই কমিটিতে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়েছে। প্যানেলে বিসিবির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোনো অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাকে রাখা হয়নি, যাতে স্বার্থের সংঘাতের কোনো সুযোগ না থাকে।

কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার অনিতা গাজী রহমান এবং জারিন মাহমুদ হোসেন।

পাশাপাশি, নারী ক্রিকেটারদের মনস্তত্ত্ব ও মাঠের বাস্তবতার কথা ভেবে কমিটিতে একজন সাবেক নারী ক্রিকেটারকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও তার নাম এখনো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, পুরো প্যানেলের সচিব হিসেবে সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন চন্দ্রা ব্যানার্জি।

যে প্রেক্ষাপটে এলো এই সাহসী সিদ্ধান্ত : 


গত বছর নারী ক্রিকেটের অন্দরে যৌন নির্যাতনের বিস্ফোরক কিছু অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে, জাতীয় নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের পক্ষ থেকে দলের ম্যানেজমেন্টের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তোলার পর বিষয়টি তীব্র রূপ নেয়।

পরবর্তীতে একে একে আরও বেশ কজন নারী ক্রিকেটার ও দলের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জনসমক্ষে নিয়ে আসেন।

সেই সময় এই ন্যক্কারজনক ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে রুবাবা দৌলার নেতৃত্বে একটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। ওই তদন্ত কমিটির দীর্ঘ পর্যালোচনার পর বেশ কিছু কঠোর সুপারিশ পেশ করা হয়েছিল, যার অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল বিসিবি বোর্ডের সরাসরি আওতার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য একটি স্বতন্ত্র বডি বা কমিটি তৈরি করা।

২০০৯ সালে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশনার আলোকে অবশেষে সেই কাঠামোগত প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ঘটাল দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।

নতুন কমিটির ওপর প্রত্যাশা কতটা : 


বিশ্লেষক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, বিসিবির এই স্বাধীন কমিটি গঠনের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের একটি বড় আস্থার সংকট দূর হতে চলেছে। এতদিন প্রভাবশালী মহলের ভয়ে কিংবা অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে অনেক নারী খেলোয়াড় মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। এখন নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম তৈরি হওয়ায় নারী ক্রিকেটাররা তাদের সম্মানহানি বা হয়রানির বিরুদ্ধে যেকোনো অন্যায় আচরণের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিকার পাবেন বলে জোরালো প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Nov 2026 09:34:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেনায় ডুবছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119640" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119640</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক ঝলকে এআইএফএফের আর্থিক সংকট

🖊️ ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে গিয়ে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ কোটি রুপি লোকসান এবং ৩০-৪০ কোটি রুপি দেনায় পড়েছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন।

 

🖊️ নির্ধারিত সময়ে ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

🖊️ এই ঘাটতি মেটাতে ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে স্থায়ী আমানত (এফডি) ভেঙে ফেলার প্রস্তাব দিয়েছেন।

 

🖊️ সভাপতির প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে সহসভাপতি এন এ হ্যারিসসহ অধিকাংশ সদস্য জানিয়েছেন, এতে ঘরোয়া ফুটবল ও সন্তোষ ট্রফির ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।

 

🖊️ ম্যাচ আয়োজনে নিজস্ব তহবিল থেকে এক টাকাও খরচ হবে না&mdash;এমন আগের আশ্বাসের বিপরীতে এখন কোষাগার শূন্য হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

 

 

বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং পানামার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে হাই-প্রোফাইল আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে গিয়ে নজিরবিহীন ও চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। মাঠের খেলায় স্বাগতিক ভারত কিছুটা প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হলেও, পর্দার আড়ালের চিত্রটি অত্যন্ত ভয়াবহ। 

জানা গেছে, এই তিনটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে গিয়ে ভারতীয় ফুটবল সংস্থাকে গুনতে হয়েছে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ কোটি ভারতীয় রুপির বিশাল অংকের লোকসান। যার ফলে বর্তমানে সর্বমোট দেনার পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি রুপিতে। এমন ভয়াবহ আর্থিক বিপর্যয় সামাল দিতে গিয়ে এখন ফেডারেশনের অন্দরেই শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল ও তুমুল হট্টগোল।

খেলার মাঠে ওই তিন দেশের মোকাবিলা করার পর থেকেই মূলত বিপাকে পড়ে ভারতীয় ফুটবল বোর্ড। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ব্রাজিল ও উরুগুয়ে ফুটবল দলকে এখনো পর্যন্ত তাদের ম্যাচ ফি বা পাওনা সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি ফেডারেশন। 

আন্তর্জাতিক ফুটবল সূত্রে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে যে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে যদি এই বকেয়া অর্থ পরিশোধ করা না হয়, তবে দুই দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত বা সর্বোচ্চ বিচারালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে পারে। এরকম চরম লজ্জাজনক পরিস্থিতি এড়াতে তড়িঘড়ি করে এক বিশেষ সাধারণ সভার ডাক দেওয়া হয়।

রোববার অনুষ্ঠিত সেই উত্তপ্ত সভায় ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে এক অভিনব ও বিতর্কিত প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি উপস্থিত সদস্যদের জানান, এই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ঘাটতি সাময়িক মেটানোর জন্য ফেডারেশনের ব্যাংকে থাকা স্থায়ী আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে ফেলা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। 

পরবর্তীতে বহিরাগত কোনো ফান্ড বা স্পন্সর জুটিয়ে সেই আমানতের টাকা আবার ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন তিনি।

কিন্তু সভাপতির এই আত্মঘাতী প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি জানান ফেডারেশনের অধিকাংশ সদস্য। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের শৌখিনতা দেখাতে গিয়ে যদি সংস্থার স্থায়ী আমানত ভেঙে ফেলতে হয়, তবে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। 

এই বিরোধিতায় সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা পালন করেন ফেডারেশনের সহসভাপতি এন এ হ্যারিস। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, এ ধরনের স্থায়ী আমানত কোনো অবস্থাতেই ভাঙা যাবে না, কারণ এর আগে কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

সভায় উপস্থিত ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং আইএফএর প্রতিনিধি সুব্রত দত্ত সংবাদমাধ্যমের সামনে এই ভেতরের চিত্র ফাঁস করে দেন। যদিও গোপনীয়তার চুক্তির শর্ত উল্লেখ করে সভা চলাকালীন কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে সুনির্দিষ্ট ঘাটতির অঙ্ক গণমাধ্যমকে জানাননি, তবে অন্দরমহলের খবর হলো&mdash;আর্থিক ধস এতটাই প্রকট যে তা এখন ঘরোয়া ফুটবলের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সভার এক উৎকণ্ঠিত সদস্য সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, যদি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের চটকদারি আয়োজন করতে গিয়ে ফেডারেশনের কোষাগার ফাঁকা হয়ে যায়, তবে দেশের অভ্যন্তরীণ ফুটবল চলবে কীভাবে? বিখ্যাত সন্তোষ ট্রফির মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতার আয়োজন, তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোর খরচ মেটানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থ এরপর কোথায় পাওয়া যাবে&mdash;সেটির কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি শীর্ষ কর্তারা।

অথচ এই ম্যাচগুলো আয়োজনের ঠিক প্রাক্কালে ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও পানামার বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক ম্যাচগুলো আয়োজন করতে গেলে ভারতীয় বোর্ডকে নিজস্ব তহবিল থেকে একটি টাকাও খরচ করতে হবে না।

কিন্তু বর্তমানের এই নগ্ন বাস্তবতা এবং স্থায়ী আমানত ভাঙার মরিয়া চেষ্টা সভাপতির সেই পুরনো আশ্বাস ও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা নিয়ে এখন বড়সড় ও গুরুতর প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিয়েছে।


সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Nov 2026 13:43:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিছিয়ে গেল এশিয়ান কাপের মহা রণাঙ্গন!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119626" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119626</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক আকাশজুড়ে ঘনিয়ে ওঠা যুদ্ধের ঝনঝনানির সরাসরি প্রভাব পড়েছে ফুটবলের আঙিনায়। চলমান সামরিক সংঘাত এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা সংকটের জেরে অবশেষে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। কাঙ্ক্ষিত টুর্নামেন্টের সূচি পরিবর্তন করে তা বছর শেষে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধক্ষেত্রের ছায়ায় এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর : 

সৌদি আরবের মাটিতে আসন্ন ২৪ দলের এই মহাযজ্ঞ হওয়ার কথা ছিল আগামী জানুয়ারিতে। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি এবং লাগাতার লজিস্টিকস জটিলতার কারণে প্রতিযোগিতার পূর্ণাঙ্গ সূচিতে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। এএফসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট আগামী জানুয়ারির পরিবর্তে সরাসরি শুরু হবে ডিসেম্বরের শেষের দিকে। নতুন নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই মাঠে গড়াবে ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর এবং পর্দা নামবে ২০২৮ সালের ২১ জানুয়ারি।

এর আগে মূল পরিকল্পনা ছিল, আগামী ৭ জানুয়ারি সৌদি রাজধানীর রিয়াদেই জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এশিয়ার জাতীয় দলগুলোর এই অলিম্পিকসম টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হবে। কিন্তু ইয়েমেনের বিদ্রোহীগোষ্ঠীর লাগাতার আগ্রাসন সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দেয়।

আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রোমহর্ষক লড়াই : 

গত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ডগুলোকে টার্গেট করে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। রাজধানী রিয়াদের পাশাপাশি কৌশলগত বিভিন্ন শহরে মাঝেমধ্যেই আছড়ে পড়ছে ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়াবহ বিস্ফোরণ। পরিস্থিতি কতটা শোচনীয়, তার প্রমাণ মেলে গত শুক্রবারের একটি ঘটনায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সেদিন নিশ্চিত করেছে যে, পবিত্র মক্কা অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা একটি বিপজ্জনক বিস্ফোরকবাহী ড্রোন মাঝআকাশেই গুঁড়িয়ে দিয়েছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এমনকি এর আগে দেশটির পশ্চিম সীমান্তেও আরেকটি উড়ন্ত ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করার খবর পাওয়া গেছে।

ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী এবং রিয়াদ সমর্থিত সরকারের মধ্যকার এই রক্তক্ষয়ী দ্বন্দ্ব এখন এমন এক চরম সীমায় পৌঁছেছে, যা গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। এশিয়ান কাপের মতো মেগা ইভেন্ট নির্ধারিত সময়ে নিরাপদে আয়োজন করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে চারদিকে শুরু হয়েছিল তীব্র জল্পনা-কল্পনা।

অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তীব্র উদ্বেগ ও এএফসির কূটনৈতিক চাল : 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাওয়া বিভিন্ন দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো তাদের খেলোয়াড় ও স্টাফদের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে থাকে। বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়ার উপক্রম হওয়ায় পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে।

অবশেষে স্থানীয় আয়োজক কমিটি (এলওসি) এবং সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের (এসএএফএফ) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দীর্ঘ আলোচনার পর কঠোর এই পদক্ষেপের অনুমোদন দেয় এএফসি। সংস্থাটি এক বিশেষ বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিশিয়াল, হাজার হাজার দর্শক এবং সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েই এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে সংকট এখানেই শেষ নয়। এএফসির এই একতরফা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হলে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার চূড়ান্ত সবুজ সংকেত বা অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এখন দেখার বিষয়, ফিফা এই পরিবর্তিত সূচিতে শেষ পর্যন্ত সিলমোহর বসায় কি না এবং মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধাবস্থা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফুটবলের অনুকূলে আসে কি না।

সান নিউজ / রাজীব

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Nov 2026 10:33:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিরপুরে ২১ নতুন তারকার খোঁজে পর্দা নামল রবি বোলার হান্টের!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119582" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119582</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[⚡ এক নজরে রবি বোলার হান্ট ২০২৬ গ্র্যান্ড ফিনালে : 


	
	ভ্যেনু ও আয়োজন: মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সোমবার (২ নভেম্বর) জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল রবি বোলার হান্ট ২০২৬-এর।
	
	
	শ্রদ্ধাঞ্জলি: শুরুর পর্বে প্রয়াত কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
	
	
	সেরা ২১ বিজয়ী: দেশব্যাপী বাছাইপর্বের কঠিন লড়াই পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ৪২ জন বোলারের মধ্য থেকে ২১ জন সেরা পেসারকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয় আরও দুজনকে।
	
	
	নজরকাড়া পারফরম্যান্স: বাছাইপর্বে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩৮ কিলোমিটার গতিতে বল করে তাক লাগিয়ে দেন তরুণ পেসার মাহির আবসার আবিদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের কোচ ফিল সিমন্স ও মেন্টর মুশতাক আহমেদ।
	
	
	বিসিবির ঘোষণা: বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানান, বিজয়ীরা সরাসরি হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের অধীনে উন্নত প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা ও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন। এছাড়া ক্রিকেটারদের উন্নয়নে নতুন মেগা প্রকল্প আসছে বলেও জানান তিনি।
	


 

 

দেশের ক্রিকেট আঙিনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক নতুন রূপকথার জন্ম দিয়ে মিরপুরের ঐতিহাসিক শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল &lsquo;রবি বোলার হান্ট ২০২৬&rsquo;-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। আজ সোমবার অনুষ্ঠিত এই বর্ণিল সমাপনী আসরের মূল আকর্ষণ ছিল দেশজুড়ে চলা তীব্র লড়াই পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া ৪২ জন দুর্দান্ত পেসারের মধ্যে থেকে সেরাদের সেরা ২১ জন তরুণ প্রতিভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া।

অনুষ্ঠানে তাদের হাতে গৌরবোজ্জ্বল ট্রফি ও সম্মাননা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ নৈপুণ্যের জন্য আরও দুজনকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। পুরো মিরপুর স্টেডিয়াম চত্বরজুড়ে তরুণ পেসারদের এমন মিলনমেলা এক অন্যরকম উন্মাদনার সৃষ্টি করেছিল।


যেভাবে ফাইনালে পৌঁছাল দেশের উদীয়মান তারকারা : 


ক্রিকেট মহাযজ্ঞের এমন বর্ণাঢ্য আয়োজনের শুরুতেই এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রয়াত কিংবদন্তি কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুরো স্টেডিয়ামের সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর শুরু হয় মাঠের আসল লড়াই। দেশজুড়ে বিস্তৃত দীর্ঘ বাছাইপর্বের কঠিন বৈতরণী পার হয়ে মোট ৪২ জন তুখোড় বোলার এই গ্র্যান্ড ফিনালের মঞ্চে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে লড়েছিলেন। তাদের এই অগ্নিপরীক্ষায় নিখুঁত বোলিং অ্যাকশন এবং গতির ঝড় তোলার বিষয়টি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বিশেষ করে, বাছাইপর্বের বিভিন্ন ধাপে ঘণ্টায় অবিশ্বাস্য ১৩৮ কিলোমিটার বেগে বল করে ক্রিকেটপ্রেমী ও নির্বাচকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেন তরুণ উদীয়মান পেসার মাহির আবসার আবিদ। বিশ্বমানের কোচিং প্যানেল থেকে শুরু করে জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এবং কিংবদন্তি স্পিন মেন্টর মুশতাক আহমেদের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এই পুরো প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমকে নিয়ে গিয়েছিল অনন্য এক উচ্চতায়।


আগামীর তারকাদের জন্য বিসিবির বড় ঘোষণা : 


বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়ে তরুণদের মনোবল বাড়িয়ে দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, আজ যারা ট্রফি হাতে তুলেছে, তাদের আগামীর পথচলার শতভাগ দায়িত্ব এখন বোর্ডের কাঁধে। নির্বাচিত এই ২১ তরুণ প্রতিভাকে সরাসরি বিসিবির এক্সক্লুসিভ &lsquo;হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের&rsquo; অধীনে রেখে নিখুঁত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত চিকিৎসা সেবা এবং যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে, যাতে তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা মেলে ধরতে পারে।

একই সঙ্গে, যারা চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেনি, তাদের উদ্দেশে তামিম আশার বাণী শুনিয়ে বলেন, আজকের এই একটিমাত্র ফলের ওপর কারো ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায় না; স্বপ্ন টিকিয়ে রেখে সামনে আরও বহু পথ পাড়ি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দেশের পাইপলাইন আরও শক্তিশালী করতে বোর্ড নতুন একটি মেগা প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে এবং খুব দ্রুতই সেটির শুভসূচনা করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিসিবি বস তামিম ইকবাল ।


রবি আজিয়াটার অঙ্গীকার ও স্পন্সরদের প্রতি বিশেষ আহ্বান : 


তারুণ্যের শক্তির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে রবি আজিয়াটা পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা তার বক্তব্যে বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে লুকিয়ে থাকা রত্ন খুঁজে বের করে তাদের জন্য একটি অর্থবহ ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি করে দিতে রবি সবসময় বদ্ধপরিকর।

এমন ব্যতিক্রমী প্ল্যাটফর্ম সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের নিজেদের আসল প্রতিভা বিশ্বমঞ্চে ফুটিয়ে তোলার এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সিঁড়ি হিসেবে কাজ করবে। সমাপনী মঞ্চে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা রত্নদের দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে করপোরেট দুনিয়া ও স্পন্সরদের আরও জোরালোভাবে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Nov 2026 17:36:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ দেখতে ৯ লাখ আবেদন!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119581" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119581</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে বসতে চলেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দীর্ঘ ২৪ বছর পর ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞ আফ্রিকার মাটিতে ফিরে আসায় বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব ও উন্মত্ত কাড়াকাড়ি। টুর্নামেন্ট শুরু হতে এখনও বেশ কিছু মাস বাকি থাকলেও এর মাঝেই ইতিহাস গড়ে টিকিটের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রিকেটপাগল দর্শকরা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর ১৯৩টি ভিন্ন দেশ থেকে মাঠে বসে খেলা উপভোগ করার জন্য ইতোমধ্যে ১২ কোটিরও বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে! এর মধ্যে কেবল টাইগারদের একটিমাত্র ম্যাচ দেখতেই বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মধ্যে যে পাগলাটে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচের টিকিটের জন্য ৯ লাখ আবেদন! : 
আসন্ন এই বিশ্বমঞ্চে লাল-সুজু দলের প্রতিটি ম্যাচ মাঠে বসে উপভোগ করতে সমর্থকরা যেন মুখিয়ে আছেন। বিশেষ করে আগামী বছরের ৮ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশ ও শক্তিশালী ইংল্যান্ডের হাইভোল্টেজ ম্যাচটির টিকিটের জন্য কেবল একা টাইগারদের ম্যাচ বলেই বিশ্বজুড়ে অবিশ্বাস্যভাবে জমা পড়েছে ৯ লাখ আবেদন! আফ্রিকার মাটিতে টাইগারদের এই লড়াই দেখতে মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য দর্শকদের এমন আকুতি অতীতে খুব কমই দেখা গেছে।



⚡ ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হাইলাইটস

🏏 বাংলাদেশের ম্যাচ উন্মাদনা


	
	৯ লাখ আবেদন: আগামী ৮ অক্টোবর উইন্ডহোকে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ দেখতে শুধু এই একটি ম্যাচের জন্যই জমা পড়েছে চোখ কপালে তোলা ৯ লাখ টিকিটের আবেদন।
	


🌍 বিশ্বজোড়া টিকিটের হিড়িক


	
	১২ কোটি+ আবেদন: ১৯৩টি দেশ থেকে মোট ১২ কোটিরও বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে।
	
	
	আফ্রিকায় ফেরা: দীর্ঘ ২৪ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার ১২টি শহরে বসছে ১৪ দলের এই মেগা আসর (মোট ৫৭ ম্যাচ)।
	


🔥 অন্য হাইভোল্টেজ ম্যাচ


	
	ভারত বনাম পাকিস্তান: ৮৩ লাখ ৯৭ হাজারের বেশি আবেদন।
	
	
	গ্র্যান্ড ফাইনাল: প্রায় ৭৯ লাখ আবেদন।
	
	
	স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা: ১১ ম্যাচের জন্য প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ আবেদন।
	


⏳ গুরুত্বপূর্ণ ডেডলাইন


	
	শেষ সময়: ২১ নভেম্বর রাত ১১:৫৯ মিনিটে (সেন্ট্রাল আফ্রিকান টাইম) বা বাংলাদেশ সময় ২১ নভেম্বর রাত ৩:৫৯ মিনিটে নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে।
	


 

টিকিট কেনার রেকর্ড ভাঙা লড়াই : 
শুধু বাংলাদেশ ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টের অন্য হাইভোল্টেজ ম্যাচগুলোর টিকিট পেতেও চলছে তুমুল হাহাকার। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচের টিকিটের জন্য আবেদন জমা পড়েছে চোখ কপালে তোলার মতো&mdash;৮৩ লাখ ৯৭ হাজার ২৯৪টি! এছাড়া আগামী ২১ নভেম্বর একই ভেন্যুতে মাঠে গড়াতে যাওয়া রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের আশায় বুক বেঁধেছেন প্রায় ৭৯ লাখ দর্শক।

টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার আটটি ভিন্ন ভেন্যুতে মোট ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে কেবল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার নিজস্ব ১১টি ম্যাচেই গ্যালারি মাতাতে টিকিটের জন্য আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ! অন্যদিকে, জিম্বাবুয়েতেও টিকিটের আবেদনের জোয়ারে সংখ্যাটি ইতোমধ্যে ১ কোটি ৩০ লাখের অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে।

আগামী ২৪ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের পর্যটন নগরী ভিক্টোরিয়া ফলসের সদ্যনির্মিত মসি-ওয়া-তুনিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ে বনাম ভারতের ম্যাচটির জন্য ৩৩ লাখের বেশি এবং নামিবিয়ার উইন্ডহোহে অনুষ্ঠিতব্য মাত্র ছয়টি ম্যাচের জন্য ২০ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

বিশ্বকাপের ফরম্যাট ও টিকিটের শেষ সময়সীমা : 
আসন্ন এই বিশ্বকাপে মোট ১৪টি শক্তিশালী দল অংশ নেবে। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ার মোট ১২টি শহরের আধুনিক সব স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে মোট ৫৭টি ম্যাচ। তবে যারা এখনও টিকিটের জন্য আবেদন করতে পারেননি, তাদের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে অত্যন্ত দ্রুত।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টিকিট নিবন্ধনের একদম শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ নভেম্বর রাত ১১টা সেন্ট্রাল আফ্রিকান টাইম অনুযায়ী (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী যা ২১ নভেম্বর রাত ৩টা ৫৯ মিনিট)। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করলে লটারির মাধ্যমে টিকিট পাওয়ার কোনো সুযোগই থাকবে না।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Nov 2026 17:21:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংস্কারের থাবায় শঙ্কার মুখে ভারত-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119580" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119580</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[⚡ এক নজরে দিল্লি স্টেডিয়াম সংকট ও ভারত-শ্রীলঙ্কা সিরিজ

&bull; মূল সমস্যা: অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড বালুভিত্তিক (স্যান্ড-বেসড) সারফেসে রূপান্তরের কাজ চলায় ১৩ ডিসেম্বরের প্রথম ওয়ানডে অনিশ্চিত।

&bull; সময়কাল: সংস্কারকাজ শেষ হতে ৩-৪ মাস লাগায় ২০২৭ আইপিএলের আগেও এখানে ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা প্রায় নেই।

&bull; ভক্তদের হতাশা: ঘরের মাঠে বিরাট কোহলিকে দেখতে না পাওয়ার শঙ্কা।

&bull; ওয়ানডে সূচি: ১৩ ডিসেম্বর (দিল্লি - সংশয়), বেঙ্গালুরু (আইপিএল নিলামের দিন), ১৯ ডিসেম্বর (আহমেদাবাদ)।

&bull; টি-টোয়েন্টি সূচি: ২২ ডিসেম্বর (রাজকোট), ২৪ ডিসেম্বর (কটক), ২৭ ডিসেম্বর (পুনে)।

 

ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক বিরাট ধাক্কা এবং চরম অনিশ্চয়তার কালো মেঘ জমেছে ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনে। আগামী মাসেই প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের রোমাঞ্চকর সিরিজ খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩ ডিসেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি গড়ানোর কথা ছিল।

কিন্তু মাঠের আধুনিকায়ন ও সংস্কারকাজের দীর্ঘসূত্রিতা এবং নানা জটিলতার কারণে এই ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন এখন পুরোপুরি অনিশ্চয়তার চোরাবালিতে আটকে গেছে। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার উত্তেজনাকর সেই স্মরণীয় লড়াইয়ের পর এই মাঠে আর কোনো ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। এমনকি সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি আয়োজিত হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লির বিখ্যাত এই স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার আশা যেন ফিকে হয়ে আসছে।

আধুনিকায়নের চক্করে ঝুলে গেল দিল্লির ক্রিকেট ভাগ্য : ভারতীয় গণমাধ্যমের বিশ্বস্ত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের পুরো আউটফিল্ডকে একটি নিখুঁত ও আধুনিক বালুভিত্তিক (স্যান্ড-বেসড) সারফেসে রূপান্তর করার বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। আধুনিক ক্রিকেটের দাবি মিটিয়ে উন্নত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং বৃষ্টির বাগড়া থেকে মুহূর্তেই মাঠ রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশের অন্যান্য অনেক আধুনিক ভেন্যু যেমন মুল্লানপুর কিংবা লক্ষ্ণৌর মতো ৭৫ শতাংশ স্টেডিয়াম ইতিমধ্যে এই প্রযুক্তির আওতায় আসায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতেও দ্রুত ম্যাচ শুরু করা সম্ভব হয়। তবে ডিডিসিএ বা দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এই সুদূরপ্রসারী সংস্কারকাজ শেষ হতে অন্তত আরও তিন থেকে চার মাস সময় লেগে যেতে পারে।

দীর্ঘ সময়সীমার কারণে কেবল ডিসেম্বরের ওয়ানডে ম্যাচই নয়, এমনকি আসন্ন ২০২৭ সালের আইপিএল শুরুর আগেও দিল্লির অরুণ জেটলি মাঠে কোনো ধরনের ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রেস্টিজিয়াস রঞ্জি ট্রফির হোম ম্যাচগুলোও বাধ্য হয়ে পালাম এলাকার এয়ারফোর্স কমপ্লেক্স গ্রাউন্ডে সরিয়ে নিতে হয়েছে।

বিরাট কোহলিকে ঘরের মাঠে দেখতে পাওয়ার অপেক্ষায় কোটি ভক্তের হাহাকার : দিল্লির সন্তান এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র বিরাট কোহলিকে নিজের শহরের মাঠে ব্যাট হাতে দেখতে মুখিয়ে ছিলেন স্থানীয় সমর্থকরা। কিন্তু ভেন্যু পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন ওঠায় দিল্লির গ্যালারিতে তাদের প্রিয় তারকার চোখ জুড়ানো কাভার ড্রাইভ উপভোগ করার সোনালী সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

যদিও ১৩ ডিসেম্বরের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি দিল্লি থেকে সরিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতের অন্য কোনো বিকল্প ভেন্যুতে নেওয়া হবে কি না বা কোথায় তা অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। তা সত্ত্বেও বর্তমান বাস্তবতায় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে জন্ম নিয়েছে নানা সংশয় ও হতাশা।

কোথায় কখন লড়বে ভারত ও শ্রীলঙ্কা : দিল্লির ভেন্যু নিয়ে যতই জটিলতা তৈরি হোক না কেন, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার আসন্ন এই দ্বিপক্ষীয় লড়াইয়ের পূর্ণাঙ্গ ও জমজমাট সূচি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। দুই দল কেবল ওয়ানডে ফরম্যাটেই নয়, বরং তিনটি আকর্ষক টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও একে অপরের মুখোমুখি হবে:

প্রথম ওয়ানডে: ১৩ ডিসেম্বর (দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম&mdash;তবে ভেন্যু পরিবর্তনের প্রবল শঙ্কা)।

দ্বিতীয় ওয়ানডে: বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম (আইপিএলের নিলামের বিশেষ দিনটিতে মাঠে গড়াবে)।

তৃতীয় ওয়ানডে: ১৯ ডিসেম্বর, আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম।

টি-টোয়েন্টি সিরিজের হাইভোল্টেজ লড়াই:

প্রথম টি-টোয়েন্টি: ২২ ডিসেম্বর, রাজকোট।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: ২৪ ডিসেম্বর, কটক।

তৃতীয় টি-টোয়েন্টি: ২৭ ডিসেম্বর, পুনে।

বছরের শেষ প্রান্তে ভারত-শ্রীলঙ্কার এই দ্বৈরথ মাঠের লড়াইয়ের উত্তাপের পাশাপাশি ভেন্যু সংকট আর সংস্কারের মারপ্যাচে এক চরম নাটকীয় মোড় নিয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Nov 2026 17:04:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাইফার্ট-ফিলিপসের তাণ্ডবে শেষ ম্যাচে ভারতকে গুড়িয়ে দিল কিউইরা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119556" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119556</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ভারতের বোলারদের ওপর রীতিমতো স্টিম রোলার চালিয়ে সফরকারীদের ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে কিউইরা। 

আগেই প্রথম তিন ম্যাচ জিতে ট্রফি নিজেদের করে নিলেও, শেষ দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে দুর্দান্তভাবে সিরিজ শেষ করল স্বাগতিকরা। ভারতের দেওয়া ১৯১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড পেরিয়ে যায় মাত্র ১৮ ওভার বা ১২ বল বাকি থাকতেই।

অ্যাডাম মিলনের পেস তোপ ও ভারতের ইনিংস : 
ম্যাচের শুরুতেই কিউই পেসার অ্যাডাম মিলনের গতির ঝড় সামলাতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১৯ রানের মাথায় ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসনকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা দেন মিলনে। এরপর ইশান কিষান ও শ্রেয়াস আইয়ার প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে চালিত করেন।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে ইশান জীবন পাওয়ার পর আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করেন এবং মাত্র ২৮ বলে নিজের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শ্রেয়াসের সঙ্গে তার জুটি থেকে আসে মাত্র ৪৩ বলে দুর্দান্ত ৯৩ রান। এই ইনিংসের সুবাদে সূর্যকুমার যাদবকে পেছনে ফেলে এক পঞ্জিকাবর্ষে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড গড়েন ইশান। 

৩২ বলে ৫টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬১ রানের চমৎকার ইনিংস খেলে তিনি বিদায় নেন।



সিরিজ জয়ী ভারতের ট্রফি নিয়ে উল্লাস। ছবি : এএফপি


অন্যদিকে ২২ বলে ফিফটি ছোঁয়ার ঠিক পরের বলেই আউট হন শ্রেয়াস আইয়ার (৫০)। এরপর নমন ধিরের ৩৩ এবং নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী ২২ রানের সুবাদে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৯১ রানের শক্ত পুঁজি পায় ভারত। ম্যাচে মাত্র ১৯ রান খরচ করে ৪টি উইকেট শিকার করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন অ্যাডাম মিলনে। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লেয়ার টিকনার দুটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।

সাইফার্টের সেঞ্চুরি মিসের বেদনা ও ফিলিপসের বিধ্বংসী ব্যাটে সহজ জয় : 
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার ফিন অ্যালেনকে হারালেও দমে যায়নি নিউজিল্যান্ড। টিম সাইফার্ট ও ড্যারিল মিচেল মিলে দ্রুত রান তুলে পাওয়ার প্লে-তেই ৫৯ রান বোর্ডে জমা করেন। মিচেল ২৯ রান করে আউট হলেও সাইফার্টের সঙ্গে যোগ দিয়ে ম্যাচের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেন গ্লেন ফিলিপস। 

আগের ম্যাচগুলোতে ব্যর্থতার সব গ্লানি মুছে ফেলে সাইফার্ট আজ ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। ৫০ বলে ৫টি ছক্কা ও ১১টি চারের সাহায্যে তিনি খেলেন ৯৩ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। সেঞ্চুরির অতি সন্নিকটে পৌঁছেও নার্ভাস নাইনটিনের শিকার হয়ে তিনি বোল্ড হন।

তবে সাইফার্টের আউটেও জয়ের পথে কোনো বাধা আসেনি। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে ৬৫ রানের এক অপরাজিত ও ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। 

পুরো সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৩ টি ফিফটি ও ১ টি সেঞ্চুরিতে মোট ৩৪১ রান করে সিরিজসেরার খেতাবও নিজের করে নেন ফিলিপস। এই অসাধারণ জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষের পর আগামী বুধবার দুই দল তাদের পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ভারত: ২০ ওভারে ১৯১/৮ (কিষান ৬১, শ্রেয়াস ৫০, নমন ৩৩, নিতিশ ২২; মিলনে ৪/১৯, স্মিথ ২/২৮)।

নিউজিল্যান্ড: ১৮ ওভারে ১৯৫/৩ (সাইফার্ট ৯৩, ফিলিপস ৬৫*, মিচেল ২৯; অর্শদীপ ১/৪০, বরুন ১/৪৫, নিতিশ ১/১৯)।

ফল: নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: অ্যাডাম মিলনে।

সিরিজ: ৫ ম্যাচের সিরিজ ভারত ৩-২ ব্যবধানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য সিরিজ: গ্লেন ফিলিপস।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 13:36:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাকাকে বিশেষ সম্মাননা দিল এসি মিলান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119547" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119547</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
📰 এক নজরে : সান সিরোয় ফিরে কান্নায় ভাসলেন কাকা, মিলানের জয় দেখলেন গ্যালারিতে বসে!


	
	হল অব ফেইম সম্মাননা : ক্যারিয়ারের সোনালী সময় কাটানো সান সিরোয় ফিরে এসি মিলানের &lsquo;হল অব ফেইম&rsquo;-এ স্থান পেলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার কাকা।
	
	
	 
	
	
	আবেগঘন মুহূর্ত : ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ডার্বির আগে সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ভালোবাসায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ২০০৭ সালের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ী এই মিডফিল্ডার।
	
	
	 
	
	
	বর্ণিল অতীত : মিলানের জার্সিতে ৩০৭ ম্যাচে ১০৪ গোল ও ৮১টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ২০০৭ সালে ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন তিনি।
	
	
	 
	
	
	উপহার হিসেবে জয় : গ্যালারিতে বসে কাকার উপস্থিতিতেই ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় বর্তমান এসি মিলান দল।
	



 

ইতালির কিংবদন্তি স্টেডিয়াম সান সিরো&mdash;যেখানে লুকিয়ে আছে এক সোনালী ইতিহাসের পাতা। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বর্ণিল ও রোমাঞ্চকর সময়গুলো যার পায়ে প্রাণ পেয়েছিল, সেই চেনা আঙিনায় দীর্ঘ দিন পর ফিরে নিজেকে আর সংযত রাখতে পারেননি ব্রাজিলের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার রিকার্দো কাকা।

এসি মিলানের মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;হল অব ফেইম&rsquo;-এ নাম লেখানোর ঐতিহাসিক মুহূর্তে হাজার হাজার দর্শকের ভালোবাসা ও সম্মান দেখে নিজের চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেননি এই বিশ্বজয়ী মহাতারকা।

মিলান ডার্বির আগে রাজকীয় সংবর্ধনা ও কান্নার মুহূর্ত : 
চলতি সপ্তাহের শনিবার ইতালিয়ান সিরি আ-র হাইভোল্টেজ ইন্টার মিলান ম্যাচের ঠিক আগে সান সিরোর সবুজ গালিচায় কাকাকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করে এসি মিলান কর্তৃপক্ষ। গ্যালারিতে উপস্থিত লাখো ভক্ত-সমর্থক দাঁড়িয়ে হাততালির মাধ্যমে তাদের ভালোবাসার রাজপুত্রকে স্যালুট জানান। ২০০৭ সালের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ী এই মিডফিল্ডার মাঠে পা রাখতেই এক নস্টালজিক ও আবেগঘন পরিবেশের তৈরি হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে জনপ্রিয় সম্প্রচার মাধ্যম ডিএজেডএন -কে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় কাকা জানান, আজকের মুহূর্তগুলোর গভীরতা বোঝানোর মতো যথাযথ শব্দ তার ভাণ্ডারে নেই। আবেগে গদগদ হয়ে কাকা বলেন, মিলানের এমন বিশাল ফ্যানবেসের মাঝে সান সিরোর বুকে দাঁড়িয়ে তার হৃদয়ে যে অনুভূতি ঢেউ খেলে যায়, তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। তার জীবনের আজকের দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সোনালী অতীত ও অনন্য সব অর্জনের দিনগুলো : 
এসি মিলানের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও সোনালী অধ্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন ব্রাজিলিয়ান জাদুকর কাকা। ইতালিয়ান ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মোট ৩০৭টি ম্যাচ খেলে তিনি প্রতিপক্ষের জালে ১০৪ বার বল জড়ান এবং সতীর্থদের দিয়ে করান আরও ৮১টি গোল।

২০০৩-০৪ মৌসুমে মিলানকে ইতালিয়ান সিরি আ-র মুকুট এনে দেওয়ার পেছনে কাকার ভূমিকা ছিল অনন্য। এরপর ২০০৬-০৭ মৌসুমে তার জাদুকরি নৈপুণ্যে ভর করেই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ২০০৭ সালে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ক্লাবটি।

বিশেষ করে ২০০৬-০৭ ইউরোপসেরার প্রতিযোগিতায় নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে সর্বমোট ১০ গোল করে একাই মিলানকে ইউরোপের চূড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন কাকা। সেই অবিস্মরণীয় সাফল্যের সুবাদেই ২০০৭ সালে কাকা অর্জন করেছিলেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি&mdash;ব্যালন ডি&rsquo;অর, ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় এবং উয়েফা ক্লাব ফুটবলার অব দ্য ইয়ারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারগুলো।

মজার বিষয় হলো, কাকার ওই সোনালী অর্জনের পর থেকে আজ অব্দি মিলানের কিংবা ব্রাজিলের আর কোনো ফুটবলার ব্যালন ডি&rsquo;অরের এই সোনালী ট্রফিটি স্পর্শ করতে পারেননি।

বর্তমান মিলান দল, বন্ধু মদ্রিচ এবং পুলিসিককে নিয়ে রসিকতা : 
পুরোনো ক্লাবের বর্তমান স্কোয়াড ও দলগঠন নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন কাকা। তিনি ভবিষ্যতে সান সিরোর জার্সিতে আরও বেশি সংখ্যক ব্রাজিলিয়ান তরুণ ফুটবলারকে খেলতে দেখতে চান। একই সঙ্গে নিজের সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ ও বন্ধু লুকা মদ্রিচের ভূয়সী প্রশংসা করতে ভোলেননি তিনি।

চলতি মৌসুমে মিলানের অন্যতম ভরসা যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিককে নিয়ে বলতে গিয়ে কিছুটা রসিকতার সুর ঝরে পড়ে কাকার কণ্ঠে। মিলানের সাবেক আন্দ্রি শেভচেঙ্কোর উদ্দেশে গ্যালারিতে গওয়া জনপ্রিয় সেই ঐতিহাসিক স্লোগান&mdash;&#39;সে ব্রাজিলিয়ান নয়, কিন্তু...&#39;&mdash;বর্তমান ফর্মের বিচারে পুলিসিকের ক্ষেত্রেও দারুণভাবে মানিয়ে যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে মাঠের বাইরে কাকার আবেগঘন উপস্থিতির দিনেই দারুণ এক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে মিলান দল। গ্যালারিতে বসে থাকা প্রিয় ক্লাবের কিংবদন্তি তারকাকে জয় উপহার দিয়ে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ৩-১ গোলের এক দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় বর্তমান মিলান স্কোয়াড।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 11:05:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ছিটকে গেলেন প্রবাসী সেনসেশন রোনান সুলিভান!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119544" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119544</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
📰 এক নজরে : সাফ শুরুর আগে বড় ধাক্কা : 


	
	বড় ধাক্কা: ইনজুরির কারণে শেষ মুহূর্তে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী তরুণ ফরোয়ার্ড রোনান সুলিভান।
	
	
	অভিষেকের অপেক্ষা: অনূর্ধ্ব-২০ দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে প্রথমবার সিনিয়র দলে ডাক পেলেও চোটের কারণে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক আবারও পেছাল।
	
	
	কোচের চিন্তা: খাঁটি স্ট্রাইকারের সংকটের মাঝে রোনানকে হারিয়ে নতুন করে কৌশল সাজাতে হচ্ছে কোচ থমাস ডুলিকে; পাশাপাশি বিশ্বনাথ ঘোষের ফিটনেস ও মোরসালিনের জ্বর থেকে ফেরা নিয়েও রয়েছে বাড়তি উদ্বেগ।
	
	
	প্রবাসী তারকার সমীকরণ: আগামী ৫ নভেম্বরের প্রথম ম্যাচে হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদকে পাওয়া না গেলেও, ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের সার্ভিস পাবে দল; এছাড়া ইতালি থেকে ফাহমিদুল ইসলামের আগামীকাল ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
	





আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ঠিক প্রাক্কালে চরম বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। টুর্নামেন্টের পর্দা ওঠার আগমুহূর্তে দলের আক্রমণভাগে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। ইনজুরির থাবায় শেষ মুহূর্তে স্কোয়াড থেকে চিরতরে ছিটকে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী উদীয়মান ও প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড রোনান সুলিভান। 

এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো লাল-সবুজের জার্সিতে জাতীয় দলের সিনিয়র স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার পর তার বহুকাঙ্ক্ষিত আন্তর্জাতিক অভিষেক আরও একবার দীর্ঘ হলো। 

এমনিতেই স্কোয়াডে খাঁটি ও পরীক্ষিত স্ট্রাইকারের তীব্র খরা চলছে, তার ওপর রোনানের মতো সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়কে আকস্মিক হারিয়ে হেড কোচ থমাস ডুলির সমস্ত ছক ও পরিকল্পনা এখন ওলটপালট হয়ে গেছে। নতুন করে রণকৌশল সাজাতে হচ্ছে কোচ ডুলিকে ।

রোনানের হাতছানি এবং স্বপ্নভঙ্গের নেপথ্যে : 

এর আগে বাংলাদেশের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ে মাঠে নিজের গোল করার দক্ষতা ও চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স দিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিলেন রোনান সুলিভান। বয়সভিত্তিক সেই টুর্নামেন্টে তার করা দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্সই মূলত তার জন্য সিনিয়র জাতীয় দলের দরজা প্রশস্ত করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ কোচের কাছ থেকে ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে শুরুতে কিছু আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা তৈরি হলেও, সব বাধা পেরিয়ে গত ৩ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে এসে জাতীয় দলের হয়ে খেলার অনুমতি পেয়েছিলেন তিনি। 

এমনকি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গত ১ নভেম্বর রাতেই তার জন্য ঢাকার ফ্লাইটের টিকিটও পাকাপোক্ত করে ফেলেছিল। কিন্তু ঠিক শেষ মুহূর্তে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে গুরুতর ইনজুরির কবলে পড়ে তার ঢাকা আসার সমস্ত রোমাঞ্চ ও স্বপ্ন ভেস্তে যায়।

কোচ ডুলির কপালে চিন্তার ভাঁজ: ফিটনেস সমস্যা ও প্রবাসী তারকার সমীকরণ : 

এদিকে শুধু রোনানের ছিটকে যাওয়াই নয়, টুর্নামেন্টের শুরুর আগে দলের সার্বিক প্রস্তুতি ও স্কোয়াডের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোচ থমাস ডুলির কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গত ১৮ অক্টোবরের মধ্যে সাফের ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল জমা দেওয়ার কড়াকড়ি নিয়ম থাকলেও স্বাগতিক বাংলাদেশ এখনো চূড়ান্ত স্কোয়াড দিতে পারেনি। 

দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ এখনও পুরোপুরি ম্যাচ ফিট হয়ে ওঠেননি। 

অন্যদিকে, তীব্র জ্বর থেকে সবেমাত্র সুস্থ হয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা শেখ মোরসালিন। আগের দিনের বিশ্রাম শেষে আজ সকালে ছেলেরা ঘাম ঝরালেও, এখনো পুরোপুরি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে কোনো ইন্টার-স্কোয়াড ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি ফুটবলাররা।

অন্যদিকে, প্রবাসী তারকা ফুটবলারদের দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নিয়েও মিশ্র খবর রয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামার কথা থাকলেও, সেই প্রথম ম্যাচে স্কোয়াডে পাওয়া যাচ্ছে না অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদকে। 

তবে কিছুটা স্বস্তির বাতাস বইছে যে, গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের সার্ভিস পাবে দল। পাশাপাশি ইতালি প্রবাসী উদীয়মান ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামও এখনও সরাসরি অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি, তবে আগামীকালই তার দলের সঙ্গে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। 

সাফের মতো মহাদেশীয় ও প্রেসার কুকারের মতো বড় টুর্নামেন্টের ঠিক দোরগোড়ায় এসে হাতের কাছে থাকা সীমিত সম্পদ ও আনফিট ফুটবলারদের নিয়ে দ্রুত একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও লড়াকু একাদশ গড়ে তোলাই এখন কোচ থমাস ডুলির সামনে পাহাড়সম এক চ্যালেঞ্জ।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 10:39:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০টি পদক জিতে জাতীয় আর্চারি দল দেশে ফিরেছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119534" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119534</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক নজরে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের সাফল্য


	
	প্রাপ্তি: ১০টি পদক (৩ স্বর্ণ, ৩ রৌপ্য, ৪ ব্রোঞ্জ)।
	
	
	স্বর্ণজয়ীরা:

	
		
		রিকার্ভ পুরুষ দল (আন্দ্রে রহমান আলিফ, মোঃ সাগর ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফি)।
		
		
		কম্পাউন্ড নারী দল (বন্যা আক্তার, শ্রীপর্ণা বিশ্বাস, কুলসুম আক্তার মনি)।
		
		
		কম্পাউন্ড ব্যক্তিগত (বন্যা আক্তার)।
		
	
	
	
	দেশে ফেরা: ১ নভেম্বর ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
	
	
	অন্যান্য: বিমানববন্দরে বরণ করেন কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল ও সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান।
	


 

ইরাকের সুলায়মানিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ আর্চারি টুর্নামেন্টের (ওয়ার্ল্ড র&zwj;্যাংকিং টুর্নামেন্ট, স্টেজ-২) মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় আর্চারি দল। ৩টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে আজ রোববার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তারা।

ভোর পৌনে ৫টায় বিমানবন্দরে পা রাখলে খেলোয়াড়দের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি ও ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান।

রিকার্ভ ও কম্পাউন্ড ইভেন্টে স্বর্ণ জয় : এবারের আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে বাংলাদেশের রিকার্ভ পুরুষ দল। আব্দুর রহমান আলিফ, মোঃ সাগর ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফির গড়া দলটি ফাইনালে কাজাখস্তানকে ৬-২ সেট পয়েন্টে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের স্বর্ণপদক অর্জন করে।

পাশাপাশি কম্পাউন্ড নারী ইভেন্টেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ। বন্যা আক্তার, শ্রীপর্ণা বিশ্বাস ও কুলসুম আক্তার মনি কাজাখস্তানকে ২৩০-২২০ স্কোরে হারিয়ে দলগত স্বর্ণপদক নিশ্চিত করেন। এছাড়া কম্পাউন্ড ব্যক্তিগত ইভেন্টে কাজাখস্তানের মিলানা বুরলেভাকে ১৪৫-১৪৩ স্কোরে হারিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক জেতেন বন্যা আক্তার। মোট ১০ পদকের এমন অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের আর্চারির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য : জোড়া স্বর্ণজয়ী বন্যা আক্তার এই অর্জনকে সামনের দিনগুলোর অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, এই সাফল্য আগামীতে বিশ্বকাপ, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ও অলিম্পিকের মতো বড় আসরে ভালো করতে সাহায্য করবে।

দলের প্রধান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক তরুণ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, এবারের দলে অনূর্ধ্ব-২১ ও অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বড় দর্শকদের সামনে ফাইনাল খেলার এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

বিমানবন্দরে উপস্থিত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান ক্রীড়াবিদদের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের আর্থিক নিশ্চয়তা দিতে সরকার বিশেষ ক্রীড়া ভাতা চালু করেছে, যার আওতায় প্রায় ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে মাসিক ১ লাখ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ করে বিকেএসপিতে আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং সারা বছর ধারাবাহিক ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 09:05:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হংকং সিক্সেসে ভারতের কাছে স্বপ্নভঙ্গ লাল-সবুজদের!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119532" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119532</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হংকংয়ের মিশন রোড গ্রাউন্ডে রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ের সাক্ষী হলো ক্রিকেটবিশ্ব। টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। আবু হায়দার রনির তাণ্ডবে ঝড়ো সংগ্রহ গড়েও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় শক্তিশালী ভারত, আর এই হারের মাধ্যমেই টুর্নামেন্ট থেকে টাইগারদের বিদায় নিশ্চিত হলো চরম হতাশা নিয়ে।

রনির ঝড়ো ব্যাটেও মিলল না স্বস্তি : 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লে-র উত্তেজনাপূর্ণ এই ফরম্যাটে ইনিংসের শুরুতেই দ্রুত তিনটি উইকেট হারিয়ে ডাগআউটের পথ ধরে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। স্কোরবোর্ডে দলের এমন করুণ দশা যখন স্পষ্ট, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি।

তার ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে এক বিধ্বংসী ও স্মরণীয় ইনিংস। প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৬২ রানের এক অনবদ্য ঝড় তোলেন তিনি। এই মহাকাব্যিক ইনিংসে তিনি হাঁকান ৮টি প্রলয়ঙ্করী ছক্কা ও ৩টি চার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা&mdash;হাবিবুর রহমান সোহান ৬ বলে উপহার দেন মূল্যবান ১৮ রান এবং সাব্বির রহমান ৪ বলে দ্রুত যোগ করেন ১৩ রান।

নির্ধারিত ৬ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশ ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১১৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়। বাংলাদেশি ব্যাটারদের সবচেয়ে বেশি ভোগান ভারতের বোলার ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২ ওভারে ২৫ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট, যা ইনিংসে বাংলাদেশের গতি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিল।

ভারতীয় ঝড় ও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা : 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চরম আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে ভারত। ওপেনার শশাঙ্ক সিং ও রাহুল ত্রিপাঠির ব্যাট থেকে আসে একের পর এক চার-ছক্কার ফুলঝুরি। মাত্র ১৫ বলে বিস্ফোরক ৫০ রান পূর্ণ করার পর রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন শশাঙ্ক। তাকে দারুণভাবে সহায়তা করেন রাহুল ত্রিপাঠি, যিনি মাত্র ১২ বলেই মূল্যবান ৩২ রান করেন।

এরপর খেলা যখন শেষের দিকে গড়ায়, তখন দলের জয় নিশ্চিত করতে উইকেটে ঝড় তোলেন রাহুল তেওয়াতিয়া ও নীতিশ রানা। তেওয়াতিয়া মাত্র ৫ বলে ১৬ রান এবং রানা ৪ বলে ১০ রানের ঝোড়ো ক্যামিও খেললে নির্ধারিত ৬ ওভার শেষ হওয়ার আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। তারা মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই তুলে নেয় জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৭ রান। বাংলাদেশের বোলারদের ব্যর্থতার ভিড়ে একমাত্র উইকেটের দেখা পান আহরার আমিন। দুর্দান্ত বোলিং ফিগারের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কারটি নিজের করে নেন ভারতের অভিজ্ঞ ক্রুনাল পান্ডিয়া।

হতাশার চাদরে মোড়ানো টুর্নামেন্ট সমাপ্তি :

এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতেও ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই করেও হারের স্বাদ নিতে হয়েছিল। ভারতের বিপক্ষে এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে হংকং সিক্সেসের চলতি আসরটি বাংলাদেশের জন্য পুরোপুরি জয়শূন্য ও চরম হতাশার মধ্য দিয়ে ইতি টানল।

আমি দুঃখিত, স্কোরবোর্ডে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সোর্স বা সূত্র যুক্ত করার জন্য। আপনার কথা মতো সোর্স বা তথ্যসূত্র অংশটি সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে শুধু পরিষ্কার সংক্ষিপ্ত স্কোরবোর্ডটি নিচে দেওয়া হলো:

 

সংক্ষিপ্ত স্কোরবোর্ড

বাংলাদেশ ইনিংস: ১১৬/৫ (৬ ওভার)

 


	
	আবু হায়দার রনি: ৬২* (১৮ বল, ৩টি চার, ৮টি ছক্কা)
	
	
	হাবিবুর রহমান সোহান: ১৮ (৬ বল, ১টি চার, ২টি ছক্কা)
	
	
	সাব্বির রহমান: ১৩ (৪ বল, ২টি ছক্কা)
	
	
	রিজওয়ান চৌধুরী: ১২ (৫ বল, ২টি ছক্কা)
	


 

বোলিং (ভারত):

 


	
	ক্রুনাল পান্ডিয়া: ২ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট
	
	
	রাহুল ত্রিপাঠি: ১ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ১ উইকেট
	


 

ভারত ইনিংস: ১১৭/১ (৬ ওভার)

 


	
	শশাঙ্ক সিং: ৫০ (১৫ বল, ১টি চার, ৭টি ছক্কা - রিটায়ার্ড হার্ট)
	
	
	রাহুল ত্রিপাঠি: ৩২ (১২ বল, ৩টি চার, ৩টি ছক্কা)
	
	
	রাহুল তেওয়াতিয়া: ১৬* (৫ বল, ২টি চার, ১টি ছক্কা)
	
	
	নীতিশ রানা: ১০* (৪ বল, ১টি ছক্কা)
	


 

বোলিং (বাংলাদেশ):

 


	
	আহরার আমিন: ১ ওভারে ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট
	


ম্যাচসেরা: ক্রুনাল পান্ডিয়া (ভারত)

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 08:54:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের ২৪ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিল পাকিস্তান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119509" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/sports/119509</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে পাকিস্তান। ২৪ বছর ধরে অক্ষত থাকা ভারতের একটি বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিয়েছে তারা। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে সফল রান তাড়ায় এখন সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের রেকর্ড পাকিস্তানের দখলে।

এর আগে ২০০২ সালে লর্ডসে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ভারত। সেই ম্যাচে যুবরাজ সিং ও মোহাম্মদ কাইফের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে দুই উইকেটে জয় পেয়েছিল দলটি। ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় জয় হিসেবে বিবেচিত হয় ম্যাচটি।

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই রান তাড়া করে ভারতের সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে পাকিস্তান। তবে রান সংগ্রহের হিসাবে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে তারা। ২০০২ সালের ফাইনালে ভারত করেছিল ৩২৬ রান। অন্যদিকে শনিবারের ফাইনালে পাকিস্তানের জয়ের জন্য যখন এক রান প্রয়োজন, তখন ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। এতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩১ রান। ফলে ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে সফল রান তাড়ায় সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড গড়ে দলটি।

এই তালিকার শীর্ষ দুটি স্থান এখন পাকিস্তান ও ভারতের দখলে। তৃতীয় স্থানেও রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ। ১৯৯৮ সালে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১৫ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল ভারত। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৯৩ সালে শারজায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৮৫ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা। পঞ্চম স্থানে নিউজিল্যান্ড, যারা ২০০৫ সালে হারারেতে ভারতের বিপক্ষে ২৭৭ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল।

ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন কামিন্দু মেন্ডিস। ১২৮ বলে ১৩১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এ ছাড়া পাভন রত্নায়েকে করেন ৭৭ রান।

৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ১৪ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় দলটি। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন বাবর আজম। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে পাল্টা আক্রমণ চালান ফখর জামান। ৯৯ বলে ১২৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে সাদ বেগের সঙ্গে তার ১৪৯ রানের জুটি ম্যাচে পাকিস্তানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।

শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আরাফাত মিনহাস। মাত্র ৩১ বলে ৬১ রান করেন তিনি। হাসান নাওয়াজের সঙ্গে তার ৯৪ রানের জুটি পাকিস্তানের জয়ের পথ আরও সহজ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য যখন দুই রান প্রয়োজন, তখন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের সমাপ্তি টানেন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। তিন উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান, হাতে ছিল ৯ বল।

এই জয় পাকিস্তানের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত কিটপ্লাই কাপের পর আর কোনো ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিততে পারেনি দলটি। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আবারও শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান। শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে এবং শেষ দিকে চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় খেলেই স্মরণীয় এই জয় তুলে নেয় তারা।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 06:19:28 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
