<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/international</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 20 Sep 2026 08:20:36 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[হুথিদের ওপর হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117934" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117934</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করেছিলেন। ফোনে তিনি হুথিদের ওপর বিমান হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ জানান। তবে সে সময় ট্রাম্প ওই অনুরোধে সাড়া দেননি।

তবে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার পর এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম CNN। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হুথিদের হামলার পর ওয়াশিংটন বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

CNN জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবকাশ কাটানোর স্থান ক্যাম্প ডেভিড থেকে হঠাৎ করে হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন। এর আগে তিনি অবকাশস্থলে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।

CNN-এর জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যালেক্স প্লিটসাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের ওপর হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন দূতাবাস ও বিভিন্ন অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা হয়। এর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বৈঠক শেষে ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনাগ্রহী ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে বিপুল ব্যয়ের পর নতুন করে আরেকটি সামরিক সংঘাতে জড়ানো নিয়ে ওয়াশিংটনের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। পাশাপাশি নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে নতুন কোনো সামরিক সংঘাতের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি আলোচনা হয়েছিল। ওই আলোচনায় হুথিরা লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে হামলা না চালানোর বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিল বলে জানা গেছে। হুথিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার পেছনে এটিও একটি কারণ ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Sep 2026 08:20:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মস্কোয় ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117923" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117923</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাশিয়ার মস্কো অঞ্চলে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এতে দুজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। গভর্নর আন্দ্রি ভোরোবিয়ভ জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রোববার মধ্যরাতে এ হামলা চালানো হয়।

গভর্নর বলেন, মস্কো অভিমুখে ছোড়া ইউক্রেনের ২৪৯টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে কয়েকটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় একাধিক আবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় একটি গুদামেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এদিকে মস্কো শহরের একটি তেল পরিশোধনাগারেও ড্রোন হামলার প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন। হামলার কারণে রাজধানীর দুটি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল সীমিত করা হয়।

মস্কোর গভর্নর জানান, সোফিয়ানো এলাকায় ড্রোনের আঘাতে ৪৪ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছেন। তার তিনতলা বাড়িতে ড্রোন আঘাত হানার পর একই ভবনে থাকা আরও পাঁচজন আহত হন। ওরেখোভো-জুয়েভো জেলাতেও ড্রোন হামলায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মস্কোর আকাশে ড্রোন বিস্ফোরিত হতে দেখা গেছে। একটি গুদামে আগুন লাগার দৃশ্যও ভিডিওতে দেখা যায়।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, রাজধানীর একটি ভবন ও একটি তেল পরিশোধনাগারে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হেনেছে। তিনি দাবি করেন, প্রায় ২৫০টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং হামলাটিকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে গতকাল শনিবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও পূর্বাঞ্চলীয় সামি শহরে রাশিয়ার হামলায় সাতজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক কয়েক দিনে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই জ্বালানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে আসছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Sep 2026 06:53:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117921" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117921</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে তুরস্ক। গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নেতারা ওই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, সৌদির পাশে দাঁড়াতে তুরস্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং বিশেষ করে সামরিক প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনটিভিকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর গুরুতর হামলা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদির কিছু সামরিক সহায়তা প্রয়োজন হলে, বিশেষ করে প্রযুক্তিগত বিষয়ে, তুরস্কের সহযোগিতা দিতে কোনো সমস্যা নেই।

এর আগে শনিবার হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর কয়েকটি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে তারা।

হামলার পর রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের আশপাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা যায়। পরে জানা যায়, বিমানবন্দরের কাছাকাছি আরামকোর একটি ডিপোতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ওই ডিপোটিতে বিমানের জ্বালানি বা জেট ফুয়েল সংরক্ষণ করা হতো।

হামলার প্রভাব পড়ে রিয়াদের বিমান চলাচলেও। বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। এ সময় শত শত ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি আরও কয়েকশ ফ্লাইট বিলম্বিত হয় বলে জানা গেছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Sep 2026 06:33:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে সতর্কতা, অবকাশ কাটছাঁট ট্রাম্পের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117920" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117920</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই ক্যাম্প ডেভিডে অবকাশ কাটাতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই হোয়াইট হাউজে ফিরে এসেছেন। তবে আকস্মিকভাবে ফিরে আসার কারণ তার দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।

ম্যারিল্যান্ডের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত ক্যাম্প ডেভিড মার্কিন প্রেসিডেন্টদের অবকাশযাপনের অন্যতম নির্ধারিত স্থান।

শনিবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি তেল ডিপোতে বড় ধরনের আগুন লাগে। এ ঘটনার পর হুথিদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অঞ্চলটির পরিস্থিতি যেকোনো সময় আরও অবনতি হতে পারে। এ কারণে সেখানে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সতর্কবার্তায় ইরান-সমর্থিত হুথিদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে এবং বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চলমান সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থাকা মার্কিন নাগরিকদের ওই অঞ্চলে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে হুথি বিদ্রোহী ও ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সমর্থনে সৌদি আরব বিমান হামলা চালানোর পর হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে হামলা জোরদার করে।

এর মধ্যে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একাধিক স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Sep 2026 06:26:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিউ মেক্সিকোয় বন্যায় নিহত ৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117896" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য নিউ মেক্সিকোয় ভারী বৃষ্টির পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু রয়েছে। বন্যার পানিতে বিভিন্ন সড়কও তলিয়ে গেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তর-পশ্চিম নিউ মেক্সিকোর নিউকম্ব এলাকার কাছে কয়েকজন বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই প্রাপ্তবয়স্ক ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

নাভাহো নেশনের প্রেসিডেন্ট বু নাইগ্রেন নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

নাইগ্রেন বলেন, আকস্মিকভাবে প্রিয়জন হারানোর এই কষ্ট প্রকাশ করার মতো কোনো শব্দ নেই। তিনটি প্রাণহানির ঘটনায় তাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত।

এদিকে, কয়েক দিন ধরেই ব্যাপক বজ্রঝড়ের আশঙ্কার কথা জানিয়ে আসছে ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের আলবুকার্ক কার্যালয়। বুধবারও সতর্কতা জারি করে সংস্থাটি জানায়, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের তুলনায় এবার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, নিউ মেক্সিকোর পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি রয়েছে। মধ্য ও উত্তর নিউ মেক্সিকোর অন্যান্য এলাকাতেও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো, কলোরাডো ও ইউটাহর বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম নিউ মেক্সিকোর কয়েকটি এলাকায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্য ও উত্তর অ্যারিজোনার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এর কয়েক সপ্তাহ আগেও ভারী বৃষ্টির কারণে অ্যারিজোনার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছিল। সে সময় পানির প্রবল স্রোতে তিনজন পর্বতারোহী ভেসে যান। পরে আরও কয়েক ডজন মানুষকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Sep 2026 08:19:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফিলিপাইনে জাহাজে আগুন, নিহত বেড়ে ৭৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117895" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117895</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফিলিপাইনের পালাওয়ান প্রদেশের কাছে যাত্রীবাহী একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু।

ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড (পিসিজি) বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জানায়, &lsquo;এমভি জুন অ্যাস্টার&rsquo; নামের জাহাজটিতে মোট ১২৮ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। প্রাথমিকভাবে যাত্রী তালিকায় ১৩২ জনের নাম থাকলেও পরবর্তী যাচাইয়ে জানা যায়, তাদের মধ্যে চারজন জাহাজে ওঠেননি।

পিসিজির মুখপাত্র কমোডর নোমি কায়াবিয়াব জানান, দুর্ঘটনার পর জাহাজটি থেকে ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজের টিকিট ও যাত্রী তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই এবং মিলিয়ে দেখার কাজ এখনো চলছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে।

&lsquo;এমভি জুন অ্যাস্টার&rsquo; গত ৯ সেপ্টেম্বর ম্যানিলা থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপাইনের পালাওয়ান প্রদেশের করোন শহরের কাছে সমুদ্রসীমায় জাহাজটিতে আগুন লাগে।

আগুন লাগার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Sep 2026 08:15:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছি: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117890" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117890</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বর্তমানে সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি বলেন, &ldquo;আমরা সম্ভবত যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি। তারা (তেহরান) একটি চুক্তি করতে চায়। দেখা যাক, কী হয়।&rdquo;

সাংবাদিকদের ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের কাছ থেকে তিনি &lsquo;সরাসরি&rsquo; একটি বার্তা পেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এদিকে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন ট্রাম্প। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের পাশাপাশি আরও একটি উপসাগরীয় দেশের প্রতিনিধিও বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।

আসন্ন বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করেছিল অ্যাক্সিওস। তবে এ বিষয়ে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। এর পরদিন ১ মার্চ ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। সংঘাতের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন পক্ষ এতে জড়িয়ে পড়ে।

সেপ্টেম্বরে এই সংঘাত সপ্তম মাসে প্রবেশ করেছে। এ সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দুবার যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুবারই তা ভেঙে যায়। গত কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অনেকটা স্থবির রয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Sep 2026 06:56:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্রিসে নৌকাডুবি: ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117871" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117871</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ গাভদোসের কাছে নৌকাডুবির ঘটনায় এক অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। গত রোববার এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম &lsquo;টু ভিমা&rsquo;র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌকাটিতে মোট ৭৭ জন যাত্রী ছিলেন। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর গ্রিসের কোস্টগার্ড বাহিনী ৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

নিখোঁজদের উদ্ধারে গ্রিসের কোস্টগার্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সীমান্তরক্ষী বাহিনী ফ্রন্টেক্স যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। চারটি নৌযান, একটি উড়োজাহাজ ও একটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে এ উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে কোন কোন দেশের নাগরিক রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট করেনি গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের উদ্ধার করার পর ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ইআরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে রোববার থেকেই অভিযান শুরু হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

গ্রিসের অভিবাসন আইন বেশ কঠোর। দেশটির ভূখণ্ডে নথিপত্র ছাড়া প্রবেশ করলে বিদেশিদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক আটক, শাস্তি এবং দ্রুত বহিষ্কারের মতো আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 15 Sep 2026 06:05:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117869" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117869</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সামরিক বাহিনীর আন্তঃবিভাগীয় জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) গতকাল এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআরের বিবৃতি অনুযায়ী, রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ড. মুহাম্মদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। বৈঠকেই দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীর প্রধান। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার, সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়ানো, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং যৌথ সামরিক মহড়া আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে পাকিস্তান। গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসলামাবাদ। এরপর ২৮ আগস্ট মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েতের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি করে পাকিস্তান।

অর্থাৎ, ৭ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় এক মাসের ব্যবধানে সৌদি আরব, তুরস্ক, কুয়েত ও ইন্দোনেশিয়াসহ চার দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 15 Sep 2026 05:41:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদির ৩ শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ১৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117868" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117868</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবের তিন শহর খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। হামলায় ১৩ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

হামলায় অন্তত সাতটি বাড়িঘর ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার রাতে হামলার পর মঙ্গলবার ভোরে আবহা, জেদ্দা, জাজান, তাইফ, ইয়ানবু ও আলউলা-সহ সৌদি আরবের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি করা হয়।

ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-ইয়েমেনি সামরিক জোটের মুখপাত্র তুরকি আল-মালকি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, হুথিরা ইচ্ছাকৃতভাবে সৌদি আরবের বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। বেসামরিকদের ওপর হামলা তাদের উগ্র ও সহিংস মতাদর্শেরই বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরও বলেন, সৌদি-ইয়েমেনি সামরিক জোট এ ধরনের হামলা মোকাবিলা করবে এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামো রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে সোমবারের হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত হুথি গোষ্ঠীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এর আগে ইয়েমেনে হুথিদের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় সৌদি আরবের ব্যাপক বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি খাতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে হুথি যোদ্ধারা লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে সংযুক্তকারী বাব এল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনে বিমান অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি আরব। হুথিদের দাবি, রোববার পর্যন্ত সৌদি বিমানবাহিনী ইয়েমেনে ১৩০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে।

এদিকে ইয়েমেনের সেনাবাহিনীও উত্তরাঞ্চল ও রাজধানী সানাকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করতে অভিযান চালাচ্ছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বিমান হামলা নিয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি বিমান হামলাগুলো এখন পর্যন্ত মূলত সম্মুখসারিতে থাকা ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীকে সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। হুথিদের ক্ষমতার প্রধান কেন্দ্রগুলো, including রাজধানী সানা, এখনো বড় ধরনের হামলার লক্ষ্য হয়নি।

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের সংঘাতের সূত্রপাত ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর। ২০১৫ সালে ইরান-সমর্থিত হুথিরা রাজধানী সানা দখল করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। এরপর তার সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অংশ সৌদি-সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 15 Sep 2026 05:35:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ব্রিকস নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ অনুমোদন পেল।]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117866" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117866</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিন গতকাল শনিবার গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে লাগাম টানার জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে সমর্থন জানিয়ে জোটের দুই সদস্যদেশ ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ঘোষণাপত্রে সই করেছে। আঞ্চলিক যুদ্ধে দেশ দুটির ভিন্ন অবস্থান থাকলেও যৌথ ঘোষণায় তাদের সমর্থনকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে বৈঠক হয়। চলমান উত্তেজনা শুরুর পর দুই দেশের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক আলোচনা। আবুধাবির সরকারি তথ্যমতে, দুই নেতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু, সংঘাত প্রশমন, স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়ন জোরদারের নানা উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সম্মেলনে গৃহীত &lsquo;নয়াদিল্লি ঘোষণা&rsquo;য় নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে সব ধরনের একতরফা সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এতে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে জোর দেওয়া হয়।

সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জ্বালানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানায় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকস। সদস্য দেশসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একতরফা অর্থনৈতিক বাধা দূর করার দাবি জানিয়েছে তারা।

রয়টার্স ও আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে জোটের যৌথ ঘোষণাপত্র &lsquo;ব্রিকস নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন&rsquo; আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে ব্রিকস নেতারা এ ঘোষণা দিলেন। ঘোষণাপত্রে কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে সব ধরনের আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্টসহ ১১ সদস্যের এই জোটের অন্য নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস জোটের দেশগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ওই অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ধ্বংস ডেকে এনেছে। এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থেরও পরিপন্থি।

শি জিনপিং ব্রিকস সদস্য দেশগুলোকে যে কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাণিজ্য শুল্কের সমালোচনা করে তিনি সব ধরনের &lsquo;সুরক্ষাবাদ&rsquo; প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান। তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে (ডব্লিউটিও) কেন্দ্র করে একটি স্থিতিশীল বহুমুখী বাণিজ্য ব্যবস্থা বজায় রাখার পক্ষে মত দেন।

শি জিনপিং ব্রিকস জোটকে গ্লোবাল সাউথের নেতৃস্থানীয় এবং উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীলতার মডেল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই জোটের উচিত উদ্ভাবনভিত্তিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। শি ঘোষণা করেন, আগামী বছর চীন ব্রিকসের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেবে এবং ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করবে।

সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের একটি ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের বিষয়ে দুই নেতা প্রতিশ্রুতি দেন। মোদি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা এবং আগের চুক্তিগুলো মেনে চলা জরুরি। দুই দেশের মতভেদ যেন কখনও বড় বিরোধে রূপ না নেয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতা ও স্বার্থ&ndash; এই তিন নীতি অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবটি আমলে নিয়ে সব পক্ষকে গাজায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পূর্ণ ও অবাধ সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার যে কোনো নীতি বন্ধেরও আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস জোট। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, &lsquo;ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ন্যায়সঙ্গত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান শুধু শান্তিপূর্ণ উপায়েই অর্জন করা সম্ভব বলে আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি। এটি ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার, যার মধ্যে রয়েছে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিজ ভূমিতে ফিরে আসার অধিকার।&rsquo;

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া চাপিয়ে দেওয়া একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সমালোচনা করা হয়েছে। এখানে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম নেওয়া না হলেও ওয়াশিংটনের একতরফা শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার নীতির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে কৌশলী শব্দ ব্যবহার করলেও গাজা ও লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করে সমালোচনা করেছে ব্রিকস। লেবাননের ভূখণ্ড থেকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীকে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্রিকসের দুই নতুন সদস্য ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা চলছে। যুদ্ধের কারণে গত আগস্টে ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য স্থগিত করে আমিরাত। গত মে মাসেও দুই দেশের মতপার্থক্যের কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা যায়নি। এবার নয়াদিল্লি সম্মেলনে সব পক্ষকে একটি অভিন্ন ঘোষণাপত্রে সম্মত করানোকে ভারতের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ইসরায়েল ও ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ব্রিকস নেতারা বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় জরুরি সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তাদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানে পশ্চিমা বিশ্ব অনুচিত প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। জোটের দেশগুলো নিজস্ব ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা এবং এআই প্রযুক্তিতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। একই সঙ্গে সদস্য দেশগুলো টেকসই পরিবহন অবকাঠামো তৈরিতে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সম্মত হয়েছে। কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিমানে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন নেতারা।

প্রসঙ্গত, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Sep 2026 05:13:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117801" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ &lsquo;হরমুজ প্রণালি&rsquo;কে &lsquo;নতুন মার্কিন ভূখণ্ড&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ এসংক্রান্ত একটি মানচিত্র প্রকাশ ও শেয়ার করেছেন।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট নিউইয়র্কে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, &ldquo;সামনে ইরান খুব বাজেভাবে হারতে যাচ্ছে এবং ইরানকে পরাজিত করার পর আমি হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।&rdquo;

উল্লেখ্য, ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালিটি বৈশ্বিক জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের প্রধান পথ। প্রণালিটির একদিকে ইরান এবং অন্যদিকে ওমান অবস্থিত।

চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি অভিযানের পর তেহরান এই প্রণালিতে বিদেশি জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে। পরবর্তীতে ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশই তাদের অবরোধ তুলে নেয়। তবে ১৩ জুলাই ইরান চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় হরমুজে অবরোধ আরোপ করে, যা এখনও বহাল রয়েছে।

সম্প্রতি গত ১২ আগস্ট মেরিল্যান্ডে &lsquo;জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ&rsquo; সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজে স্থাপন করা ইরানি মাইনগুলো মার্কিন নৌবাহিনী অপসারণ করছে এবং পুরো প্রণালিটি এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 04:27:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117791" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117791</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শুক্রবার রাতে কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর আকস্মিক ৫০% শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু হয়। মধ্যরাতের ঠিক পরপরই এই শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনার পর, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও কানাডীয়দের জন্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনের মতো যথেষ্ট অগ্রগতি হয়নি।

সময়সীমা অতিক্রমের ঠিক কয়েক মিনিট আগে এক ইমেইল বিবৃতিতে কার্নি বলেন, &ldquo;এর ফলে, আজ সন্ধ্যায় আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কানাডার আলোচনাকারীদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।&rdquo;

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্কের ফলে কানাডা থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন আমদানির ওপর প্রভাব পড়বে।

কার্নি বলেন, আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করতে কানাডা ডলারের বিপরীতে ডলার দিয়ে সেই শুল্কের জবাব দেবে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়। এর আগে মঙ্গলবারের সেই পরিস্থিতির সাথে এর একটি নাটকীয় বিপরীত রূপ দেখা যায়, যখন ট্রাম্প তিন দিনের জন্য শুল্ক স্থগিত করেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন যে দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে!

সর্বশেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুই পক্ষের কর্মকর্তারাই একটি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। বৃহস্পতিবার, মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কের দায়িত্বে থাকা কানাডার মন্ত্রী মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রীরের সাথে বেশ কয়েক ঘণ্টা বৈঠক করেন।

গ্রীরের কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক সাংবাদিকদের বলেন, &ldquo;আমরা খুব কাছাকাছি আছি, আমরা অগ্রগতি অব্যাহত রাখছি এবং কাঙ্ক্ষিত পয়েন্টে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা এখানেই থাকব।&rdquo;

শুক্রবার কানাডার আলোচনাকারীরা তাদের মার্কিন সমকক্ষদের সাথে আবারও বৈঠক করেন এবং আলোচনা রাতের শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত গড়ায়। কর্মকর্তারা শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার পরেও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

কার্নি তার বিবৃতিতে জানান, &ldquo;মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তসমূহের শেষ মুহূর্তের পরিবর্তনগুলো ছিল অন্যায়, অর্থনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং যেকোনো চুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।&rdquo;

কার্নি আরও বলেন, আমরা শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছি যে আমেরিকা বদলে গেছে, এবং আমরা আমাদের পুরনো সম্পর্কে ফিরে যাব না। কানাডার কাছে যা আছে তা বিশ্ব চায়। এবং আমরা কোনো দেশকে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেব না।

শনিবার ভোরে এক বিবৃতিতে গ্রীর জানায়, কানাডা চলতি সপ্তাহের শুরুতে সম্মত শর্তের অধীনে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকার করেছে।

মার্কিন চেম্বার অব কমার্স এই সপ্তাহে একটি বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে যে, উচ্চতর শুল্ক উভয় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, মার্কিন পরিবারগুলোর খরচ বাড়িয়ে দেবে, গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও ব্যাহত করবে এবং উত্তর আমেরিকান বাণিজ্য চুক্তির ওপর নির্ভরশীল ১ কোটি ৩০ লক্ষ মার্কিন চাকরির ঝুঁকি তৈরি করবে।

শুক্রবার কার্নির ঘোষণার পর, কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সও একই সুর গেয়ে এটিকে &ldquo;এই আত্মঘাতী বাণিজ্য গাথায় উত্তর আমেরিকান প্রতিযোগিতক্ষমতার ওপর একটি বড় আঘাত&rdquo; বলে অভিহিত করেছে।

কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ক্যান্ডেস লাং বলেছেন, আমেরিকানরা তাদের খরচ বাড়তে দেখবে, এবং কানাডিয়ানরা গ্রাহক, বিনিয়োগ এবং ছোট ব্যবসাগুলোকে হারিয়ে যেতে দেখবে।

১৯৩০ সালের শুল্ক আইনের ধারা ৩৩৮ দ্বারা প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার অধীনে নতুন শুল্কগুলো আরোপ করা হয়েছিল, যা আগে কখনো ব্যবহার করা হয়নি।

এই আইন হোয়াইট হাউসকে যেকোনো বৈদেশিক বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর ৫০% পর্যন্ত শুল্ক বাস্তবায়নের অনুমতি দেয় যারা মার্কিন বাণিজ্যের সাথে বৈষম্য করে।

সূত্র: সিবিসি নিউজ

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 09:24:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117788" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117788</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসন ভিসা প্রদান স্থগিতের মার্কিন নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ বিষয়ে রায় দেন ম্যানহাটনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক জিনেট ভার্গাস।

রায়ে বলা হয়, এ নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।

বিচারক জিনেট ভার্গাস বলেন, জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত নীতিটি &lsquo;স্পষ্টতই বেআইনি&rsquo; এবং এটি ফেডারেল অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, অভিবাসী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা আইন অনুযায়ী স্পষ্টভাবে সীমিত।

সাধারণত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ভিসার আবেদন যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে অভিবাসন ভিসা দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেন ভিসা কর্মকর্তারা।

সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া বিচারক ভার্গাস তার রায়ে বলেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ করার এ নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।

জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই নীতির আওতায় ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করা হয়েছিল। তালিকায় লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল। এ ছাড়া আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশও এ তালিকায় ছিল।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:15:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিরক্ষামূলক থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতিতে ইরান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117786" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117786</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামরিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এতদিনের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে আরও আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

শনিবার (২২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দেশটির সামরিক কৌশলে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি জানান, নতুন কৌশলের আওতায় ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা জবাব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আগাম প্রতিরোধমূলক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন আকরামিনিয়া। তার দাবি, মার্কিন সেনাদের হত্যা বা বন্দী করতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বা বৈধভাবে অস্ত্রের মালিক কোনো নাগরিক মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করতে পারলে তাকে ৫ বিলিয়ন তোমান, যা প্রায় ২৬ হাজার ডলারের সমান, পুরস্কার দেওয়া হবে। কোনো নারী এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিলে পুরস্কারের অর্থ দ্বিগুণ হয়ে ১০ বিলিয়ন তোমান বা প্রায় ৫৩ হাজার ডলার হবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি মূল্যের দ্বিগুণ দামে কিনে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা। পরে অস্ত্রটি মূল মালিকের নামে সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ এবং তাকে নতুন একটি বিকল্প অস্ত্র দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলেও দাবি করেছেন আকরামিনিয়া। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

আকরামিনিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া এ ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত এবং অঞ্চলটিতে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক প্রভাব কমে যাওয়ার প্রমাণ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:07:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজে জাহাজ চলাচল কমেছে ৮০ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117783" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুদ্ধ শুরুর পর এখনো স্বাভাবিক হয়নি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল। নতুন তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নেমে এসেছে মাত্র ২০ শতাংশে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)-এর তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১০৩টি জাহাজ প্রবেশ করেছে এবং ৮৯টি জাহাজ বের হয়েছে। যুদ্ধের আগে সাত দিনে এই নৌপথে যে পরিমাণ জাহাজ চলাচল করত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে তার মাত্র এক-পঞ্চমাংশে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের বাধার কারণে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও। জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্রোন দিয়ে নজরদারি, রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে জাহাজকে সতর্ক বা থামানোর চেষ্টা এবং নৌপথের বিভিন্ন এলাকায় মাইন থাকার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে তেলবাহী ট্যাংকারে। কমে যাওয়া জাহাজগুলোর প্রায় ৪৫ শতাংশই ছিল তেলবাহী ট্যাংকার।

ইউকেএমটিও আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে ওমানের উপকূলসংলগ্ন নৌপথটি বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত ৬ জুলাইয়ের পর নৌপথে রিপোর্ট হওয়া ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল হামলার মধ্যে ১৬টিই এই এলাকায় ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:44:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ যৌন ব্যবসা চক্রের ২৬ জন আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117781" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117781</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিদেশি নারীদের দিয়ে পরিচালিত একটি কথিত যৌন ব্যবসা চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ ঘটনায় বাংলাদেশি-থাই দম্পতিসহ ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার রাতে কুচাই লামা ও জালান গেলুগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার কর্মকর্তারা রাত ১০টা ৫০ মিনিটে অভিযান শুরু করেন। এর আগে প্রায় দুই সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে নজরদারি চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, আটক ২৬ জনের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি পুরুষ, একজন থাই নারী, একজন মালয়েশীয় পুরুষ, তিনজন মিয়ানমারের পুরুষ, তিনজন বাংলাদেশি নারী, ১৪ জন ইন্দোনেশীয় নারী, দুইজন ভিয়েতনামী নারী ও একজন মিয়ানমারের নারী রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক বিদেশিদের কারও কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস ছিল না। অভিযানে চারটি বাংলাদেশি, একটি থাই ও একটি ইন্দোনেশীয় পাসপোর্ট, কয়েকটি মোবাইল ফোন, কনডম এবং ১ হাজার ২১৫ রিঙ্গিত নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবাসিক ও বাণিজ্যিক দুটি স্থাপনা ব্যবহার করে বিদেশি নারীদের দিয়ে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশেষ করে ক্লাং ভ্যালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে গ্রাহক আকৃষ্ট করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটির মূলহোতারা কর্মীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং তাদের পাসপোর্ট নিজেদের হেফাজতে রাখতেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে আবাসিক স্থাপনাটিতে গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো।

অন্যদিকে, বাণিজ্যিক স্থাপনাটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন এক স্থানীয় ব্যক্তি। কর্তৃপক্ষের ধারণা, তিনি সেখানে &lsquo;ক্যাপ্টেন&rsquo; বা পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আবাসিক স্থাপনায় ৬০ মিনিটের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ রিঙ্গিত এবং বাণিজ্যিক স্থাপনায় ৯০ মিনিটের জন্য ২৬০ থেকে ৪০০ রিঙ্গিত নেওয়া হতো। চক্রটি প্রায় দুই মাস ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

আটক বিদেশি দম্পতি ও স্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৫৬(১)(ডি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের একই আইনের ৬(১)(সি) ধারায় আটক করা হয়েছে।

আটকদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে সহায়তার জন্য আরও সাতজন স্থানীয় পুরুষকে ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, দেশের আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত যেকোনো কর্মকাণ্ড বন্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:38:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরান এখনো ‘সঠিক চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117779" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117779</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে &lsquo;সঠিক চুক্তি&rsquo; করতে প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, ওয়াশিংটন তা পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সুযোগ সীমিত হয়ে এসেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;এর অর্থ হলো, আমরা দেখছি কী ঘটে।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, &lsquo;হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পুরো অঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।&rsquo; এমনকি স্থলভাগের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, &lsquo;তারা (ইরান) অবশ্যই একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু আমার মতে, তারা এখনো সঠিক চুক্তিতে রাজি হওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়।&rsquo;

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ এখনই শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে ইরান শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির থাকলেও যুদ্ধ বন্ধের এটাই উপযুক্ত সময়।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) চিকিৎসকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, &lsquo;আমরা এখন শক্তি ও মর্যাদার অবস্থানে আছি। তাই যুদ্ধটি এখনই শেষ করা আমাদের জন্য ভালো হবে।&rsquo;

তিনি আরও দাবি করেন, &lsquo;বিশ্ব এখন ইরানের বিজয় স্বীকার করছে।&rsquo;

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:29:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ঘিরে ইসরাইল-তুরস্ক উত্তেজনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117757" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117757</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইসরাইল ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইসরাইল তুরস্ককে সিরিয়ায় &lsquo;বিপজ্জনক দুঃসাহসিকতা&rsquo; থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টা তুরস্ক সিরিয়ায় ইসরাইলের &lsquo;বেপরোয়া হামলা&rsquo; বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

গত মঙ্গলবার সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় বিমানঘাঁটির রানওয়ে ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরাইলের দাবি, আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছিল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর বলেছে, সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েন করা হলে ইসরাইলের সঙ্গে বিদ্যমান নিরাপত্তা সমঝোতার &lsquo;স্থিতাবস্থা&rsquo; লঙ্ঘিত হতো।

তবে ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক ও সিরিয়া। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন, আবু আল-দুহুরে তুরস্কের কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল না। তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা সেখানে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, হামলার আগে বা হামলার সময় ওই ঘাঁটিতে কোনো তুর্কি সামরিক প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল না। একই সঙ্গে সিরিয়ায় ইসরাইলের &lsquo;বেপরোয়া হামলা&rsquo; বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আঙ্কারা।

এর মধ্যেই তুরস্ককে সতর্ক করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সিরিয়ায় তুরস্ককে &lsquo;বিপজ্জনক দুঃসাহসিকতায়&rsquo; জড়ানো এবং ইসরাইলের আত্মরক্ষার দৃঢ়তা পরীক্ষা করা উচিত নয়।

বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে তুরস্ক। দেশটির সামরিক সক্ষমতা ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে আঙ্কারা সহযোগিতা করছে। ফলে সিরিয়ায় তুরস্কের প্রভাব বাড়ার বিষয়টি ইসরাইলের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রও সক্রিয় হয়েছে। ইসরাইল, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে সংঘাত এড়াতে একটি &lsquo;ডি-এস্কেলেশন&rsquo; বা উত্তেজনা প্রশমন যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা সামরিক ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 11:35:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে বড় সামরিক হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত ইসরাইল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117745" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/international/117745</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দেশটির রিজার্ভ মেজর জেনারেল উজি দায়ান বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগাম হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। তার মতে, ইরান ইস্যুতে ইসরাইল পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে পারে না। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উজি দায়ান বলেন, ইসরাইল বর্তমানে &lsquo;অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধের&rsquo; মধ্যে রয়েছে। ইরান থেকে আসা হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজন হলে নিজেদের উদ্যোগেই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা ইসরাইলকে ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। একই সঙ্গে ইরানকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এর জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের &lsquo;স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ&rsquo; বজায় রাখা জরুরি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ইসরাইল-ইরান উত্তেজনা অব্যাহত থাকার মধ্যেই উজি দায়ানের এমন মন্তব্য সামনে এলো। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না নিলে তেল আবিব এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পারবে কি না, তা নিয়েও দেশটির অভ্যন্তরে আলোচনা বাড়ছে।

ইসরাইলের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোয় উজি দায়ানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এর আগে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগাম হামলা নিয়ে তার মন্তব্যকে রাজনৈতিক ও সামরিক&mdash;দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:48:10 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
