<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/education</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews education Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 04 Nov 2026 08:33:40 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[আবারও দেশ সেরা ঢাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119656" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119656</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) &lsquo;ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র&zwnj;্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭&rsquo;-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এবারের র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাবির অবস্থান ১৩৬তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৬তম। গত বছরও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিলো ঢাবি। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ কিউএস এ র&zwnj;্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।

এবারের র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় হয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, &lsquo;আন্তর্জাতিক র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অবস্থান আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখা আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। তবে শুধু র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ধরে রাখাই আমাদের লক্ষ্য নয়; বরং শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।&rsquo;

উপাচার্য বলেন, &lsquo;বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করা, গবেষণায় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&rsquo;

উল্লেখ্য, কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে একাডেমিক সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, গবেষণার মান ও প্রভাব, পিএইচডিধারী শিক্ষক, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Nov 2026 08:33:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সামাজিক সচেতনতার গুরুত্বারোপ নিয়ে ঢাবিতে সেমিনার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119657" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119657</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ, উইনরক ইন্টারন্যাশনাল ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির (বিসিপিএস) যৌথ উদ্যোগে &lsquo;Ensuring Quality Mental Health Services in Bangladesh&rsquo; শীর্ষক জাতীয় সেমিনার মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়। এবছর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল &lsquo;Lived Experienced Heard : Real voices, Real change&rsquo;। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী ডা. এস. এম. জিয়া উদ্দিন হায়দার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. শাহানূর হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ দীপ্তা রক্ষিত বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান মজুমদার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিনিয়র পাবলিক হেলথ অফিসার ড. হারুকা সাকামোতো আলোচনায় অংশ নেন। উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ম্যানেজার শেখ নাজমূল ইসলাম তৃণমূল পর্যায়ের মানসিক স্বাস্থ্য সেবার বাস্তব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ, পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ববোধ কমে যাচ্ছে। মানুষ এখন মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখলেও প্রতিবেশীর খবর রাখে না। এ ধরনের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দূর করতে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এলক্ষ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী, কাউন্সেলর ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ বিষয়ে নেতিবাচক ধারণা ও কুসংস্কার দূর করতে হবে। নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী-সহ সবার জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী ডা. এস. এম. জিয়া উদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৩ শতাংশ শিশু মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এ সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার ধরনের পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, শিশু-কিশোরদের একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ করতে হবে। শুধু সমস্যার লক্ষণ নয়, এর মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯২ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় প্রধান দুটি বাধা হলো-স্টিগমা ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবার অপ্রতুলতা, যা দূর করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটি (বিসিপিএস) ১৯৯৭ সাল থেকে কাজ করছে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Nov 2026 08:33:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি প্রো-ভিসির সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল স্কলারের সাক্ষাৎ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119630" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119630</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল স্কলার ইয়ান হে (Yan He)। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা)-এর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আইসিডিডিআরবির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডা. অপূর্ব অহম উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে বায়ুদূষণ ও সিসার উপস্থিতি এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে চলমান গবেষণা কার্যক্রম, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, নমুনা বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় ইয়ান হে বাংলাদেশে পরিচালিত &lsquo;Project Unleaded&rsquo; এবং &lsquo;Airborne Lead Study&rsquo; গবেষণা কার্যক্রমের বিষয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে অবহিত করেন। এ গবেষণার আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ু ও পরিবেশে সিসাসহ অন্যান্য ভারী ধাতুর উপস্থিতি এবং বায়ুদূষণের মাত্রা নিরূপণে নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল, ইটভাটা ও দেশের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে নমুনা সংগ্রহের সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বায়ুমান পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার, বিভিন্ন স্থানে নমুনা সংগ্রহের যন্ত্র স্থাপন এবং সংগৃহীত তথ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণার মান ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যগত প্রভাব, বিশেষ করে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস ও জনস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব নিরূপণে সমন্বিত গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এ ধরনের গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও গবেষকদের সঙ্গে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ পরিবেশদূষণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর গবেষণা এবং নীতিনির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Nov 2026 11:48:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের প্রদর্শনী উদ্বোধন, ৬ শিক্ষার্থীর পুরস্কার লাভ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119597" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119597</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সোমবার ওসমান জামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের পুত্র আসিফ আহমেদ এবং ভাস্কর আইভি জামান। ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মুকুল কুমার বাড়ৈ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের রয়েছে প্রায় ৭০ বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। শিল্পী জয়নুল আবেদিন ও অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই বিভাগ থেকে বহু গুণী শিল্পী ও সৃজনশীল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। এই ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মে অসাধারণ সৃজনশীলতা ও ব্যতিক্রমী চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। একটি সুন্দর শিল্পভাবনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী শক্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভাস্কর্যের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, আন্দোলন-সংগ্রাম, শিক্ষা ও গবেষণার নানা দিক তুলে ধরা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ভাস্কর্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের শিল্পচর্চা ও সৃজনশীলতার এই ধারা আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক আবদুস সালাম প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান এবং পুরস্কারপ্রাপ্তদের বিশেষ শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রদর্শনীতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন এমএফএ দ্বিতীয় পর্বের শিক্ষার্থী সুপ্রিয় কুমার ঘোষ (নিরীক্ষামূলক শ্রেষ্ঠ পুরস্কার), বিএফএ তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. তাফসিরুল ইসলাম (মাধ্যম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার), এমএফএ প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী সুমিত রায় (ভাস্কর নভেরা আহমেদ স্মৃতি পুরস্কার), বিএফএ তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজা ফাইরুজ (অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক স্মৃতি পুরস্কার), এমএফএ প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী সুইটি আক্তার (অধ্যাপক হামিদুজ্জামান খান স্মৃতি পুরস্কার) এবং বিএফএ তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহানা আলম ইশা (শিল্পী আনোয়ার জাহান স্মৃতি পুরস্কার)। পুরস্কারপ্রাপ্ত সবাই ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, সাবেক শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে এই প্রদর্শনী আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

সাননিউজ/বান্না

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Nov 2026 07:28:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি ও স্টকহোম ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে ব্ল্যাক কার্বন বিষয়ে উচ্চ-পর্যায়ের নীতি সংলাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119552" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119552</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক বিষয়ক একটি উচ্চ-পর্যায়ের বিজ্ঞান-নীতি সংলাপ আজ ১ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। &lsquo;ক্লিন এয়ার ফান্ড&rsquo;-এর সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সংলাপ আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদি আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অরজান গুস্তাফসন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সরকার আগামী তিন মাসের মধ্যে ৪,০০০ মেগাওয়াট (মে.ওয়া.) সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এর মধ্যে কেবল ঢাকা শহর থেকেই ২৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ১০,০০০ মেগাওয়াট। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জ্বালানির দিকে রূপান্তর নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সৌরশক্তির সক্ষমতা বাড়ানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকারের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে &lsquo;দূষণকারী জ্বালানি&rsquo; অবকাঠামো&mdash;যেমন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র&mdash;উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ১২,০০০ মেট্রিক টন কয়লা পোড়ানো হয়, যা থেকে বিপুল পরিমাণ ব্ল্যাক কার্বন (কালো কার্বন) নির্গত হয়।

ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকারি পদক্ষেপের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইটভাটাগুলো মোট বায়ুদূষণের প্রায় ১৩ শতাংশের জন্য দায়ী, কারণ এগুলোতে প্রায়শই উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, দূষণ রোধে সরকার সারা দেশে কাঠ পোড়ানো ২০০টি ইটভাটা বন্ধ করে দিচ্ছে এবং সেগুলোর পরিবর্তে কংক্রিট ব্লক তৈরির কারখানা স্থাপন করছে। এই পরিবর্তনের ফলে ধোঁয়া নির্গমন পুরোপুরি বন্ধ হবে এবং কেবল সামান্য শব্দদূষণ অবশিষ্ট থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, কংক্রিট ব্লক উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা বায়ুকে দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদি আমিন বলেন, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতের বিভিন্ন নীতির কারণে জ্বালানি খাত বর্তমানে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, &ldquo;এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমরা জ্বালানির উৎসগুলোকে বৈচিত্র্যময় করতে চাই। সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যার মধ্যে সৌরশক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্পগুলোও বর্তমানে চলমান রয়েছে।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার উৎসাহিত করা। সেই ধারাবাহিকতায়, নতুন উদ্যোগগুলোতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।&rdquo; শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি এবং বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে সিএনজিচালিত যানবাহনের মতো পরিবেশবান্ধব পরিবহনের প্রবর্তনের কথা উল্লেখ করে মাহাদী আমিন বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নে বিএনপির একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। এছাড়া, বিএনপি সরকার প্লাস্টিক ও পলিথিন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি পাটজাত ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, বিএনপি সরকার পূর্ববর্তী শাসনামলগুলোতে সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বৃক্ষ মেলার আয়োজন করেছিল। তিনি বলেন, &ldquo;বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা সেই সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত ও আরও বিকশিত করতে চাই।&rdquo;

তিনি বলেন, &ldquo;আমরা সবাই এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে উন্নয়নের নামে প্রকৃতি ধ্বংস হবে না, বরং প্রকৃতি সংরক্ষিত থাকবে। আমরা এমন সব প্রকল্প ও উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করতে চাই, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।&rdquo; এর কারণ হলো, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবন, প্রকৃতি ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। আমরা এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নির্মল ও বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এটি অর্জনের জন্য আমাদের সামগ্রিক ও বহুমুখী পরিকল্পনা
র অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, দলটি পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজকে কেন্দ্র করে মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে জলাধার নির্মাণের পরিকল্পনা রেখেছে। এটি পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে এবং জলসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, &lsquo;ব্ল্যাক কার্বন&rsquo; বা কালো কার্বন হলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা, যা জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন&mdash;ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল) বা জৈববস্তুর অসম্পূর্ণ দহনের ফলে উৎপন্ন হয়। জ্বালানি পোড়ানোর সময় পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব থাকলে ব্ল্যাক কার্বন তৈরি হয়। ব্ল্যাক কার্বনের বিশেষ আলোকীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে; এটি সৌর বিকিরণ শোষণ করে এবং ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে তোলে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত বিএনপি সরকারের আমলে একটি সফল উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যার ফলে বায়ুমণ্ডলে ব্ল্যাক কার্বনের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছিল। সে সময় বায়ুমণ্ডলে ব্ল্যাক কার্বনের মাত্রা ছিল প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৪০ মাইক্রোগ্রাম। বর্তমানে আমরা নিয়মিত পরিমাপ করে দেখছি যে, এই মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৬ থেকে ১২ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে রয়েছে। তবে উন্নত বা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সেখানে এই মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে মাত্র ১ থেকে ২.৫ মাইক্রোগ্রাম। অর্থাৎ, আমাদের দেশে ব্ল্যাক কার্বনের মাত্রা এখনও ২৫ থেকে ৫০ গুণ বেশি, যদিও আমরা তা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে সক্ষম হয়েছি। ব্ল্যাক কার্বন আরও কমানোর জন্য আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ব্ল্যাক কার্বন তৈরির জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য উৎস&mdash;উভয়ই সমানভাবে দায়ী। ঢাকায় ব্ল্যাক কার্বন কেবল জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণেই তৈরি হয় না, বরং বায়োমাস (যেমন&mdash;খড়, কাঠ বা জৈব উপাদান) পোড়ানোও এর নিঃসরণে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া, আন্তঃসীমান্ত দূষণও বাংলাদেশে বায়ুদূষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তিনি আরও বলেন, বায়ুদূষণে অবদান রাখে এমন আরও অনেক উৎস রয়েছে।

অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, আমাদের কঠোরভাবে নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে, পরিচ্ছন্ন পরিবহন ব্যবস্থার প্রসার ঘটাতে হবে এবং গৃহস্থালি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এছাড়া শিল্প ও নির্মাণ ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং দূরপাল্লার দূষণ পরিবহনের ওপর নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। আমাদের সুপারিশ হলো&mdash;যানবাহন ও শিল্পের জন্য নির্গমন মানদণ্ড কার্যকর করা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও গণপরিবহনের প্রসার ঘটানো, নির্মাণকাজ নিয়ন্ত্রণ ও সবুজ অবকাঠামো গড়ে তোলা, বায়ুমান ব্যবস্থাপনার জন্য তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং আন্তঃসীমান্ত দূষণ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন সহযোগিতা কৌশলে সবুজ রূপান্তর, জলবায়ু সহনশীলতা এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই প্রবৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলটি এই বিশ্বাসের প্রতিফলন যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশগত স্থায়িত্বকে আলাদা পথে না চালিয়ে বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে এগিয়ে নেওয়া উচিত। আমাদের দুই দেশের ভবিষ্যতের সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সম্ভাবনা। তিনি যৌথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন; কারণ শক্তিশালী অংশীদারিত্ব থেকে উন্নততর ধারণা পাওয়া যায়, যা শেষ পর্যন্ত ভালো ফলাফল বয়ে আনে। তিনি আগামী দিনগুলোতে এই সহযোগিতাকে আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 11:45:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এইচএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119527" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119527</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। ফলে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা রোববার (১ নভেম্বর) থেকে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি বিষয়ের বিপরীতে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরাসরি কিংবা হাতে লেখা কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

যেভাবে করবেন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন

১. প্রথমে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট ঘরে পরীক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। সব তথ্য পূরণ শেষে &lsquo;সাবমিট&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে।

২. পরবর্তী ধাপে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে।

৩. এরপর পরীক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। যেসব বিষয়ের ফল নতুন করে যাচাই করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে &lsquo;ফি প্রদান করুন&rsquo; অপশনে ক্লিক করতে হবে।

আবেদন ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি

পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের জন্য ১৫০ টাকা করে ফি দিতে হবে। যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেসব বিষয়ের উভয় পত্রের জন্য পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে।

নির্ধারিত আবেদন ফি বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নিয়ম সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের &lsquo;পে&rsquo; অপশনে পাওয়া যাবে।

ফি পরিশোধ হয়ে গেলে আবার আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে &lsquo;জমা দিন&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন কোনো বিষয় যুক্ত করার প্রয়োজন হলে একই নিয়ম অনুসরণ করে তা করা যাবে। তবে দ্বিতীয়বার আবেদন করার সময় নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আবেদন সংশোধনে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

আবেদন ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত বিষয়ের তালিকায় পরিবর্তন আনা কিংবা কোনো বিষয় বাদ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাশে থাকা &lsquo;মুছে ফেলুন&rsquo; অপশন ব্যবহার করতে হবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

তবে একবার আবেদন ফি জমা দিয়ে আবেদন চূড়ান্ত করলে নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল করার সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া কোনো কারণে আবেদন বাতিল হলেও জমা দেওয়া ফি ফেরত পাওয়া যাবে না। তাই আবেদন চূড়ান্ত করার আগে বিষয় নির্বাচন ও প্রয়োজনীয় তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Nov 2026 08:00:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২১৩৭ জন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119486" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119486</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১.৪৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার সামান্য কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। চলতি বছর এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৮৪ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে ৫৪৭ জনের।

বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ৭৩ হাজার ৪২০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৭০ হাজার ৬৭৩ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। গত বছর বোর্ডটির পাসের হার ছিল ৫১.৫৪ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ০.১০ শতাংশ পয়েন্ট।

গত চার বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবারই পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৩ সালে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭০.৪৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩.২২ শতাংশে। তবে ২০২৫ সালে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৫১.৫৪ শতাংশে নেমে আসে। চলতি বছর আরও কমে হয়েছে ৫১.৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় দুই বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২১.৭৮ শতাংশ পয়েন্ট।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে বিজ্ঞান

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে মোট ১৫ হাজার ২৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১ হাজার ৫৪৫ জন। পাসের হার ৭৫.৫৬ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ১ হাজার ৭১২ জন।

অন্যদিকে, মানবিক বিভাগে ৫০ হাজার ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২২ হাজার ৫৫২ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৪৫ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট ৫ হাজার ২৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ হাজার ২৫৪ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৪২.৭২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৩৮ জন।

পাস ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছাত্রীরা

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হার ও জিপিএ-৫&mdash;দুই ক্ষেত্রেই ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। এ বছর ৩৭ হাজার ৬৩৬ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ২০ হাজার ৭০৭ জন। তাদের পাসের হার ৫৫.০২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ১১৯ জন।

অন্যদিকে, ৩৩ হাজার ৩৭ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৪৭ জন। তাদের পাসের হার ৪৭.৩৬ শতাংশ। এ ছাড়া জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ১ হাজার ১৮ জন ছাত্র।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে শীর্ষে ময়মনসিংহ

জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ জেলা। এ জেলায় পাসের হার ৫৯.৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে, শেরপুরে ৪৫.৬৫ শতাংশ, নেত্রকোনায় ৪৩.৯১ শতাংশ এবং জামালপুরে ৪৩.৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এ বছর ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

গত বছর শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৫টি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল মাত্র চারটি।

শূন্য পাস করা ১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলার সাতটি, নেত্রকোনার ছয়টি, জামালপুরের চারটি এবং শেরপুরের দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অন্যদিকে, শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ময়মনসিংহ সিটি কলেজ এবং জামালপুরের ইউনাইটেড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ সময় বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মো. এনামুল হক এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. শাহাদাত উল্লাহ ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. শাহাদাত উল্লাহ বলেন, ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এ বিষয়ে পাসের হার বাড়লে সামগ্রিক ফলাফল আরও ভালো হতে পারত। পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়েও তুলনামূলক বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এসব বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মো. এনামুল হক বলেন, বিগত সরকারের সময়ে পড়াশোনা ছাড়াই ভালো ফল করার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, যারা পাস করতে পারেননি, তাদের হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে প্রস্তুতি নিতে হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী দিনে ফলাফলের আরও উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 09:04:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যশোর বোর্ডে গত ৪ বছরের মধ্যে এইচএসসিতে পাসের হার সর্বনিম্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119481" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119481</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪.৯২ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী। গত চার বছরের মধ্যে এবারই বোর্ডটির পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। গত বছরের তুলনায় দুই সূচকেই অবনতি হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী স্বাক্ষরিত ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর যশোর বোর্ডের অধীন ১০টি জেলার ৫৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২৪০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৫১০ জন নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত চার বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৯.৮৮ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৮ হাজার ১২২ জন। ২০২৪ সালে পাসের হার কমে দাঁড়ায় ৬৪.২৯ শতাংশে। তবে ওই বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ৯ হাজার ৭৪৯ জন। পরবর্তী বছর ২০২৫ সালে পাসের হার আরও কমে ৫০.২০ শতাংশে নেমে আসে। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৯৯৫ জন শিক্ষার্থী।

সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে পাসের হার আরও কমে ৪৪.৯২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমে হয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন। ফলে গত চার বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী জানান, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ইংরেজি বিষয়ে তুলনামূলক বেশি সংখ্যায় অকৃতকার্য হয়েছেন। মূলত এ কারণেই বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে ফল প্রকাশের পরদিন থেকে সাত দিনের মধ্যে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 08:22:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিকারুননিসায় পাসের হার ৯৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ গতবারের চেয়ে অর্ধেক কম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119478" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119478</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা&mdash;দুই ক্ষেত্রেই অবনতি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৪.১৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪১৬ জন শিক্ষার্থী।

প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত বিভাগভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর মোট ২ হাজার ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২ হাজার ৩৭৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ হাজার ২৩৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। সে হিসাবে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.১৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪১৬ জন, যা অংশগ্রহণকারীদের ১৭.৫০ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৩১ জন। তাদের মধ্যে ১৮ জন অনুপস্থিত থাকায় পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ৮১৩ জন। এ বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ৭০২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১১১ জন। পাসের হার ৯৩.৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩৩৩ জন, যা এ বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ১৮.৩৭ শতাংশ।

অন্যদিকে, মানবিক বিভাগে মোট ২৯১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ২৭৪ জন এবং ফেল করেছেন ১৭ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৯৪.১৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯.৬২ শতাংশ।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২৭৪ জন। তাদের মধ্যে একজন অনুপস্থিত থাকায় পরীক্ষায় অংশ নেন ২৭৩ জন। এ বিভাগে পাস করেছেন ২৬২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১১ জন। পাসের হার ৯৫.৯৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৫ জন, যা পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ২০.১৫ শতাংশ।

গত বছরের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যে নিম্নমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ হাজার ৫১৪ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে পাস করেছিলেন ২ হাজার ৪৩৪ জন। সে বছর পাসের হার ছিল ৯৭.৫৬ শতাংশ এবং অকৃতকার্য হয়েছিলেন ৮০ জন। পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছিলেন ১ হাজার ৭৩৭ জন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পাসের হার কমেছে ৩.৪১ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫৭০ জন, যা প্রায় ৫৭.৮১ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধেকেরও কম। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা কমেছে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ।

ফলাফলের এই অবনতি প্রসঙ্গে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, &lsquo;আমরা যদি ফলাফলের দিকে তাকাই, ২০২৫ সালে আমাদের পাসের হার ছিল প্রায় ৯৮ শতাংশ। ২০২৬ সালে সেটি কমে ৯৪ শতাংশ হয়েছে। এই ফলাফলকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমি অন্যের ওপর দায় চাপাতে চাই না। বরং নিজের দায়িত্বের জায়গা থেকে এই পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করতে চাই। শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এই প্রচেষ্টা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।&rsquo;

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 08:01:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় দেশের মধ্যে শীর্ষে ঢাবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119479" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে স্কোপাসের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১৮ হাজার ২৫৫টি। এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, যার প্রকাশনার সংখ্যা ১৩ হাজার ৮০৭টি।

প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮টি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য অবস্থান দখল করে আছে।

এ অর্জন সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অবদান রয়েছে। স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে থাকা আমাদের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিরলস গবেষণার প্রতিফলন। আমরা গবেষণার গুণগত মান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী জ্ঞানচর্চার পরিসর আরও সম্প্রসারণ করতে চাই। এ লক্ষ্যে গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার দৃশ্যমানতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। আমি এ অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

সাননিউজ/বান্না

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 07:59:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদেশি কেন্দ্রে পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ, অনুত্তীর্ণ ২১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119463" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119463</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ। এসব কেন্দ্রে মোট ২৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২১ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বিদেশের আটটি কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে এবার কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কারের শিকার হননি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়।

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ফলাফল সংগ্রহ করতে হবে নির্ধারিত দুটি ওয়েবসাইট থেকে। ওয়েবসাইট দুটি হলো: https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd। ফলাফল ডাউনলোডের জন্য ওয়েবসাইটের &lsquo;Result&rsquo; অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে।

অন্যদিকে, পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত দুটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ফলাফল পাওয়া যাবে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 07:14:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ বেশি ছেলেদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119469" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119469</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা। তবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছেলেরা সামান্য এগিয়ে আছেন।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। পাসের হারের দিক থেকে ছাত্রীদের হার ৫৬.৩১ শতাংশ, বিপরীতে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭.৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ৮.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে, এ বছর মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন।

গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। সেই হিসাবে এবার গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। শতকরা হিসাবে এই সংখ্যা প্রায় ৪২ শতাংশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

বোর্ডভিত্তিক জিপিএ-৫-এর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৭৯৩ জন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ২২২ জন।

অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী। এ বোর্ডে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন। মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র ১৮০ জন এবং ছাত্রী ৭০৬ জন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে বিভিন্ন কারণে বেশ কিছু পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের &lsquo;Result&rsquo; বিভাগে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে। এরপর ফলাফল ডাউনলোড করা যাবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ফলাফল দেখার সুযোগ রয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 07:11:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমেছে ১৭.৭৩ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119470" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119470</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক বছরের ব্যবধানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২.৫৭ শতাংশ। তবে চলতি বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪.৮৪ শতাংশে। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ৭২৪ জন। এ ছাড়া এবার বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ সময় তিনি জানান, যথাযথ যাচাই-বাছাই, পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এবারের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন।

এবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ২৫ হাজার ৯৭০ জন। সে হিসাবে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪.৮৪ শতাংশ। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।

তবে গত বছরের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে বরিশাল বোর্ডের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২.৫৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে ৭২৪ জন।

সার্বিকভাবে এবারের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫&mdash;দুই সূচকেই পিছিয়ে পড়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। বিশেষ করে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে না পারায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 07:11:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নটর ডেম কলেজে পাসের হার ৯৮.৮৩, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২২২৯ শিক্ষার্থী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119471" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119471</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার সার্বিক পাসের হার কমেছে।

এদিকে, রাজধানীর অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নটর ডেম কলেজেও এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কিছুটা অবনতি দেখা গেছে। চলতি বছর কলেজটি থেকে মোট ৩ হাজার ২৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ হাজার ২৫৬ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ হাজার ২১৮ জন। সে হিসাবে কলেজটির পাসের হার ৯৮.৮৩ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২ হাজার ২২৯ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ৫৪ জন।

গত বছর নটর ডেম কলেজে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৯০১ জন শিক্ষার্থী। সে বছর কলেজটির পাসের হার ছিল ৯৯.৮৮ শতাংশ।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার মোট ২ হাজার ১২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ২ হাজার ৯৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২৫ জন। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ জন।

অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বা বাণিজ্য বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৪১ জন শিক্ষার্থী। এ বিভাগে অকৃতকার্য হয়েছেন ৭ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩৩৩ জন।

এ ছাড়া মানবিক বিভাগ থেকে ৩৮০ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২২ জন শিক্ষার্থী।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 07:11:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৬ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119461" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119461</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫.৬ শতাংশ। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫৯.৪০ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ৩৭.৭১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩.০৩ শতাংশ।

এবার রাজশাহী বোর্ডে মোট ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৯৬৫ জন এবং ছাত্রী ২ হাজার ৫৫৫ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকেও ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা।

শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮১.২৪ শতাংশ। এর আগে ২০২৩ সালে ৭৮.৪৬ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১.৬০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৭.২৯ শতাংশ। আর ২০২০ সালে এ বোর্ডের শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

সান নিউজ/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 06:15:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশের হারের সঙ্গে কমেছে জিপিএ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119459" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119459</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল একযোগে প্রকাশ করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন।

অন্যদিকে, যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন।

এ ছাড়া সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বিভিন্ন কারণে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পরবর্তী স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখতে হবে। এরপর মেসেজটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে পরীক্ষার ফলাফল।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 06:13:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এইচএসসিতে ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউই পাস করেননি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119456" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119456</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৯৩টিতে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৯ হাজার ৩০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ২০২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। বিপরীতে, শতভাগ পাসের রেকর্ড ছিল ৩৪৫টি প্রতিষ্ঠানের।

তুলনামূলক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৮টি বেড়েছে। তবে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এক বছরের ব্যবধানে এ সংখ্যা ২০৬টি কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৯টিতে। একই সময়ে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

এদিকে, চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সে অনুযায়ী সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ।

অন্যদিকে, গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 05:58:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চট্টগ্রাম বোর্ডে পাশের হার ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119451" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119451</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.০৭ শতাংশ। এ বছর এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল একযোগে প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে, যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ। এ বোর্ডে সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ১ হাজার ২০৪ জন। এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শুরু হয়েছিল চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বিভিন্ন কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি।

এদিকে, মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখতে হবে। এরপর মেসেজটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানিয়ে দেওয়া হবে ফলাফল।

সান নিউজ/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 Oct 2026 05:44:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবিকে আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ অবস্থানে নিতে সবাইকে কাজ করতে হবে: প্রো-ভিসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119423" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119423</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক র&zwnj;্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে শীর্ষ অবস্থানে উন্নীত করতে সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে র&zwnj;্যাঙ্কিং বিষয়ক দিনব্যাপী এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান অনুষদ এই কর্মশালা আয়োজন করে।

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল-আমিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। রসায়ন বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. ফরিদা বেগম স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ-সহ সকল ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নেতৃত্ব দিতে হবে। সমাজের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ও উদ্ভাবনমূলক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যুগোপযোগী গবেষণার মাধ্যমে গবেষকদের দেশ ও জাতির টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। সামাজিক চাহিদা নিরূপণ, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে আনতে হবে। গবেষণা, প্রকাশনা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ অবদান রাখার জন্য তিনি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার, বৈশ্বিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, পিএইচডি প্রোগ্রাম আরও গতিশীল করা, দাপ্তরিক কার্যপদ্ধতির আধুনিকায়ন ও নতুন অফিস চালু, গবেষণা তথ্য হালনাগাদ করা, যথাসময় ক্লাস-পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 29 Oct 2026 13:44:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকা ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ব্ল্যাক কার্বন বিষয়ে নীতি সংলাপ ১ নভেম্বর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119401" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/education/119401</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক বিষয়ক একটি উচ্চ-পর্যায়ের বিজ্ঞান-নীতি সংলাপ আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। &lsquo;ক্লিন এয়ার ফান্ড&rsquo;-এর সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সংলাপ আয়োজন করবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদি আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন এবং অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা তুলে ধরবেন।

এই সংলাপে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য অংশীজন একত্রিত হবেন। বিজ্ঞান-ভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, বায়ুর গুণমান উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে কর্মপন্থা নির্ধারণ বিষয়ে তাঁরা আলোচনা করবেন।

এই সংলাপ বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান, জলবায়ু এবং বায়ু দূষণ নীতি নিয়ে বাংলাদেশ এবং সুইডেনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে আয়োজন করা হয়েছে। সংলাপ অনুষ্ঠানে এই যৌথ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো উদযাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৩ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ পরিচালিত &lsquo;বাংলাদেশ ক্লাইমেট অবজারভেটরি ভোলা&rsquo; (BCOB) এবং ২০১১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-সুইডেন নীতি সংলাপ। এই উদ্যোগ &lsquo;ক্লাইমেট অ্যান্ড ক্লিন এয়ার কোয়ালিশন&rsquo; (CCAC)-এর মাধ্যমে SLCP সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে অবদান রেখেছিল।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়া বর্তমানে বায়ু দূষণ এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল জলবায়ুর মতো দ্বৈত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। মানবস্বাস্থ্য, খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া, জীবিকা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর এর গভীর প্রভাব পড়ছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে উদ্ভাবিত এবং নীতি-নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞান কীভাবে SLCP প্রশমন, বায়ুমণ্ডলীয় পরিমাপ ও যাচাইকরণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং জলবায়ু ও বায়ুর গুণমান বিষয়ক কার্যকর পদক্ষেপগুলো নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে-সে বিষয়ে এই সংলাপে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 29 Oct 2026 09:27:16 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
