<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/bangladesh</id>
                                <link href="https://archive.en.sunnews24x7.com/feed/bangladesh"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews bangladesh Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest bangladesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:04:28 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[চীনা নাগরিকদের রহস্যময় সম্প্রচারে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119728" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119728</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

 

 

╔════════════════════════════════════╗ ║ 🔴 এক নজরে ║ ║ উত্তরাজুড়ে চীনাদের রহস্যময় লাইভ ║ ╚════════════════════════════════════╝

┃ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইভ ভিডিও
┃ কেন্দ্রবিন্দু: উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর ও টেকপাড়া
┃ স্থানীয়দের দাবি, দেড় শতাধিক চীনা নাগরিক সক্রিয়
┃ প্রত্যেকের হাতে দুটি মোবাইল ফোন
┃ সম্প্রচার হয় চীনা প্ল্যাটফর্মে
┃ অভিযোগ, অনেক সময় বাসাবাড়ির কাছেও ভিডিও ধারণ
┃ স্থানীয়দের প্রশ্ন: আসল উদ্দেশ্য কী?
┃ গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
┃ কিছু লাইভে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ
┃ দীর্ঘদিন চললেও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

কেন আলোচনা?

▪ মাসের পর মাস একই এলাকায় নিয়মিত লাইভ সম্প্রচার
▪ স্থানীয় পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাপনকে কনটেন্ট হিসেবে ব্যবহার
▪ কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন দেশের পরিচয় দিয়ে প্রচারের অভিযোগ
▪ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ নিয়ে ক্ষোভ

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

স্থানীয়দের প্রধান অভিযোগ

▪ অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ
▪ আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত ঘোরাফেরা
▪ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের আশঙ্কা
▪ কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান তদারকির অভাব

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

বড় প্রশ্ন

উত্তরার অলিগলিতে ধারণ করা এসব লাইভ ভিডিও শেষ পর্যন্ত কার জন্য, কেন এবং কী উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে?

 

 

 

ঢাকার উত্তরার অলিগলি, খালপাড়, বসতিপূর্ণ নিম্ন আয়ের মহল্লা কিংবা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন। এসব দৃশ্য নিয়ে মাসের পর মাস ধরে লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করছেন একদল চীনা নাগরিক। এইসব চীনাদের হাতে থাকে দুটি মোবাইল ফোন। একটি ফোনে সরাসরি সম্প্রচার চলতে থাকে, অন্যটিতে থাকে বিভিন্ন লেখা বা তথ্য। প্রথম দেখায় অনেকের কাছে বিষয়টি সাংবাদিকতা কিংবা কোনো ডিজিটাল ম্যাপিং প্রকল্পের অংশ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে এখন কৌতূহলের জায়গা দখল করেছে উদ্বেগ, বিরক্তি ও নানা প্রশ্ন।

উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর, টেকপাড়া এবং আশপাশের কিছু এলাকায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেখা যায় এসব বিদেশি নাগরিককে। বাসিন্দাদের দাবি, দেড় শতাধিক চীনা নাগরিক নিয়মিত বিভিন্ন গলি, সড়ক, দোকানপাট, খোলা জায়গা এবং আবাসিক এলাকায় ঘুরে ঘুরে এমন ভিডিও ধারণ করেন। কিন্তু সেই ভিডিও কোথায় সম্প্রচার হয়, কী উদ্দেশ্যে করা হয় কিংবা ভিডিওতে কী বলা হয়, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের কোনো ধারণা নেই।

স্থানীয়রা জানান, দিনের শুরুতেই ভিডিও ধারণ শুরু করেন তাঁরা। অনেক সময় রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত একই কার্যক্রম চলে। দীর্ঘদিন ধরে এ দৃশ্য দেখতে দেখতে অনেকেই বিষয়টিকে অস্বাভাবিক মনে করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদেশি নাগরিকেরা প্রায়ই মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরের কাছাকাছি চলে যান এবং অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন স্থান ধারণ করেন।

একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উত্তরার অন্যান্য এলাকার তুলনায় টেকপাড়া এলাকায় এসব ভিডিও ধারণ তুলনামূলক বেশি হয়। জনবহুল এবং নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসস্থল হওয়ায় এলাকাটিকে তাঁরা বিশেষভাবে বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা স্থানীয়দের। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, ঘরবাড়ি, দোকানঘর এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডই যেন তাদের সম্প্রচারের প্রধান বিষয়বস্তু।

চীনা নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বেশির ভাগই কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ নিজেদের নাম বা দেশের পরিচয় দিলেও তাদের কাজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে চাননি। ভাষাগত সমস্যাও যোগাযোগের অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।



তবে কয়েকজন স্থানীয় সহযোগীর মাধ্যমে জানা যায়, এসব ভিডিও মূলত বিভিন্ন চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। স্থানীয় গাইড হিসেবে কাজ করা কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক জানান, তাঁরা দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে এসব বিদেশি নাগরিককে সহায়তা করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চীনের জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে এসব ভিডিও প্রচার করা হয় এবং সেখান থেকে আয়ও করা হয়।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, লাইভ সম্প্রচারের সময় চীনা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়। অনুবাদের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু সম্প্রচারে উত্তরার দৃশ্য দেখানো হলেও সেটিকে অন্য দেশের শহর বা এলাকা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও স্থানীয় জীবনযাত্রাকে অত্যন্ত দরিদ্র, অপরিচ্ছন্ন বা অনুন্নত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাস, বাসস্থান ও সামাজিক জীবন নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবশ্য সব সম্প্রচারে নেতিবাচক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কিছু লাইভে বাংলাদেশে চীনা পণ্যের জনপ্রিয়তা, নগরায়ণ কিংবা আধুনিক স্থাপনার বিষয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করতে দেখা গেছে। তবে এমন উদাহরণ সংখ্যায় কম বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় ধারণ করা একাধিক লাইভ সম্প্রচারের বিষয়বস্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত অবস্থান গোপন রেখে দর্শকদের কাছে ভিন্ন পরিচয় তুলে ধরা হচ্ছে। সম্প্রচারগুলোর কয়েকটিতে উত্তরার টেকপাড়া ও আশপাশের এলাকার দৃশ্য দেখানো হলেও সেটিকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। শুধু ভৌগোলিক পরিচয় বদলেই সীমাবদ্ধ থাকেননি কেউ কেউ; স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা, বসতবাড়ি ও পরিবেশকে ভারতের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা হিসেবে উপস্থাপন করতেও দেখা গেছে।

এ ধরনের সম্প্রচার নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, কেন বাংলাদেশের একটি এলাকার দৃশ্যকে বারবার ভারতের পরিচয়ে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি কেবল দর্শক বিভ্রান্তির নয়, বরং একটি দেশের সামাজিক বাস্তবতাকে অন্য দেশের খাতায় তুলে ধরার প্রচেষ্টাও কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে বিভিন্ন মহলে। এতে করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়টি শুধূ নয় সেই সাথে ভারতকেও হেয় করা হচ্ছে।

 

সমালোচনার মুখে &lsquo;দারিদ্র্যকে পণ্য বানানো&rsquo; : 

পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি কোনো সম্প্রচারে একটি দেশের বাস্তবতা বিকৃত করে অন্য দেশের পরিচয়ে উপস্থাপন করা হয় কিংবা দরিদ্র মানুষের জীবনকে কনটেন্ট তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, বাসস্থান ও সামাজিক বাস্তবতাকে অনুমতি ছাড়াই ক্যামেরাবন্দী করে সেটিকে বিনোদন কিংবা বাণিজ্যিক উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা গোপনীয়তা ও মর্যাদার অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগও মূলত এখানেই। স্থানীয়দের ভাষায়, তাঁরা কোনো প্রদর্শনীর বস্তু নন; অথচ দিনের পর দিন তাদের জীবনযাপনকে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

এদিকে কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, ভিডিও ধারণের সময় কিছু বিদেশি নাগরিক ঘরের আঙিনা, আবাসিক ভবনের প্রবেশপথ এমনকি ব্যক্তিগত ব্যবহারের স্থানেও ঢুকে পড়েন। এতে পরিবারগুলো অস্বস্তিতে পড়ে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয় হলো, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম চললেও এর উদ্দেশ্য, পরিধি কিংবা বৈধতা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য স্থানীয়দের কাছে নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও বিষয়টি সম্পর্কে সীমিত তথ্য জানেন বলে জানিয়েছেন। ভাষাগত বাধা এবং কার্যক্রমের প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাবের কারণে বিষয়টি নিয়ে কার্যকর অনুসন্ধানও দৃশ্যমান নয়।

ফলে উত্তরার অনেক বাসিন্দার প্রশ্ন একটাই, দিনের পর দিন তাদের জীবনকে কেন্দ্র করে এই ধরনের রহস্যজনক লাইভ সম্প্রচার আসলে কেন? কারা দেখছে এসব ভিডিও? এবং বাংলাদেশের একটি এলাকার বাস্তব চিত্র যদি অন্য পরিচয়ে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হয়, তবে এর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্যই বা কী? উত্তরহীন এই প্রশ্নগুলোই এখন উত্তরার অলিগলিতে সবচেয়ে বেশি ঘুরে বেড়াচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Nov 2026 08:04:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাটুরিয়ায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119724" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় গ্রাহকদের মাঝে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার সম্পর্কে সচেতনতা ও স্পষ্ট ধারণা দিতে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামের প্রধান অতিথিতে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাটুরিয়া জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ওয়ালিউর রহমান।

​এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন সাটুরিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মুক্তি, সাটুরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফয়জী এবং সাংবাদিক সমিতি সাটুরিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন প্রমুখ।

​সভায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের কার্যক্রম, সঠিক ব্যবহারবিধি এবং এর বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

​সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Nov 2026 04:55:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা,আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে ৮ মামলা, গ্রেপ্তার ৩০]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119722" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119722</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও কারখানায় ছুটি ঘোষণার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কর্মপরিবেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অধিকাংশ পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন। ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসহ (ডিইপিজেড) বিভিন্ন কারখানায় শুরু হয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। তবে গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে আশুলিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিল্পাঞ্চলের ৭০টি কারখানায় বৃহস্পতিবারের জন্য সাময়িক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি, শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি। নয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও চলছে।

সকাল থেকেই সাভার, আশুলিয়ার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে দেখা যায়। কেউ কারখানার নিজস্ব পরিবহনে, আবার কেউ পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে আসেন। ডিইপিজেডসহ অধিকাংশ কারখানার সামনে শ্রমিকদের স্বাভাবিক উপস্থিতি ছিল। তবে নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর, জামগড়া, সরকার মার্কেট, জিরাবো ও কাঠগড়াসহ কয়েকটি এলাকার কারখানায় শ্রমিকেরা সকালে প্রবেশ করলেও পরে উৎপাদন কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে বেরিয়ে আসেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে আহত হয়ে পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার শ্রমিক মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি জিরাবো থেকে শুরু হয়ে ঘোষবাগ, নরসিংহপুর ও সরকার মার্কেট ঘুরে বেরন এলাকার এনভয় গার্মেন্টসের সামনে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামগড়া এলাকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে বাইরে বেরিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাঁরা আশপাশের কারখানার শ্রমিকদেরও কাজে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, তাঁদের আওতাধীন ১ হাজার ৮৬৩টি কারখানার মধ্যে ৭০টি বৃহস্পতিবার সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বাকি কারখানাগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎপাদন চলছে। তিনি বলেন, গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে জিরাবো এলাকায় দুই থেকে আড়াই হাজার শ্রমিক শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছেন। তবে জামগড়ায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিকদের ঘিরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকেরা কাজ করতে চান। তবে বহিরাগত দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্নভাবে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে সাভার ও আশুলিয়ায় এ পর্যন্ত আটটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভারের আল-মুসলিম গার্মেন্টস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সাভার মডেল থানায় দুটি এবং আশুলিয়া থানায় ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এ সময় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শ্রমিকেরা বর্তমানে আন্দোলনে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, কিছু ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে। যারা শিল্পকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে, এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তারা একটি নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপ। এছাড়া গত কয়েক দিনের আন্দোলনে উস্কানির অভিযোগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা কেউই শ্রমিক নয়। তারা বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এসেছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 13:07:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রায়পুরা সরকারি কলেজে এমপি বকুলকে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119721" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119721</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদীর রায়পুরা সরকারি কলেজের উদ্যোগে কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী, ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলকে সংবর্ধনা এবং ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আজ সকালে রায়পুরা সরকারি কলেজ মাঠে কলেজের অধ্যক্ষ সন্ধ্যারানী পালের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক ফেরদৌস আরেফা চন্দনার সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে মূল আয়োজনের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলের আগমন উপলক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান করায় পুরো আয়োজন জুড়ে শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করে। রায়পুরা সরকারি কলেজের এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক আবেগঘন সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি নিজের কলেজজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, রায়পুরা সরকারি কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমার জীবনের আবেগ, স্মৃতি ও পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে আজকের অবস্থানে আসতে পেরে আমি গর্বিত। শিক্ষাজীবনের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়।

তিনি বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের প্রধান হাতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে শিক্ষার মানোন্নয়ন,আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, নিজেদের সৎ, যোগ্য, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, মেধা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমকে জীবনের মূল শক্তি হিসেবে ধারণ করতে হবে।

কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রায়পুরা সরকারি কলেজকে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন রায়পুরা সরকারী কলেজ এর অধ্যক্ষ সন্ধ্যারানী পাল । আরোও বক্তব্য রাখেন রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা, এ কলেজ এর প্রফেসর আব্দুল হামিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুর রহমান, জেলা বিএনপির উপদেষ্টার হযরত আলী ভুইয়া, জেলা বিএনপির সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও রায়পুরা পৌরসভা সাবেক ২বারের মেয়র আলহাজ্ব আঃ কুদ্দুস মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, রায়পুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক আলফাজ উদ্দিন মিঠু ও সদস্য সচিব নুর আহম্মদ চৌধুরী মানিক, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সি,

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাইশা পাওয়ারটেক বিডির রিজিওনাল ডিরেক্টর সাবেক মেধাবী ছাত্রদল নেতা শাখায়াত হোসেন ভুইয়া, জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভুইয়া মোহন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ আল মামুন,রায়পুরা পৌর বিএনপির সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল বাতেন, উপজেলা ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক আমজাদ হোসেন ভুইয়া আলতাফ, রায়পুরা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক জিএস আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক ময়নুল ইসলাম সরকার,রায়পুরা পৌর সভা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল আহমেদ সোহেল ও সদস্য সচিব সুমন নেওয়াজ, উপজেলা মহিলা দল সভাপতি আফরিন আসাদ, জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুর রহমান শাহীন মাষ্টার,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ন ভুইয়া, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আলকাছ উদ্দিন ভুইয়া,জেলা ছাত্রদল সহসভাপতি সৈকত আহমেদ সুমন, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সিরিজ আল মুজাহিদ, রায়পুরা সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারী আমির হোসেন আমু, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুররজ মোল্লা ও সেক্রেটারী শেখ আলমগীর হোসেন, রায়পুরা পৌর তাঁতী দলের সভাপতি ডা: শহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মো: বাদল মিয়া, রায়পুরা পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আসমা আক্তার, পৌরসভা শ্রমিক দলের সভাপতি হাবিবুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ছাত্রদল নেতা শামসুর রহমান জয় সহ সকল সহযোগী অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 13:05:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজশাহীতে শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119719" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119719</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেছেন, সরকারি চাকরি শুধু জীবিকা নির্বাহের পেশা নয়, দেশ ও মানুষের সেবা করার বড় সুযোগ। সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের সরিৎ দও গুপ্ত সভাকক্ষে রাজশাহী বিভাগে নবযোগদান করা ৪৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা

বলেন।

মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মেধা, যোগ্যতা, নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে। নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। সভা সঞ্চালনা করেন সিটি করপোরেশনের সচিব সোহেল রানা।

এ সময় সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার প্রীতিলতা বর্মনসহ ৪৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:46:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে সার সংকট নেই, মজুত গত বছরের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি: কৃষিমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119718" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119718</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে সারের কোনো সংকট নেই, ভবিষ্যতেও সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, বর্তমানে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সরকারের কাছে ৩৫ শতাংশ বেশি সার মজুত রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার সার, বীজ, সেচ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালানো হয়। কারণ, পার্শ্ববর্তী দেশে এসব সারের দাম তুলনামূলক বেশি। মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইউরিয়া এবং ভারত সীমান্ত দিয়ে ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি সার পাচারের প্রবণতা রয়েছে। এ কারণে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সার পাচার রোধে প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

সার ডিলারদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরাদ্দ করা সার উত্তোলন না করলে সংশ্লিষ্ট ডিলারকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কোনো ডিলার দুর্নীতিতে জড়িত হলে কিংবা সরকারি শর্ত ভঙ্গ করে অন্য কারও কাছে লাইসেন্স ভাড়া বা হস্তান্তর করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে ডিলারদের প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে সারের দোকান খুলতে হবে। বিকেল ৫টা থেকে ৬টার আগে দোকান বন্ধ করা যাবে না।

কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরিমিত ও সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারে সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি মৎস্য চাষে সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মৎস্য কর্মকর্তাদের মৎস্যজীবীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব। কৃষক স্বাবলম্বী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

এ ছাড়া কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আট জেলার সার ডিলার সমিতির নেতারা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিভাগের সাত জেলার জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত হন। প্রত্যেক জেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা নিজ নিজ জেলার সার সরবরাহ পরিস্থিতি ও তদারকির বিষয়ে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় সার ডিলার সমিতির প্রতিনিধিরাও সার সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:36:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল হাইয়ের জন্য মিলাদ ও দোয়া মাহফিল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119717" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119717</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক উপমন্ত্রী, পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের উত্তর কাজী কসবা স্কুল মাঠে রামপাল ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের সার্বিক আয়োজন করেন রামপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মিল্লাত হোসেন দেওয়ান।

রামপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শওকত হোসেন এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতোয়ার হোসেন বাবুল, সাবেক সদস্য কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব, সাবেক সদস্য শাহাদত হোসেন সরকার, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফকির, শহর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ভিপি মো. শাহীন মিয়া, রামপাল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আবু বক্কর মাদবর, সাবেক ছাত্রনেতা মো. ইকবাল হোসেন স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে মরহুম আলহাজ্ব আবদুল হাইয়ের রাজনৈতিক জীবন, দলীয় কর্মকাণ্ড এবং মুন্সীগঞ্জের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা স্মরণ করা হয়।

উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলেন, আলহাজ্ব আবদুল হাই মুন্সীগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং সরকারের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও পরিচিতি অর্জন করেন। তাঁর মৃত্যুতে মুন্সীগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে।

উল্লেখ্য, বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব আবদুল হাই গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে দলীয় নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবারের, এ আয়োজনে এছাড়াও সাবেক তথ্য মন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পঞ্চগড়ে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119715" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. কামরুল ইসলাম (৪২) ও মো. রফিক (৪০) নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান মো. মালিউল ইসলাম মিঠু (৩৮) নামের আরও এক অভিযুক্ত।

​বুধবার (৪ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের হাড়িপুকুরী গ্রামের একটি বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন&mdash;হাড়িপুকুরী গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীনের ছেলে মো. কামরুল ইসলাম এবং বামনহাট গ্রামের বেলাল উদ্দিন মেম্বারের ছেলে মো. রফিক।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খুরশীদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাড়িপুকুরী গ্রামের ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে কামরুল ইসলাম ও রফিককে আটক করা হয়। এ সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মালিউল ইসলাম মিঠু পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

​পরে আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে কামরুল ইসলামের কাছ থেকে ৫০ পিস এবং রফিকের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পলাতক মিঠুর ঘরের মেঝে তল্লাশি করে আরও ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

​অভিযানকালে রফিকের ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার মোটরসাইকেল এবং পলাতক মিঠুর ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন টিভিএস মোটরসাইকেল ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অস্ত্র রেখে চেষ্টায়; গ্রেপ্তার-১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119714" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119714</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তাঁর বাসায় রিভলবার রেখে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অস্ত্র আইন ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

থানা পুলিশ জানায়, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশ বড়কাঁপন আবাসিক এলাকার শফিকুল ইসলাম লিটনের ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদদাতার সহযোগী পরিচয়ে একই গ্রামের তুহিন আহমদ (৪৭), ফাহিম আহমদ (২২) ও বাবুল মিয়া (২৬) পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় যান। বাসা তল্লাশির সময় তাঁদের অতি উৎসাহী ভূমিকা এবং পরবর্তীতে অস্ত্র বের করে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের চোখে সন্দেহ হলে অস্ত্র উপস্থাপনকারী তুহিন আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা অপর দু&#39;জন পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে পুলিশ বাসার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম লিটনকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, গত ৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার সময় পূর্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের (মাসুদ কমিশনার) নেতৃত্বে তুহিন, ফাহিম, বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন মাদক সেবনের অজুহাতে তাঁকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মাসুদ আহমদের বাসার একটি অন্ধকার কক্ষে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাতে একটি রিভলবার দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে মাসুদ আহমদের নির্দেশে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন আহত লিটনকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাঁর বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাঁকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে চারটি গুলিসহ একটি রিভলবার বাসার সোফার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় তুহিন আহমদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং অপহরণের অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নম্বর ৫(১১)২০২৬ ও ৬(১১)২০২৬। আটককৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জে তিনদির পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ-বিজিবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119713" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119713</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা তিন দিনের শ্রমিক বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবি সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে ফতুল্লার কাঠেরপুল, রামারবাগ, শিবু মার্কেট ও নয়ামাটি এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা গেছে। এসব এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের প্রতিদিনের মতো কাজে যোগ দিতে দেখা যায়।

তবে এর আগে সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে আন্দোলনে অংশ নেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট ও নয়ামাটি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিবু মার্কেট থেকে বিভিন্ন সড়কে বিজিবি সদস্যদের টহল দিতেও দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ট্রাস্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এফ এম আবু সাঈদ বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শ্রমিক ভাইয়েরা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়ে কাজ করছেন। তবে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, &lsquo;কিছু দেশি-বিদেশি চক্রের কারণে মজুরি বোর্ডের একটি সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরও তাদের উসকানিতে শ্রমিকেরা আন্দোলন করছেন।&rsquo;

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। কোনো শ্রমিক যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

ফতুল্লার পাশাপাশি নগরীর প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়াতেও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখানে পুলিশের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীদেরও সড়কে দেখা গেছে। চাষাঢ়া শহীদ মিনারে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অতিরিক্ত ডিআইজি।

চাষাঢ়ায় পুলিশের সাঁজোয়া যান (এপিসি), জলকামান, বিজিবির দুটি গাড়ি এবং শিল্প পুলিশের দুটি ভ্যান মোতায়েন রয়েছে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:29:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খিরার আবাদে দুই লাখ টাকা লাভের আশা কৃষক নেকবারের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119712" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119712</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বল্প বিনিয়োগে অধিক মুনাফার প্রত্যাশা নিয়ে সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনা খুঁজছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষক নেকবার সর্দার। উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের এই কৃষক নিজস্ব ৪৭ শতাংশ জমিতে দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন। গাছে গাছে খিরার সমারোহ দেখে ভালো ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বাজারে প্রত্যাশিত দাম পাওয়া গেলে যাবতীয় ব্যয় বাদ দিয়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা মুনাফা অর্জনের স্বপ্ন দেখছেন এই কৃষক।

কৃষক নেকবার সর্দার জানান, জমি তৈরি, সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে এখন পর্যন্ত তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। সীমিত পুঁজিতে তুলনামূলক বেশি আয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে দেশি জাতের খিরা আবাদ করেছেন তিনি। এখন পরিচর্যার পাশাপাশি ফলন ধরে রাখা এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, সবজি চাষে সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা অনিশ্চয়তাও।আবহাওয়ার বিরূপতা, পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের পাশাপাশি বাজারদরের অস্থিরতা কৃষকের মুনাফায় প্রভাব ফেলে। অনেক সময় ভালো ফলন উৎপাদনের পরও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের সুষ্ঠু বিপণন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।

গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৌসুমি সবজি চাষ ক্রমেই কৃষকদের বাড়তি আয়ের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। অল্প জমিতে স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে অধিক মুনাফার আশায় অনেকেই ঝুঁকছেন এ ধরনের আবাদে। নেকবার সর্দারের খিরা চাষও সেই সম্ভাবনারই একটি দৃষ্টান্ত। তবে তাঁর প্রত্যাশিত মুনাফা কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নির্ভর করছে উৎপাদিত খিরার পরিমাণ, আবহাওয়ার অনুকূলতা এবং বাজারমূল্যের ওপর।

এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা ও সরিষার আবাদ করছেন কৃষকেরা। মাঠপর্যায়ে গ্রীন বয়, সরিষা গোল্ড, আইস গ্রীন, ময়না মতি, সুফলা-১, আরিশা গ্রীন কিংসহ বিভিন্ন জাতের খিরা ও সরিষা চাষ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি &lsquo;সান নিউজ&rsquo;কে জানান, গত বছর উপজেলায় সরিষা ও খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ হেক্টর জমি। তবে বিভিন্ন কারণে চলতি মৌসুমে ১২৫ হেক্টর জমিতে এ আবাদ অর্জিত হয়েছে।

নেকবার সর্দারের প্রত্যাশা, মাঠের ফসল ঘরে তোলার পর যেন পরিশ্রমের যথাযথ প্রতিদান মেলে। খিরার ফলন ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে এই আবাদ শুধু তাঁর সংসারে আর্থিক স্বস্তিই আনবে না, বরং আগামীতে আরও বড় পরিসরে সবজি চাষে বিনিয়োগের পথও সুগম করবে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:28:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভালুকার মল্লিকবাড়িতে মাটির তৈরি নান্দনিক পণ্যের সমাহার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119716" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119716</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। ঘর সাজানোর উপকরণেও যুক্ত হচ্ছে নানা ধরনের আধুনিক সামগ্রী। তবে এসবের ভিড়েও মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী জিনিসপত্রের আবেদন যেন একটুও কমেনি। বরং নান্দনিক নকশা ও নিপুণ কারুকাজে তৈরি মাটির পণ্য এখনো আকৃষ্ট করছে সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষকে।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়িতে রয়েছে মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্যের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। এখানকার দোকানগুলোতে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি নানা ধরনের শোপিস, ফুলদানি, পুতুল, ঘর সাজানোর সামগ্রীসহ দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন তৈজসপত্র। বাহারি নকশা, বৈচিত্র্যময় আকৃতি ও দৃষ্টিনন্দন কারুকাজে তৈরি এসব পণ্য সহজেই নজর কাড়ে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের।

স্থানীয়ভাবে প্রায় চার দশকের ঐতিহ্য বহন করছে এই মৃৎশিল্প। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটিকে বিভিন্ন আকর্ষণীয় রূপ দিচ্ছেন কারুশিল্পীরা। সাধারণ মাটি থেকে তৈরি হচ্ছে নান্দনিক সব শিল্পকর্ম। এসব পণ্যের মধ্যে যেমন রয়েছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতিফলন, তেমনি রয়েছে আধুনিক রুচি ও ঘর সাজানোর উপযোগী নান্দনিকতার সমন্বয়।

মল্লিকবাড়ির এসব দোকানে পাওয়া যায় ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির মাটির সামগ্রী। ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে শোপিস, টেবিল সাজানোর উপকরণ কিংবা উপহার দেওয়ার জন্যও রয়েছে নানা ধরনের পণ্য। মাটির স্বাভাবিক রং ও কারুকাজের কারণে এসব সামগ্রীতে ফুটে ওঠে এক ধরনের স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।

শহুরে জীবনের যান্ত্রিক ব্যস্ততা থেকে একটু সময় বের করে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকশিল্পের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে মল্লিকবাড়ির এই মৃৎশিল্পের দোকানগুলো হতে পারে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য। বিশেষ করে যারা দেশীয় সংস্কৃতি, মাটির তৈরি পণ্য এবং ব্যতিক্রমী ঘর সাজানোর সামগ্রী পছন্দ করেন, তাদের জন্য জায়গাটি হতে পারে ঘুরে দেখার মতো।

মাটির তৈরি এসব পণ্য শুধু ঘর সাজানোর উপকরণ নয়, এগুলো আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকশিল্পেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আধুনিক পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় মৃৎশিল্পের ব্যবহার ও কদর বাড়লে এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার পথ আরও সুগম হবে।

ঐতিহ্য আর নান্দনিকতার মেলবন্ধনে ভালুকার মল্লিকবাড়ির মৃৎশিল্প তাই স্থানীয় সৌন্দর্যের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের কাছেও হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণের এক বিশেষ কেন্দ্র।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:27:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিকআপের বডিতে লুকানো ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119711" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119711</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর সেনবাগে পিকআপের বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা ৬২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সৈয়দ নুর (৩৩) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পিকআপের চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান কামাল। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার সৈয়দ নুর কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ৫ নম্বর নিলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সিকদারপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মাদকের একটি বড় চালান নোয়াখালীর দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের সেনবাগ রাস্তার মাথা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

এরই ধারাবাহিকতায় রাত সোয়া ১টার দিকে টেকনাফ থেকে আসা একটি পিকআপ থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পরে পিকআপের বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় পিকআপে থাকা সৈয়দ নুরকে গ্রেপ্তার করা হলেও চালক পালিয়ে যায়।

ওসি মো. শাহজাহান কামাল আরও বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সেনবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তার আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সাননউিজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 12:27:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজার শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119709" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119709</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা অফিসের ভেতরেই প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। আর এ কাজটি করেন সহকারি শিক্ষক। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মক্ষেত্রের শিষ্টাচার চূর্ণ করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনেই এক প্রধান শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমানকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের নিজ অফিস কক্ষে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

আহত মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান উপজেলার দামিয়া আব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন মিঠারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের কক্ষে অবস্থান করছিলেন প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান। এমন সময় সহকারী শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি থাপ্পড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করেন। কক্ষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা দিয়ে হামলা থামানোর চেষ্টা করলেও তাকে নিবৃত্ত করা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে আহত প্রধান শিক্ষককে দেখতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হাসান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেন।

ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাশিদা আক্তার জানান, সরকারি দপ্তরে ঢুকে একজন শিক্ষকের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত জঘন্য, নিন্দনীয় ও পেশাগত শিষ্টাচারবহির্ভূত। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি অফিসের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যথাযথ বিধি অনুযায়ী কঠোর বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জোর সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক কক্ষে সংঘটিত এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় মৌলভীবাজারের সচেতন মহল ও স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:09:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলভীবাজার শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119708" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119708</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা অফিসের ভেতরেই প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। আর এ কাজটি করেন সহকারি শিক্ষক। মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মক্ষেত্রের শিষ্টাচার চূর্ণ করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামনেই এক প্রধান শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমানকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের নিজ অফিস কক্ষে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

আহত মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান উপজেলার দামিয়া আব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন মিঠারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাজী নাদিমুল হকের কক্ষে অবস্থান করছিলেন প্রধান শিক্ষক মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান। এমন সময় সহকারী শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি থাপ্পড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করেন। কক্ষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা দিয়ে হামলা থামানোর চেষ্টা করলেও তাকে নিবৃত্ত করা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে আহত প্রধান শিক্ষককে দেখতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হাসান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেন।

ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাশিদা আক্তার জানান, সরকারি দপ্তরে ঢুকে একজন শিক্ষকের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত জঘন্য, নিন্দনীয় ও পেশাগত শিষ্টাচারবহির্ভূত। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি অফিসের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যথাযথ বিধি অনুযায়ী কঠোর বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জোর সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক কক্ষে সংঘটিত এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় মৌলভীবাজারের সচেতন মহল ও স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 11:06:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119707" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119707</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।
নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।
মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:46:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান; ৪ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119706" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119706</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নওগাঁর পোরশায় অবৈধ দুই ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করেন।

জরিমানাকৃত ইটভাটা দু&rsquo;টি হলো&mdash;উপজেলার পশ্চিম রঘুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এনএসবি ব্রিকস এবং নিতপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স কেইবিসি ব্রিকস।

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা বলেন, &lsquo;জেলার পোরশা উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় ইটভাটা দুইটি পরিচালনার জন্য বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। যথাযথ কাগজপত্র গ্রহণ ব্যতীত পশ্চিম রঘুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এনএসবি ব্রিকস এবং নিতপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স কেইবিসি ব্রিকস নামক দুইটি ইটভাটার পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার কাজ চালু রাখায় ইটভাটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়।&rsquo;

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:40:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উসকানিতে অশান্ত শিল্পাঞ্চল’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119705" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119705</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন। বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

শামীমা পারভীন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনকে ঘিরে দুষ্কৃতিকারীরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাঁদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজনের সংখ্যাই বেশি। হেমায়েতপুরে শুরুতে তাঁরাই পোশাক কারখানায় হামলা চালান। এতে শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে আসেন। প্রকৃত শ্রমিকেরা আজকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, হেমায়েতপুর এলাকা থেকে একটি ককটেলসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি ককটেল বিস্ফোরণ করেছিলেন। এ ছাড়া পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়েছে।

এদিকে শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সাভার ও আশুলিয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই শতাধিক পোশাক কারখানার কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা চলছিল। বুধবার সেই উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে সাভারের হেমায়েতপুর ও উলাইল এলাকায়। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ব্যাহত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে একের পর এক কারখানা ছুটি ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েন শ্রমিক ও শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:40:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বড়লেখায় দীর্ঘ ৮ বছর পর হবে চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119703" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119703</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চা শ্রমিক ইউনিয়নের পঞ্চায়েত, ভ্যালি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। আগামী ২৮ নভেম্বর উপজেলার ১৮টি চা বাগানে একযোগে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন প্রায় চার হাজার চা শ্রমিকরা।

নির্বাচন সুষ্ঠু,শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে বড়লেখায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং চা বাগানের ব্যবস্থাপকদের নিয়ে এক সমন্বয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম মাহবুব এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নির্বাচনের সমন্বয়ক এবং বিভাগীয় শ্রম দপ্তর (ঢাকা)-এর উপ-পরিচালক মো. খোরশেদ আলম।

সভায় খোরশেদ আলম বলেন, &ldquo;দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর চা শ্রমিকদের নিজস্ব পঞ্চায়েত, ভ্যালি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। চা শ্রমিকরা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে স্বতঃস্ফূর্ত ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারেন, সেজন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া, বড়লেখা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওবায়দুল হক, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক সহ সাংবাদিক প্রমুখ।

এ ছাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অহিদাবাদ চা বাগানের ব্যবস্থাপক আলী আসকর, রহমানিয়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল আলম, শাহবাজপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক নাহিদ ফেরদৌস চৌধুরী, বাহাদুরপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক এস এম ইকরামুল কবির, পাল্লাথল চা বাগানের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, মো. সাঈদুজ্জামান এবং কেরামতনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান মাসুম প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত বাগান ব্যবস্থাপক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 10:28:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রায়পুরায় আলোচনার শীর্ষে মেম্বার প্রার্থী গাজী সবুজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119697" />
            <id>https://archive.en.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/119697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আল আমিন গাজী সবুজ। হাটে-মাঠে-ঘাটে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় তাঁকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল।

আল আমিন গাজী সবুজ একজন বিজ্ঞ দরবারী, অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার, সমাজসেবক ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন। একজন জনবান্ধব ও মানুষের কাছের মানুষ হিসেবে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আল আমিন গাজী সবুজ দলের দুঃসময়ে নানা প্রতিকূলতা, মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। দলের কঠিন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় তাঁকে একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির আস্থাভাজন হিসেবেও পরিচিত আল আমিন গাজী সবুজ।

আসন্ন নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন। তাঁর প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের পাশে থেকে ওয়ার্ডের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা ধীরে ধীরে জমে উঠছে। এরই মধ্যে আল আমিন গাজী সবুজের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে আসন্ন মরজাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে আল আমিন গাজী সবুজের সম্ভাব্য প্রার্থিতা এখন স্থানীয় আলোচনার অন্যতম বিষয়।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Nov 2026 07:29:51 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
